পর্তুগালে করোনার সংক্রমণে ঊর্ধ্বগতি
jugantor
পর্তুগালে করোনার সংক্রমণে ঊর্ধ্বগতি

  ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে  

১৯ নভেম্বর ২০২১, ০০:৫২:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

মহামারির দুই বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও নিরাময় পদ্ধতি পুরোপুরি আবিষ্কার না হওয়ায় বিশ্বের শীতপ্রধান দেশগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে পর্তুগালেও ধীরে ধীরে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। ফলে বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক জীবনযাপন করা পর্তুগিজ নাগরিকগণ সংক্রমণ বৃদ্ধিতে নতুন বিধি নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় ভুগছেন।

নতুন পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বিশেষজ্ঞরা বিশেষ নজর রাখছেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য শুক্রবার ১৯ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে পর্তুগিজ প্রেসিডেন্ট কাউন্সিলের জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মার্সেলো রেবেলো ডি সজা স্পেনের মালাগা শহরে কোটেক সম্মেলনের শেষে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রশ্নের জবাবে আবারো জরুরি অবস্থা প্রণয়নের বিষয়টি নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, পর্তুগাল জরুরি অবস্থা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি থেকে অনেক দূরে। তবে সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে আমি তার সঙ্গে আছি। অবশ্য ইতোমধ্যে সর্বক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা আগামী বড়দিনকে কেন্দ্র করে খারাপ পরিস্থিতি এড়াতে ইতোমধ্যে গৃহীত কিছু পদক্ষেপগুলোর শক্ত অবস্থানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

অপরদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মারতা টেমিদো টিকা কার্যক্রমের ওপর বিশেষ সুযোগ প্রদান করেছেন। তবে তিনি আশঙ্কা করেছেন, সামনের দিনগুলো আমাদের কিছুটা পূর্বের মতো কঠিন হবে; আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করব যাতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
ইউরোপের প্রতিবেশী অন্যান্য দেশ যেমন- নেদারল্যান্ড, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ইতালি, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড ও স্পেনসহ প্রায় সব দেশেই সংক্রমণের হার অধিক, তাই কিছু কিছু দেশে সাপ্তাহিক এবং আংশিক লকডাউন শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশটিতে গত সপ্তাহেও সংক্রমণ সংখ্যা ৫০০ এর নিচে ছিল; যা গতকাল ১৭ নভেম্বর একদিনে এসে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫২৭। এমনকি আগামী কয়েক দিনে তার দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ঊর্ধ্বগতিতে পর্তুগালের নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবনে কালো মেঘের ছায়া হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

পর্তুগালে করোনার সংক্রমণে ঊর্ধ্বগতি

 ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে 
১৯ নভেম্বর ২০২১, ১২:৫২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মহামারির দুই বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও নিরাময় পদ্ধতি পুরোপুরি আবিষ্কার না হওয়ায় বিশ্বের শীতপ্রধান দেশগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে পর্তুগালেও ধীরে ধীরে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। ফলে বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক জীবনযাপন করা পর্তুগিজ নাগরিকগণ সংক্রমণ বৃদ্ধিতে নতুন বিধি নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় ভুগছেন।

নতুন পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বিশেষজ্ঞরা বিশেষ নজর রাখছেন এবং  সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য শুক্রবার ১৯ নভেম্বর  রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে পর্তুগিজ প্রেসিডেন্ট কাউন্সিলের জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মার্সেলো রেবেলো ডি সজা স্পেনের মালাগা শহরে কোটেক সম্মেলনের শেষে  সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রশ্নের জবাবে আবারো জরুরি অবস্থা প্রণয়নের বিষয়টি নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, পর্তুগাল জরুরি অবস্থা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি থেকে অনেক দূরে। তবে সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে আমি তার সঙ্গে আছি। অবশ্য ইতোমধ্যে সর্বক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা আগামী বড়দিনকে কেন্দ্র করে খারাপ পরিস্থিতি এড়াতে ইতোমধ্যে গৃহীত কিছু পদক্ষেপগুলোর শক্ত অবস্থানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

অপরদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মারতা টেমিদো টিকা কার্যক্রমের ওপর বিশেষ সুযোগ প্রদান করেছেন। তবে তিনি আশঙ্কা করেছেন, সামনের দিনগুলো আমাদের কিছুটা পূর্বের মতো কঠিন হবে; আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করব যাতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
ইউরোপের প্রতিবেশী অন্যান্য দেশ যেমন- নেদারল্যান্ড, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ইতালি, বেলজিয়াম, ফ্রান্স,  সুইজারল্যান্ড ও স্পেনসহ প্রায় সব দেশেই সংক্রমণের হার অধিক, তাই কিছু কিছু দেশে সাপ্তাহিক এবং আংশিক লকডাউন শুরু হয়েছে। 

উল্লেখ্য, দেশটিতে গত সপ্তাহেও সংক্রমণ সংখ্যা ৫০০ এর নিচে ছিল; যা গতকাল ১৭ নভেম্বর একদিনে এসে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫২৭। এমনকি আগামী কয়েক দিনে তার দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ঊর্ধ্বগতিতে পর্তুগালের নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবনে কালো মেঘের ছায়া হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন