চিটাগং অ্যাসোসিয়েশনের পিকনিকে অভূতপূর্ব সাড়া
jugantor
চিটাগং অ্যাসোসিয়েশনের পিকনিকে অভূতপূর্ব সাড়া

  রাজীব আহসান, কানাডা থেকে  

১০ আগস্ট ২০২২, ০৩:২৯:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

কানাডায় বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীদের ঢল নেমেছিল পিটারবোরোর নিকোলাস ওভাল প্যাভিলিয়ন পার্কে। টরন্টো শহর থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ঘেরা নিকোলাস ওভাল প্যাভিলয়নে পিকনিকের আয়োজন করেছিলো চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন কানাডা।

আর এই আয়োজনকে ঘিরেই যেন অভূতপূর্ব এক মিলনমেলায় পরিণত হয় পিকনিক। আয়োজকদের দাবি, শহরের সব চেয়ে বড় এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খল বনভোজন ছিল এটি।

টরন্টো থেকে বিশেষ বাসে কানাডার বিভিন্ন শহরে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীকে নিয়ে যাওয়া হয় পিটারবোরো শহরে। ফলে বাংলাদেশে দূরবর্তী কোনো শহরে পিকনিকে যাওয়ার স্মৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে দেয় যেন এই বাসযাত্রা।

টরন্টোয় সফরে আসা চট্টগ্রামের প্রভাবশালী দৈনিক পত্রিকা দৈনিক পূর্বকোণের পরিচালনা সম্পাদক জসিমউদ্দিন চৌধুরী সম্মানিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন। অ্যাসোসিয়েশনের নেতাকর্মীসহ সবাই জসিমউদ্দিন চৌধুরীকে স্বাগত জানান।

সংগঠনের সভাপতি সরওয়ার জামানের সভাপতিত্বে জসিমউদ্দিন চৌধুরীকে সংবর্ধনা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন শিবু চৌধুরী, আলমগীর হাকিম, নাসিরউদ্দৌজা, সেলিনা হোসাইন, সৈয়দ শওকত, সেলিনা সরওয়ার, শামসুদ্দিন খলেদ সেলিম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান সংগঠনের ট্রেজারার সনৎ বড়ুয়া, মো. সোলায়মান, কফিল উদ্দিন পারভেজ, মো. আজম, বিশ্বজিত পাল, আব্দুল মোমেন জুয়েল, আমিনুল ইসলাম, ড. মন্জুর মোর্শেদ, ব্যারিস্টার আশরাফুল করিম রনি, ডা. সাগুফা আনোয়ার, শরীফা কামাল মসী প্রমুখ।

পিকনিক মানেই ভুরিভোজন সাধারণভাবে এমন একটা ধারণা থাকলেও চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব কানাডার পিকনিকে খা্ওয়াদাওয়ার বাইরেও সববয়সীদের জন্য নানা রকমের খেলাধূলা এবং বিনোদনের ব্যবস্থা ছিল।

পিকনিকস্থলে পৌঁছার পরপরই সবাইকে সকালের নাস্তা পরিবেশন করা হয়। কায়সার কবিরের নেতৃত্ব আয়েশা, মৌসুমী, ফৌজিয়া, শওকত হোসাইনসহ অন্যান্য ভলান্টিয়াররা নাস্তা বিতরণ করেন। শিবু চৌধুরীর নেতৃত্বে খাবার রান্না এবং বিতরণে নিরলস পরিশ্রম করেছেন একটি টিম যারা সকলের অকুণ্ঠ প্রশংসা অর্জন করেছেন।

স্পোর্টসকে ঘিরে নানা বয়েসী ছেলেমেয়ের কলকাকলিতে স্পোর্টস গ্রাউন্ড যেন কচিকাচাদের মেলায় পরিণত হয়। স্পোর্টস আয়োজনে ছিলেন ফারাহ হোসাইন ফৌজিয়া। তাদের সহযোগিতা করেছেন তরী, মুনতাহার, উজান। স্পোর্টসের সকল পুরস্কার স্পন্সর করেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শেঠ প্রপারটিস।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি ছিল নানা মনমুগ্ধকর। স্লো বিটের সুরের মূর্ছনায় যেমন সবাই মোহিত ছিল, ঠিক তেমনি হাই বীটের গানের তালে ছোট বড় সব বয়সের ঊত্তাল নৃত্য এক অপূর্ব আনন্দময় দৃশ্যের অবতারনা করে। উপস্থিত অতিথিদের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম আইডল সংগীত প্রতিযোগিতা। সব আয়োজনে বিশেষ করে ইয়াং জেনারেশনের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মত। বিকাল না নামতেই পরিবেশিত হয় মিষ্টি, ঝাল মুডি, তরমুজ, ঐতিহ্যবাহী বেলা বিস্কুট সহকারে সাড়া দিন ব্যাপী ছিল চা বিতরন। এর মাঝে অনুষ্ঠিত হয় দুইশ এর অধিক মহিলার অংশগ্রহনে জমজমাট মিউজিক বিটের তালে তালে পিলো পাস গেমস।

কানিজ ফাতেমার আয়োজনে রেফল ড্রর টিকেট বিক্রি ছিল রেকর্ড পরিমাণ। বিনয় দার নেতৃত্বে সারাদিনব্যাপী চা বিতরণ চলছিল। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনায় ছিলেন মৌসুমী বড়ুয়া, মুক্তা পাল, সিরাজী, আলো, শেখর, মারুফ। নাম জানা এবং অজানা অসংখ্য ভলানটিয়ার এই পিকনিক আয়োজনে অবদান রেখেছেন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সব্যসাচী চক্রবর্ত্তী। পরিবারের এক সদস্যের আকস্মিক অসুস্থতার কারনে অনুপস্থিত পিকনিক কনভেনর শাহাবউদ্দিন বুলবুলকে সবাই মিস করেন এবং দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া করেন। সকল স্পন্সর বিশেষ করে টরেন্টো-ঢাকা-টরেন্টো টিকেট নিশিথা ফুডসহ ২৩টি র‌্যাফেল ড্রর পুরস্কার প্রদানকারী ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানকে এবং চারটি বাস স্পন্সর কানন গার্ডিয়ান ফার্মেসি, রিয়েলেটর টিম সোলায়মান, রিয়েলেটর সরওয়ার জামান এবং রিয়েলেটর সনৎ বড়ুয়ার প্রতি সংগঠনের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

সর্বশেষে ছিল দিনের অন্যতম আকর্ষণ র‌্যাফেল ড্র। প্রথম পুরস্কার টরেন্টো-ঢাকা-টরেন্টোসহ ২৩টি পুরস্কার ড্রর মাধ্যমে আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে বিতরণ করা হয়। সারাদিনের রৌদ্রের আলোছায়ায় মমতা মাখানো দিনের শেষে যখন গৌধুলীর আলোয় আলোকিত সন্ধ্যা নামছিল তখন সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এই সুবিশাল আয়োজনে যাদের অবদান ছিল তাদের ধন্যবাদ দিচ্ছিলেন। হয়তো কত নাম বাদ পরে গেল তবুও অতিথি এবং আয়োজনকারীদের ক্লান্ত চেহারায় ছিল তৃপ্তির আভাস। এই সুবিশাল আয়োজনে পর্যাপ্ত সুস্বাদু খাবার, অসংখ্য গেমস, সংগীতের মুর্ছনা, র‌্যাফেল ড্রর পুরস্কার, সর্বোপরী হাজারো চট্টলাবাসীর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। সন্ধ্যা নামার প্রাক্কালে রাত ৮টায় বনভোজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

চিটাগং অ্যাসোসিয়েশনের পিকনিকে অভূতপূর্ব সাড়া

 রাজীব আহসান, কানাডা থেকে 
১০ আগস্ট ২০২২, ০৩:২৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কানাডায় বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীদের ঢল নেমেছিল পিটারবোরোর নিকোলাস ওভাল প্যাভিলিয়ন পার্কে। টরন্টো শহর থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ঘেরা নিকোলাস ওভাল প্যাভিলয়নে পিকনিকের আয়োজন করেছিলো চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন কানাডা।

আর এই আয়োজনকে ঘিরেই যেন অভূতপূর্ব এক মিলনমেলায় পরিণত হয় পিকনিক। আয়োজকদের দাবি, শহরের সব চেয়ে বড় এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খল বনভোজন ছিল এটি।

টরন্টো থেকে বিশেষ বাসে কানাডার বিভিন্ন শহরে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীকে নিয়ে যাওয়া হয় পিটারবোরো শহরে। ফলে বাংলাদেশে দূরবর্তী কোনো শহরে পিকনিকে যাওয়ার স্মৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে দেয় যেন এই বাসযাত্রা।

টরন্টোয় সফরে আসা চট্টগ্রামের প্রভাবশালী দৈনিক পত্রিকা দৈনিক পূর্বকোণের পরিচালনা সম্পাদক জসিমউদ্দিন চৌধুরী সম্মানিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন। অ্যাসোসিয়েশনের নেতাকর্মীসহ সবাই জসিমউদ্দিন চৌধুরীকে স্বাগত জানান।

সংগঠনের সভাপতি সরওয়ার জামানের সভাপতিত্বে জসিমউদ্দিন চৌধুরীকে সংবর্ধনা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন শিবু চৌধুরী, আলমগীর হাকিম, নাসিরউদ্দৌজা, সেলিনা হোসাইন, সৈয়দ শওকত, সেলিনা সরওয়ার, শামসুদ্দিন খলেদ সেলিম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান সংগঠনের ট্রেজারার সনৎ বড়ুয়া, মো. সোলায়মান, কফিল উদ্দিন পারভেজ, মো. আজম, বিশ্বজিত পাল, আব্দুল মোমেন জুয়েল, আমিনুল ইসলাম, ড. মন্জুর মোর্শেদ, ব্যারিস্টার আশরাফুল করিম রনি, ডা. সাগুফা আনোয়ার, শরীফা কামাল মসী প্রমুখ।

পিকনিক মানেই ভুরিভোজন সাধারণভাবে এমন একটা ধারণা থাকলেও চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব কানাডার পিকনিকে খা্ওয়াদাওয়ার বাইরেও সববয়সীদের জন্য নানা রকমের খেলাধূলা এবং বিনোদনের ব্যবস্থা ছিল।

পিকনিকস্থলে পৌঁছার পরপরই সবাইকে সকালের নাস্তা পরিবেশন করা হয়। কায়সার কবিরের নেতৃত্ব আয়েশা, মৌসুমী, ফৌজিয়া, শওকত হোসাইনসহ অন্যান্য ভলান্টিয়াররা নাস্তা বিতরণ করেন। শিবু চৌধুরীর নেতৃত্বে খাবার রান্না এবং বিতরণে নিরলস পরিশ্রম করেছেন একটি টিম যারা সকলের অকুণ্ঠ প্রশংসা অর্জন করেছেন।

স্পোর্টসকে ঘিরে নানা বয়েসী ছেলেমেয়ের কলকাকলিতে স্পোর্টস গ্রাউন্ড যেন কচিকাচাদের মেলায় পরিণত হয়। স্পোর্টস আয়োজনে ছিলেন ফারাহ হোসাইন ফৌজিয়া। তাদের সহযোগিতা করেছেন তরী, মুনতাহার, উজান। স্পোর্টসের সকল পুরস্কার স্পন্সর করেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শেঠ প্রপারটিস।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি ছিল নানা মনমুগ্ধকর। স্লো বিটের সুরের মূর্ছনায় যেমন সবাই মোহিত ছিল, ঠিক তেমনি হাই বীটের গানের তালে ছোট বড় সব বয়সের ঊত্তাল নৃত্য এক অপূর্ব আনন্দময় দৃশ্যের অবতারনা করে। উপস্থিত অতিথিদের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম আইডল সংগীত প্রতিযোগিতা। সব আয়োজনে বিশেষ করে ইয়াং জেনারেশনের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মত। বিকাল না নামতেই পরিবেশিত হয় মিষ্টি, ঝাল মুডি, তরমুজ, ঐতিহ্যবাহী বেলা বিস্কুট সহকারে সাড়া দিন ব্যাপী ছিল চা বিতরন। এর মাঝে অনুষ্ঠিত হয় দুইশ এর অধিক মহিলার অংশগ্রহনে জমজমাট মিউজিক বিটের তালে তালে পিলো পাস গেমস। 

কানিজ ফাতেমার আয়োজনে রেফল ড্রর টিকেট বিক্রি ছিল রেকর্ড পরিমাণ। বিনয় দার নেতৃত্বে সারাদিনব্যাপী চা বিতরণ চলছিল। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনায় ছিলেন মৌসুমী বড়ুয়া, মুক্তা পাল, সিরাজী, আলো, শেখর, মারুফ। নাম জানা এবং অজানা অসংখ্য ভলানটিয়ার এই পিকনিক আয়োজনে অবদান রেখেছেন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সব্যসাচী চক্রবর্ত্তী। পরিবারের এক সদস্যের আকস্মিক অসুস্থতার কারনে অনুপস্থিত পিকনিক কনভেনর শাহাবউদ্দিন বুলবুলকে সবাই মিস করেন এবং দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া করেন। সকল স্পন্সর বিশেষ করে টরেন্টো-ঢাকা-টরেন্টো টিকেট নিশিথা ফুডসহ ২৩টি র‌্যাফেল ড্রর পুরস্কার প্রদানকারী ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানকে এবং চারটি বাস স্পন্সর কানন গার্ডিয়ান ফার্মেসি, রিয়েলেটর টিম সোলায়মান, রিয়েলেটর সরওয়ার জামান এবং রিয়েলেটর সনৎ বড়ুয়ার প্রতি সংগঠনের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

সর্বশেষে ছিল দিনের অন্যতম আকর্ষণ র‌্যাফেল ড্র। প্রথম পুরস্কার টরেন্টো-ঢাকা-টরেন্টোসহ ২৩টি পুরস্কার ড্রর মাধ্যমে আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে বিতরণ করা হয়। সারাদিনের রৌদ্রের আলোছায়ায় মমতা মাখানো দিনের শেষে যখন গৌধুলীর আলোয় আলোকিত সন্ধ্যা নামছিল তখন সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এই সুবিশাল আয়োজনে যাদের অবদান ছিল তাদের ধন্যবাদ দিচ্ছিলেন। হয়তো কত নাম বাদ পরে গেল তবুও অতিথি এবং আয়োজনকারীদের ক্লান্ত চেহারায় ছিল তৃপ্তির আভাস। এই সুবিশাল আয়োজনে পর্যাপ্ত সুস্বাদু খাবার, অসংখ্য গেমস, সংগীতের মুর্ছনা, র‌্যাফেল ড্রর পুরস্কার, সর্বোপরী হাজারো চট্টলাবাসীর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। সন্ধ্যা নামার প্রাক্কালে রাত ৮টায় বনভোজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন