কানাডার প্রবাসী বাঙালি প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদিরের কৃতিত্ব
jugantor
কানাডার প্রবাসী বাঙালি প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদিরের কৃতিত্ব

  রাজীব আহসান, কানাডা থেকে  

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ২১:২৭:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কানাডার আলবার্টার ক্যালগেরির প্রবাসী বাঙালিদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির অ্যাসোসিয়েশন অব প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড জিওসায়েন্টিস্ট অব আলবার্টার (এপিইজিএ) ক্যালগেরি শাখার ভাইস চেয়ার নির্বাচিত হয়েছেন।

একই সংগঠনে এর পূর্বে তিনি দুইবার কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনিই প্রথম বাঙালি হিসেবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এপিইজিএ আলবার্টার প্রকৌশলী এবং জিওসাইন্স প্রফেশনের একটি রেগুলেরটি সংস্থা।

প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির সিলেটের মৌলভীবাজার কুলাউড়া উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১৯৮৬ সালে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়ালেখা শেষ করে বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ পনেরো বছর চাকরি করেন এবং এরপর তিনি কানাডায় পাড়ি জমান। বর্তমানে তিনি কানাডার ক্যালগেরিতে বৃহৎ অয়েল কোম্পানি সানকোর ইন করপোরেটেডে ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন।

প্রকোশলী মোহাম্মদ কাদির বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির এবং সিলেট অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সহ-সভাপতি। এ ছাড়াও তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সেবা মূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।

যুগান্তরকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রকোশলী মোহাম্মদ কাদির বলেন, বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমি মনে করি এই সম্মান পুরো বাঙালি জাতির। তিনি বলেন, আমি চাই প্রচুরসংখ্যক প্রবাসী এদেশে এসে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করুক, পাশাপাশি আমাদের প্রবাসীদেরও বাংলাদেশের সেবামূলক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসতে হবে।

মানবসেবার প্রত্যয় নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রকোশলী মোহাম্মদ কাদির তার নিজ এলাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সেবামূলক কাজে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবনে মিষ্টভাষী সদালাপী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। তার সহধর্মিণী জাফরান জামবর্ণা এইচ জামানা একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। তার এই কৃতিত্বে ক্যালগেরির বিভিন্ন সংগঠন ও প্রবাসী বাঙালিরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

কানাডার প্রবাসী বাঙালি প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদিরের কৃতিত্ব

 রাজীব আহসান, কানাডা থেকে 
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কানাডার আলবার্টার ক্যালগেরির প্রবাসী বাঙালিদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির অ্যাসোসিয়েশন অব প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড জিওসায়েন্টিস্ট অব আলবার্টার (এপিইজিএ) ক্যালগেরি শাখার ভাইস চেয়ার নির্বাচিত হয়েছেন।

একই সংগঠনে এর পূর্বে তিনি দুইবার কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনিই প্রথম বাঙালি হিসেবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এপিইজিএ আলবার্টার প্রকৌশলী এবং জিওসাইন্স প্রফেশনের একটি রেগুলেরটি সংস্থা।

প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির সিলেটের মৌলভীবাজার কুলাউড়া উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১৯৮৬ সালে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়ালেখা শেষ করে বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ পনেরো বছর চাকরি করেন এবং এরপর তিনি কানাডায় পাড়ি জমান।  বর্তমানে তিনি কানাডার ক্যালগেরিতে বৃহৎ অয়েল কোম্পানি সানকোর ইন করপোরেটেডে ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন।

প্রকোশলী মোহাম্মদ কাদির বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির এবং সিলেট অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির  সহ-সভাপতি। এ ছাড়াও তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সেবা মূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। 

যুগান্তরকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রকোশলী মোহাম্মদ কাদির বলেন, বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমি মনে করি এই সম্মান পুরো বাঙালি জাতির। তিনি বলেন, আমি চাই প্রচুরসংখ্যক প্রবাসী এদেশে এসে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করুক, পাশাপাশি আমাদের প্রবাসীদেরও বাংলাদেশের সেবামূলক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসতে হবে।

মানবসেবার প্রত্যয় নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রকোশলী মোহাম্মদ কাদির তার নিজ এলাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সেবামূলক কাজে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবনে মিষ্টভাষী সদালাপী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। তার সহধর্মিণী জাফরান জামবর্ণা এইচ জামানা একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। তার এই কৃতিত্বে ক্যালগেরির বিভিন্ন সংগঠন ও প্রবাসী বাঙালিরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর