কুয়েতে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন
jugantor
কুয়েতে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন

  সাদেক রিপন, কুয়েত থেকে  

২০ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৯:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন গভীর শ্রদ্ধার সাথে উদযাপন করেছে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস।

সোমবার সকালে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আতিকুজ্জামানের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুস্পাস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এরপর রাষ্ট্রদূতের ব্যক্তিগত সহকারী জিহোন ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহিদ সদস্যদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত বলেন, শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে হয়তো বাবা ও বড় বোনের মতো দেশের নেতৃত্ব দিতেন, বাংলাদেশকে নিয়ে যেতেন অনন্য উচ্চতায়।

অনুষ্ঠানে শহিদ শেখ রাসেলের জীবনের ওপর নির্মিত একটি ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশি ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

কুয়েতে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন

 সাদেক রিপন, কুয়েত থেকে 
২০ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন গভীর শ্রদ্ধার সাথে উদযাপন করেছে  কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস।

সোমবার সকালে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আতিকুজ্জামানের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুস্পাস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এরপর রাষ্ট্রদূতের ব্যক্তিগত সহকারী জিহোন ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহিদ সদস্যদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত বলেন, শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে হয়তো বাবা ও বড় বোনের মতো দেশের নেতৃত্ব দিতেন, বাংলাদেশকে নিয়ে যেতেন অনন্য উচ্চতায়।

অনুষ্ঠানে শহিদ শেখ রাসেলের জীবনের ওপর নির্মিত একটি ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। 
এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশি ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন