গ্রিসে প্রবাসী সন্তানরা উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে
jugantor
গ্রিসে প্রবাসী সন্তানরা উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে

  জাকির হোসাইন চৌধুরী, গ্রিস থেকে   

২৮ মে ২০২২, ০১:০২:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রিসে বেড়ে উঠা বেশিরভাগ প্রবাসী বাংলাদেশি সন্তানেরা গ্রিক মিডিয়ামে পড়ালেখার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষার প্রতিও বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অভিভাবকরাও গুরুত্ব দিচ্ছেন ইংরেজি শেখার প্রতি। যদিও অনেকে তাদের সন্তানদের শুরু থেকেই ইংরেজি মিডিয়ামে পড়াচ্ছেন; কারণ গ্রিসে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সব সময় শঙ্কায় থাকেন প্রবাসী অভিভাবকরা।

ইউরোপের দেশ হলেও গ্রিক সরকার বরাবরই অভিবাসনবিমুখ; যার কারণে জন্মগতভাবেও গ্রিক নাগরিকত্ব পেতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেক প্রবাসী সন্তান। তারপরও প্রবাসী পিতা-মাতাদের ইচ্ছা সন্তানেরা পড়ালেখা করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অস্ট্রেলিয়া-আমেরিকাসহ বিশ্বের উন্নত কোনো দেশে গিয়ে প্রতিষ্ঠিত হবে।

গত রোববার স্থানীয় একটি চার তারকা হোটেলের হল রুমে প্রফিসিয়েন্সি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এথেন্সের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রিক শিক্ষার্থীসহ প্রবাসী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। গ্রিক অভিভাবকদের পাশাপাশি বাংলাদেশি প্রবাসী পরিবারকেও হলের বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। শিক্ষার্থী ছাড়াও চাকরিজীবীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

গ্রিসে বেড়ে উঠা প্রবাসী সন্তানেরা ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেকটাই শান্ত এবং বাধ্যগত; যার কারণে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি ছেলে-মেয়েরা পড়া-লেখায় অনেক মনোযোগী এবং মেধা তালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে জায়গা করে নিচ্ছেন। অধিকাংশ প্রবাসী অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

গ্রিসে প্রবাসী সন্তানরা উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে

 জাকির হোসাইন চৌধুরী, গ্রিস থেকে  
২৮ মে ২০২২, ০১:০২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রিসে বেড়ে উঠা বেশিরভাগ প্রবাসী বাংলাদেশি সন্তানেরা  গ্রিক মিডিয়ামে পড়ালেখার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষার প্রতিও বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অভিভাবকরাও গুরুত্ব দিচ্ছেন ইংরেজি শেখার প্রতি। যদিও অনেকে তাদের সন্তানদের শুরু থেকেই ইংরেজি মিডিয়ামে পড়াচ্ছেন; কারণ গ্রিসে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সব সময় শঙ্কায় থাকেন  প্রবাসী অভিভাবকরা।

ইউরোপের দেশ হলেও গ্রিক সরকার বরাবরই অভিবাসনবিমুখ; যার কারণে জন্মগতভাবেও গ্রিক নাগরিকত্ব পেতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেক প্রবাসী সন্তান। তারপরও প্রবাসী পিতা-মাতাদের ইচ্ছা সন্তানেরা পড়ালেখা  করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অস্ট্রেলিয়া-আমেরিকাসহ বিশ্বের উন্নত কোনো দেশে গিয়ে প্রতিষ্ঠিত হবে। 

গত রোববার স্থানীয় একটি চার তারকা হোটেলের হল রুমে প্রফিসিয়েন্সি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এথেন্সের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রিক শিক্ষার্থীসহ প্রবাসী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। গ্রিক অভিভাবকদের পাশাপাশি বাংলাদেশি প্রবাসী পরিবারকেও হলের বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। শিক্ষার্থী ছাড়াও চাকরিজীবীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

গ্রিসে বেড়ে উঠা প্রবাসী সন্তানেরা ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেকটাই শান্ত এবং বাধ্যগত; যার কারণে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি ছেলে-মেয়েরা পড়া-লেখায় অনেক মনোযোগী এবং মেধা তালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে জায়গা করে নিচ্ছেন। অধিকাংশ প্রবাসী অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন