মালয়েশিয়ায় ফিরতে ইমিগ্রেশনে ৩ লাখের বেশি আবেদন
jugantor
মালয়েশিয়ায় ফিরতে ইমিগ্রেশনে ৩ লাখের বেশি আবেদন

  আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া থেকে  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩৪:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

মালয়েশিয়ায় ফিরতে ৩ লাখেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে ইমিগ্রেশনে। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ বলছে, মালয়েশিয়া প্রবেশে এবং মালয়েশিয়ার বাইরে যেতে মাই ট্রাভেল পাসের (এমটিপি) মাধ্যমে গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫১০টি আবেদন জমা পড়েছে।

এর মধ্যে ২ লাখ ৮ হাজার ৫০৯ জনের আবেদন অনুমোদন হয়েছে এবং ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৬৫ জনের আবেদন বিভিন্ন কারণে বাতিল করা হয়েছে। এসব আবেদনকারীর মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ান নাগরিক ও তাদের পোষ্য এবং বিভিন্ন দেশের অভিবাসী ছাত্র ও শ্রমিক।

এছাড়া দেশটিতে প্রবেশ করতে চাইলে ইমিগ্রেশনের পূর্বানুমতি প্রয়োজনে এমটিপি অনলাইন আবেদন ২০২০ সালের নভেম্বরে চালু করা হয়েছিল; যা এখনো চালু রয়েছে।

১৩ সেপ্টেম্বর সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন, অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক খায়রুল দাজাইমি দাউদ।

এর আগে মালয়েশিয়ার একটি স্থানীয় পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে সমালোচনা করে বলা হয়- মাই ট্রাভেল পাসের (এমটিপি) প্রসেসিং অনেক বিলম্ব হচ্ছে; যার কারণে আটকেপড়া মানুষজন দেশটিতে ফিরতে পারছেন না এবং দেশটি থেকে বাহিরের দেশে যেতে পারছেন না। তাছাড়াও এমটিপির প্রয়োজনীয়তা ও সহজ শর্তাবলী জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে খায়রুল দাজাইমি দাউদ বলেন, গত বছরের নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫১০টি আবেদন জমা পড়েছে। এগুলো প্রসেসিং করতে ৩টি টিম নিয়মিত কাজ করছে। দিন দিন এই আবেদন বেড়েই চলেছে; তার কারণ বর্তমানে দেশে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে।

আগে বাছাই প্রক্রিয়াটির সময়সীমা যেখানে ৭ দিন ছিল এখন তা বাড়িয়ে ১৪ দিন করা হয়েছে। এমটিপি আবেদন গ্রহণ বাতিল দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ও সরকারের বিভিন্ন বিধিনিষেধের ওপর নির্ভর করতে হয়। এমটিপি আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করতে এর আপডেট অব্যাহত আছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া স্পেশাল ফ্লাইট ছাড়া নিয়মিত ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে। ভিসা পারমিট থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ অপেক্ষার পরও নানা জটিলতার কারণে ফিরতে পারছেন না আটকেপড়া প্রবাসীরা। এ বিষয়ে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধানের আশা করছেন দেশে ছুটিতে থাকা বাংলাদেশি কর্মীরা।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

মালয়েশিয়ায় ফিরতে ইমিগ্রেশনে ৩ লাখের বেশি আবেদন

 আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া থেকে 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মালয়েশিয়ায় ফিরতে ৩ লাখেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে ইমিগ্রেশনে। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ বলছে, মালয়েশিয়া প্রবেশে এবং মালয়েশিয়ার বাইরে যেতে মাই ট্রাভেল পাসের (এমটিপি) মাধ্যমে গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫১০টি আবেদন জমা পড়েছে।

এর মধ্যে ২ লাখ ৮ হাজার ৫০৯ জনের আবেদন অনুমোদন হয়েছে এবং ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৬৫ জনের আবেদন বিভিন্ন কারণে বাতিল করা হয়েছে। এসব আবেদনকারীর মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ান নাগরিক ও তাদের পোষ্য এবং বিভিন্ন দেশের অভিবাসী ছাত্র ও শ্রমিক।

এছাড়া দেশটিতে প্রবেশ করতে চাইলে ইমিগ্রেশনের পূর্বানুমতি প্রয়োজনে এমটিপি অনলাইন আবেদন ২০২০ সালের নভেম্বরে চালু করা হয়েছিল; যা এখনো চালু রয়েছে।

১৩ সেপ্টেম্বর সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন, অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক খায়রুল দাজাইমি দাউদ।

এর আগে মালয়েশিয়ার একটি স্থানীয় পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে সমালোচনা করে বলা হয়- মাই ট্রাভেল পাসের (এমটিপি) প্রসেসিং অনেক বিলম্ব হচ্ছে; যার কারণে আটকেপড়া মানুষজন দেশটিতে ফিরতে পারছেন না এবং দেশটি থেকে বাহিরের দেশে যেতে পারছেন না। তাছাড়াও এমটিপির প্রয়োজনীয়তা ও সহজ শর্তাবলী জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে খায়রুল দাজাইমি দাউদ বলেন, গত বছরের নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫১০টি আবেদন জমা পড়েছে। এগুলো প্রসেসিং করতে ৩টি টিম নিয়মিত কাজ করছে। দিন দিন এই আবেদন বেড়েই চলেছে; তার কারণ বর্তমানে দেশে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে।

আগে বাছাই প্রক্রিয়াটির সময়সীমা যেখানে ৭ দিন ছিল এখন তা বাড়িয়ে ১৪ দিন করা হয়েছে। এমটিপি আবেদন গ্রহণ বাতিল দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ও সরকারের বিভিন্ন বিধিনিষেধের ওপর নির্ভর করতে হয়। এমটিপি আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করতে এর আপডেট অব্যাহত আছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া স্পেশাল ফ্লাইট ছাড়া নিয়মিত ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে। ভিসা পারমিট থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ অপেক্ষার পরও নানা জটিলতার কারণে ফিরতে পারছেন না আটকেপড়া প্রবাসীরা। এ বিষয়ে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধানের আশা করছেন দেশে ছুটিতে থাকা বাংলাদেশি কর্মীরা।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন