পর্তুগালেই দাফন হলো প্রবাসীর
jugantor
পর্তুগালেই দাফন হলো প্রবাসীর

  ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে  

১৮ মে ২০২২, ০১:১৭:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ১৬ মে স্থানীয় একটি মুসলিম কবরস্থানে পরিবারের ইচ্ছার ভিত্তিতে পর্তুগালে বসবাসকারী মৃত প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ হান্নানের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ হান্নান ১৯৯৬ সালে পর্তুগালে পাড়ি জমান। পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তার সাথে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল, এমনকি দীর্ঘদিন বাংলাদেশে না আসার কারণে নিকটাত্মীয়দের কাছে তিনি অপরিচিত হয়ে ওঠেন। তিনি গত ২৫ এপ্রিল পর্তুগালের সান্টারাই শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ থানার অন্তর্গত।

পর্তুগালে তিনি একা বসবাস করার কারণে পরিবার-পরিজনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এ বিষয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও গণমাধ্যমে পরিবারের খোঁজখবর প্রকাশিত হয়। পর্তুগালে বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবন বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে তার পরিবার খুঁজে বের করেন।

পরবর্তীতে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে পর্তুগালে দাফনের সিদ্ধান্ত হয়। দূতাবাসের পক্ষ থেকে পর্তুগালে বাংলাদেশ কমিউনিটির স্থানীয় ব্যক্তিদের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। পর্তুগালে অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন ব্যক্তিসহ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে উক্ত দাফনকার্য সম্পন্ন হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৩ বছর।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

পর্তুগালেই দাফন হলো প্রবাসীর

 ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে 
১৮ মে ২০২২, ০১:১৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ১৬ মে স্থানীয় একটি মুসলিম কবরস্থানে পরিবারের ইচ্ছার ভিত্তিতে পর্তুগালে বসবাসকারী মৃত প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ হান্নানের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ হান্নান ১৯৯৬ সালে পর্তুগালে পাড়ি জমান। পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তার সাথে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল, এমনকি দীর্ঘদিন বাংলাদেশে না আসার কারণে নিকটাত্মীয়দের কাছে তিনি অপরিচিত হয়ে ওঠেন। তিনি গত ২৫ এপ্রিল পর্তুগালের সান্টারাই শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ থানার অন্তর্গত।

পর্তুগালে তিনি একা বসবাস করার কারণে পরিবার-পরিজনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এ বিষয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও গণমাধ্যমে পরিবারের খোঁজখবর প্রকাশিত হয়। পর্তুগালে বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবন বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে তার পরিবার খুঁজে বের করেন।

পরবর্তীতে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে পর্তুগালে দাফনের সিদ্ধান্ত হয়। দূতাবাসের পক্ষ থেকে পর্তুগালে বাংলাদেশ কমিউনিটির স্থানীয় ব্যক্তিদের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। পর্তুগালে অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন ব্যক্তিসহ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে উক্ত দাফনকার্য সম্পন্ন হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৩ বছর। 
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন