ইতালি আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ২৮ নভেম্বর
jugantor
ইতালি আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ২৮ নভেম্বর

  জমির হোসেন, ইতালি থেকে   

২৮ নভেম্বর ২০২১, ০০:৩১:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বহুল প্রতীক্ষিত ইতালি আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রোববার (২৮ নভেম্বর) ইতালি আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ সংবাদ ইতালিতে এখন টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় নয় বছর পর সম্মেলন হতে যাচ্ছে ফলে সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দ উল্লাসের শেষ নেই। এবারের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে দুটি প্যানেল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। প্যনেেল এক,ইতালি আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব হোসেন এবং বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন। অন্য প্যানেলে বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার লুৎফর রহমান সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ রব মিন্টু সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। দুটি প্যানলেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। রোববার এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ও নির্বাচন কমিশন। তবে এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ও চিঠি দেওয়া অব্যাহত রয়েছে।

ইতোমধ্যে ২৮ নভেম্বরের সম্মেলনে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসানকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাওয়াতপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন ২০২১ ইতালি আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম লোকমান হোসেন,সদস্য সচিব মোঃ সাইদ এবং সদস্য জসিম উদ্দিন।
জানা গেছে, এ সম্মেলনে বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অংশ নিচ্ছেনা তাদের ছাড়াই এ সম্মেলন সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। এর ফলে বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পক্ষে ইতালি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে সম্মলেনকে ঘিরে কোন নির্বাচনী আমেজ নেই। একাধিক নেতাকর্মীরা জানান,২৮ নভেম্বরের সম্মেলনকে তারা সমর্থন করেনি। এদিকে ইউরোপ আওয়ামী লীগের সভাপতি এম নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান একটি চিঠিতে ২৮ নভেম্বরের সম্মেলন আপাতত বন্ধ রাখতে আহবান করেন একই সঙ্গে বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সময় অনুযায়ী সম্মেলন হবে বলে আহবান করেন। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন প্রস্তুতি কমিটি ও নির্বাচন কমিশন মনে করেন তাদের এ আহবান অযৌক্তিক মনগড়া। কারন দীর্ঘ নয় বছর ইতালি আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়নি। একটি সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সম্মেলনের বিকল্প নেই। এ ব্যাপারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম লোকমান হোসেন বলেন,
আগামীকাল যে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এটি নেতাকর্মীদের দীর্ঘ নয় বছরের প্রত্যাশা। তিনি বলেন,সাংগঠনিক নিয়ম মেনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে এই সম্মেলন হতে যাচ্ছে।
দেশের বৃহত্তম সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
এই সংগঠনের সম্মান রাখার দায়িত্ব বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সকল সৈনিকের। এরই ধারাবাহিকতায় কার্যকরী কমিটির বেশির ভাগ সদস্যদের সম্মতিক্রমে বর্তমান সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের দীর্ঘদিনের দাবিআজকের এই সম্মেলন। এমতাবস্থায় বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য। তারা না আসলে আমাদের কিছু করার নেই। তিনি দাবী
করেন দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকে ইতালি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দল গুছাঁতে ব্যর্থ হয়েছে ফলে তারা জানে সম্মেলনে অংশ নিলে
তাদের ভরাডুবি হবে। এই ভয়ে তারা সম্মেলনে অংশ নিতে চাচ্ছেনা। ইউরোপ আওয়ামী লীগের সম্মেলন স্থগিতের চিঠির জবাবে তিনি একজন গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন,ইউরোপ আওয়ামী লীগ সভাপতি এম নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান তারাও এ ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারেনা। তারাও প্রধানমন্ত্রীর সম্মান রক্ষা করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর তিন বছরের কমিটি পেয়ে এখনও পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেননি এর চেয়ে ব্যর্থতা আর কি হতে পারে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড,শাম্মী আহমেদ সাক্ষরিত ২৮ নভেম্বরের সম্মেলন সংগঠনের পরিপন্থী বলে একটি চিঠি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে অবিলম্বে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে আহবান করেন আন্তর্জাতিক এ সম্পাদক। এ ব্যাপারে ইতালি আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী ইদ্রিস ফরাজি বলেন,ইতালি আওয়ামী লীগের সম্মেলন আমাদের সঙ্গে আলাপ না করেই আয়োজন করা হয়েছে।

শুধু তাই নয় ইউরোপ আওয়ামী লীগের সভাপতি এম নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানকে এ ব্যাপারে অবগত করা হয়নি। সেই সম্মেলনে আমরা কিভাবে অংশ গ্রহণ করব। তাদের সঙ্গেইতালি আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ও নির্বাচন কমিশন একাধিকবার আলোচনা করা সত্ত্বেও কেন সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না এমন প্রশ্নের জবাবে হাজী ইদ্রিস ফরাজি বলেন,তারা আমাদেরকে নিয়ে বসবে কেন আমরা তাদের (সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ও নির্বাচন কমিশন) কে নিয়ে বসবো। তারা বলেন,আমরা নাকি কিছুনা।

ইতালি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটিকে প্রধানমন্ত্রীর বাণী দেওয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাণী কোথায় ব্যাবহার করবে এ প্রশ্নটা থেকে যায়। এমন হতে পারে প্রধানমন্ত্রী পুরোপুরি অবগত নয় এটা কোথায় ব্যবহার হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তাদেরকে সম্মেলন বন্ধ করতে বলা হলে তারা রাজি না হওয়ায় আজকে ২৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড.শাম্মী আহমেদ সম্মেলন বন্ধ করতে চিঠি দিয়েছেন। এ নির্দেশ না মানলে সাংগঠনিক ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

ইতালি আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ২৮ নভেম্বর

 জমির হোসেন, ইতালি থেকে  
২৮ নভেম্বর ২০২১, ১২:৩১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বহুল প্রতীক্ষিত ইতালি আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রোববার (২৮ নভেম্বর)  ইতালি আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ সংবাদ ইতালিতে এখন টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় নয় বছর পর সম্মেলন হতে যাচ্ছে ফলে সম্মেলনকে ঘিরে  নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দ উল্লাসের শেষ নেই। এবারের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে দুটি প্যানেল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। প্যনেেল এক,ইতালি আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব হোসেন এবং বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন। অন্য প্যানেলে বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার লুৎফর রহমান সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ রব মিন্টু সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। দুটি প্যানলেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। রোববার এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ও নির্বাচন কমিশন। তবে এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ও চিঠি দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। 

ইতোমধ্যে ২৮ নভেম্বরের সম্মেলনে  ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসানকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাওয়াতপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন ২০২১ ইতালি আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম লোকমান হোসেন,সদস্য সচিব মোঃ সাইদ এবং সদস্য জসিম উদ্দিন।  
জানা গেছে, এ সম্মেলনে বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অংশ নিচ্ছেনা তাদের ছাড়াই এ সম্মেলন সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। এর ফলে বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পক্ষে ইতালি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে সম্মলেনকে ঘিরে কোন নির্বাচনী আমেজ নেই। একাধিক নেতাকর্মীরা জানান,২৮ নভেম্বরের সম্মেলনকে তারা সমর্থন করেনি। এদিকে ইউরোপ আওয়ামী লীগের সভাপতি এম নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান একটি চিঠিতে ২৮ নভেম্বরের সম্মেলন আপাতত বন্ধ রাখতে আহবান করেন একই সঙ্গে বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সময় অনুযায়ী সম্মেলন হবে বলে আহবান করেন। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন প্রস্তুতি কমিটি ও নির্বাচন কমিশন মনে করেন তাদের এ আহবান অযৌক্তিক মনগড়া। কারন দীর্ঘ নয় বছর ইতালি আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়নি। একটি সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সম্মেলনের বিকল্প নেই। এ ব্যাপারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম লোকমান হোসেন বলেন,
আগামীকাল যে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এটি নেতাকর্মীদের দীর্ঘ নয় বছরের প্রত্যাশা। তিনি বলেন,সাংগঠনিক নিয়ম মেনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর  হাতকে শক্তিশালী করতে এই সম্মেলন হতে যাচ্ছে। 
দেশের বৃহত্তম সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ 
এই সংগঠনের সম্মান রাখার দায়িত্ব বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সকল সৈনিকের। এরই ধারাবাহিকতায় কার্যকরী কমিটির বেশির ভাগ সদস্যদের সম্মতিক্রমে বর্তমান সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি আজকের এই সম্মেলন।  এমতাবস্থায় বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য। তারা না আসলে আমাদের কিছু করার নেই। তিনি দাবী 
করেন দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকে ইতালি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দল গুছাঁতে ব্যর্থ হয়েছে ফলে তারা জানে সম্মেলনে অংশ নিলে 
তাদের ভরাডুবি হবে। এই ভয়ে তারা সম্মেলনে অংশ নিতে চাচ্ছেনা। ইউরোপ আওয়ামী লীগের সম্মেলন স্থগিতের চিঠির জবাবে তিনি একজন গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন,ইউরোপ আওয়ামী লীগ সভাপতি এম নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান  তারাও এ ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারেনা। তারাও প্রধানমন্ত্রীর সম্মান রক্ষা করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর তিন বছরের কমিটি পেয়ে এখনও পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেননি এর চেয়ে ব্যর্থতা আর কি হতে পারে। 

অন্যদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড,শাম্মী আহমেদ সাক্ষরিত ২৮ নভেম্বরের সম্মেলন সংগঠনের পরিপন্থী বলে একটি চিঠি ইতোমধ্যে  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে অবিলম্বে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে আহবান করেন আন্তর্জাতিক এ সম্পাদক। এ ব্যাপারে ইতালি আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী ইদ্রিস ফরাজি বলেন,ইতালি আওয়ামী লীগের সম্মেলন আমাদের সঙ্গে আলাপ না করেই আয়োজন করা হয়েছে।

শুধু তাই নয় ইউরোপ আওয়ামী লীগের সভাপতি এম নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানকে এ ব্যাপারে অবগত করা হয়নি। সেই সম্মেলনে আমরা কিভাবে অংশ গ্রহণ করব। তাদের সঙ্গে ইতালি আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ও নির্বাচন কমিশন একাধিকবার আলোচনা করা সত্ত্বেও কেন সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না এমন প্রশ্নের জবাবে হাজী ইদ্রিস ফরাজি বলেন,তারা আমাদেরকে নিয়ে বসবে কেন আমরা তাদের (সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ও নির্বাচন কমিশন) কে নিয়ে বসবো। তারা বলেন,আমরা নাকি কিছুনা।

ইতালি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটিকে প্রধানমন্ত্রীর বাণী দেওয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাণী কোথায় ব্যাবহার করবে এ প্রশ্নটা থেকে যায়। এমন হতে পারে প্রধানমন্ত্রী পুরোপুরি অবগত নয় এটা কোথায় ব্যবহার হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তাদেরকে সম্মেলন বন্ধ করতে বলা হলে তারা রাজি না হওয়ায় আজকে ২৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড.শাম্মী আহমেদ সম্মেলন বন্ধ করতে চিঠি দিয়েছেন। এ নির্দেশ না মানলে সাংগঠনিক ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন