স্পেন প্রবাসীর বাবার মৃত্যু
jugantor
স্পেন প্রবাসীর বাবার মৃত্যু

  জমির হোসেন, ইতালি থেকে  

১৭ জানুয়ারি ২০২২, ২১:২৬:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশি মাহমুদুল হাসান ফরিদ নামে এক প্রবাসীর বাবা পল্লি চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম (৫১) মারা গেছেন। স্পেন থেকে প্রবাসীর পরিবার জানায়, আজ ১৭ জানুয়ারি তার জরুরি দেশে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ সময় আনুমানিক বেলা ১১টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)।

জানা গেছে, গলায় টিউমারজনিত রোগে আক্রান্ত হলে গত মাসে জরুরি ভারতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসায় থাকার পর ডাক্তারের পরামর্শে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। পরে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন। দেশে দ্বিতীয় ধাপে কেমোথেরাপি দেওয়া হলে নিজ গ্রাম ভাটিয়ালপুর আনা হয়। সেখানে ফের অসুস্থ হলে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে স্ত্রী- তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত একজন আদর্শ পল্লি চিকিৎসক হিসেবে সুনামের সাথে মানুষকে সেবা দিয়েছেন। মরহুমের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে তার এ মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি জমির হোসেন শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

স্পেন প্রবাসীর বাবার মৃত্যু

 জমির হোসেন, ইতালি থেকে 
১৭ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশি মাহমুদুল হাসান ফরিদ নামে এক প্রবাসীর বাবা পল্লি চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম (৫১) মারা গেছেন। স্পেন থেকে প্রবাসীর পরিবার জানায়, আজ ১৭ জানুয়ারি তার জরুরি দেশে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ সময় আনুমানিক বেলা ১১টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)।

জানা গেছে, গলায় টিউমারজনিত রোগে আক্রান্ত হলে গত মাসে জরুরি ভারতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসায় থাকার পর ডাক্তারের পরামর্শে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। পরে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন। দেশে দ্বিতীয় ধাপে কেমোথেরাপি দেওয়া হলে নিজ গ্রাম ভাটিয়ালপুর আনা হয়। সেখানে ফের অসুস্থ হলে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে স্ত্রী- তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত একজন আদর্শ পল্লি চিকিৎসক হিসেবে সুনামের সাথে মানুষকে সেবা দিয়েছেন। মরহুমের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে তার এ মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি জমির হোসেন শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন