দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশিকে পুড়িয়ে হত্যা 
jugantor
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশিকে পুড়িয়ে হত্যা 

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

২০ জানুয়ারি ২০২২, ২১:০৩:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় রেজাউল নামে এক বাংলাদেশিকে অপহরণের ১৫ দিন পর আগুনে পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। রেজাউল মাদারীপুরের বাসিন্দা। তাকে অপহরণ এবং খুনের সঙ্গে জড়িত এবং মূল পরিকল্পনাকারী সোলাইমানসহ চার বাংলাদেশিকে পুলিশ ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জোহানেসবার্গের অদূরে ফেরিনাখানের ফান্ডারবিলি থেকে গত ১০ ডিসেম্বর রেজাউলকে চার বাংলাদেশি নাগরিক মিলে অপহরণ করে। অপহরণের পর কোনো এক গোপন জায়গায় আটকে রেখে মুক্তিপণের জন্য রেজাউলের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালাতে থাকে। ১১ ডিসেম্বর থেকে টানা ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেজাউলের ওপর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে অপহরণকারীরা ২৬ ডিসেম্বর রাতে রেজাউলকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে।

গত কয়েক দিন আগে পুলিশ রেজাউলের আগুনে পুড়ে যাওয়া হাড় এবং মাথার খুলি উদ্ধার করে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
এদিকে রেজাউল অপহরণ ও খুনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে জামালপুরের সরিষাবাড়ীর শিহাব ও সুনামগঞ্জের আল আমিনকে ইস্টার্ন কেপ থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী সোলাইমান ও গাড়িচালক নোমানকেও পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

জানা যায়, সোলাইমানের বাবা ইতোমধ্যে মুক্তিপণ হিসেবে রেজাউলের পরিবার থেকে ১০ লাখ টাকা গ্রহণ করেছে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশিকে পুড়িয়ে হত্যা 

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
২০ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় রেজাউল নামে এক বাংলাদেশিকে অপহরণের ১৫ দিন পর আগুনে পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। রেজাউল মাদারীপুরের বাসিন্দা। তাকে অপহরণ এবং খুনের সঙ্গে জড়িত এবং মূল পরিকল্পনাকারী সোলাইমানসহ চার বাংলাদেশিকে পুলিশ ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জোহানেসবার্গের অদূরে ফেরিনাখানের ফান্ডারবিলি থেকে গত ১০ ডিসেম্বর  রেজাউলকে চার বাংলাদেশি নাগরিক মিলে অপহরণ করে। অপহরণের পর কোনো এক গোপন জায়গায় আটকে রেখে মুক্তিপণের জন্য রেজাউলের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালাতে থাকে। ১১ ডিসেম্বর থেকে টানা ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেজাউলের ওপর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে অপহরণকারীরা ২৬ ডিসেম্বর রাতে রেজাউলকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে।

গত কয়েক দিন আগে পুলিশ রেজাউলের আগুনে পুড়ে যাওয়া হাড় এবং মাথার খুলি উদ্ধার করে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
এদিকে রেজাউল অপহরণ ও খুনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে জামালপুরের সরিষাবাড়ীর শিহাব ও সুনামগঞ্জের আল আমিনকে ইস্টার্ন কেপ থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী সোলাইমান ও গাড়িচালক নোমানকেও পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

জানা যায়, সোলাইমানের বাবা ইতোমধ্যে মুক্তিপণ হিসেবে রেজাউলের পরিবার থেকে ১০ লাখ টাকা গ্রহণ করেছে।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর