কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উদযাপন
jugantor
কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উদযাপন

  সাদেক রিপন, কুয়েত থেকে  

০৯ আগস্ট ২০২২, ২২:৪০:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কুয়েতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

সোমবার সকালে বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় ও কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে এক বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

জাতির পিতা ও বঙ্গমাতাসহ ১৫ আগস্টের কালরাতে নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

পবিত্র কুরআন তেলওয়াতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানে শুরু হয়।এরপর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর (শ্রম) আবুল হোসেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) ইকবাল আখতার।

বাঙালির সুদীর্ঘ স্বাধীনতার আন্দোলন ও মুক্তিসংগ্রামের নেপথ্য কারিগর বঙ্গমাতার জীবনকে উপজীব্য করে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ আলোচনা। সমাপনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আসিকুজ্জামান প্রথমেই জাতির পিতার পবিত্র স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, শান্তি ও সংগ্রামে, যুদ্ধ কিংবা দেশ বিনির্মাণ সর্বত্রই বঙ্গমাতা জাতির পিতার সাহস ও অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন।

এসময় প্রথম সচিব ও দূতালয় নিয়াজ মোরশেদসহ কুয়েতে বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতা এবং বাংলাদেশি সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উদযাপন

 সাদেক রিপন, কুয়েত থেকে 
০৯ আগস্ট ২০২২, ১০:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুয়েতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

সোমবার সকালে বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় ও কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে এক বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

জাতির পিতা ও বঙ্গমাতাসহ ১৫ আগস্টের কালরাতে নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। 

পবিত্র কুরআন তেলওয়াতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানে শুরু হয়।এরপর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর (শ্রম) আবুল হোসেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) ইকবাল আখতার।

বাঙালির সুদীর্ঘ স্বাধীনতার আন্দোলন ও মুক্তিসংগ্রামের নেপথ্য কারিগর বঙ্গমাতার জীবনকে উপজীব্য করে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ আলোচনা। সমাপনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আসিকুজ্জামান প্রথমেই জাতির পিতার পবিত্র স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, শান্তি ও সংগ্রামে, যুদ্ধ কিংবা দেশ বিনির্মাণ সর্বত্রই বঙ্গমাতা জাতির পিতার সাহস ও অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন।

এসময় প্রথম সচিব ও দূতালয় নিয়াজ মোরশেদসহ কুয়েতে বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতা এবং বাংলাদেশি সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন