জার্মানিতে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন
jugantor
জার্মানিতে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন

  হাবিবুল্লাহ আল বাহার, জার্মানি থেকে  

২০ অক্টোবর ২০২১, ০০:৩৯:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উদযাপন করছে বাংলাদেশ দূতাবাস জার্মানি। জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ঢাকা হতে আগত সম্পদ বড়ুয়া, সচিব জনবিভাগ মো. জয়নাল আবেদীন, প্রেস সচিব (সচিব) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান। শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে “শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস অদম্য আত্মবিশ্বাস” এ প্রতিপাদ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

দিবসের শুরুতে সম্মানিত অতিথিদের সাথে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রদূত পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরবর্তীতে দূতাবাস প্রাঙ্গণে অলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের মিনিস্টার এম মুর্শীদুল হক খান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কাউন্সেলর কাজী তুহিন রসুল।

এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল স্মরণে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যোগদানকৃত অতিথিরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল স্মরণে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া তার বক্তব্যে বলেন, শেখ রাসেল আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আছে তার পবিত্র স্মৃতি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ‘কারাগারের রোজনামচা’ বই থেকে শেখ রাসেল সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর লেখা কিছু উদ্ধৃতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতি বছর ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস পালনের মাধ্যমে ভবিষ্যত বাংলাদেশের কর্ণধার শিশু-কিশোরদের মাঝে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ রাসেলের স্মৃতি অম্লান থাকবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুকে শেখ রাসেলের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে, যেন তারাই গড়ে তুলতে পারে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।

এরপর শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলসহ সকল শহিদের আত্মার শান্তি কামনা ও দেশ ও জাতির শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

জার্মানিতে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন

 হাবিবুল্লাহ আল বাহার, জার্মানি থেকে 
২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উদযাপন করছে বাংলাদেশ দূতাবাস জার্মানি। জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ঢাকা হতে আগত সম্পদ বড়ুয়া, সচিব জনবিভাগ মো. জয়নাল আবেদীন, প্রেস সচিব (সচিব) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান। শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে “শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস অদম্য আত্মবিশ্বাস” এ প্রতিপাদ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।    

দিবসের শুরুতে সম্মানিত অতিথিদের সাথে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রদূত পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরবর্তীতে দূতাবাস প্রাঙ্গণে অলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের মিনিস্টার এম মুর্শীদুল হক খান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কাউন্সেলর কাজী তুহিন রসুল।

এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল স্মরণে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যোগদানকৃত অতিথিরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল স্মরণে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। 

রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া তার বক্তব্যে বলেন, শেখ রাসেল আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আছে তার পবিত্র স্মৃতি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ‘কারাগারের রোজনামচা’ বই থেকে শেখ রাসেল সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর লেখা কিছু উদ্ধৃতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতি বছর ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস পালনের মাধ্যমে ভবিষ্যত বাংলাদেশের কর্ণধার শিশু-কিশোরদের মাঝে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ রাসেলের স্মৃতি অম্লান থাকবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুকে শেখ রাসেলের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে, যেন তারাই গড়ে তুলতে পারে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।

এরপর শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলসহ সকল শহিদের আত্মার শান্তি কামনা ও দেশ ও জাতির শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন