জয় বাংলার রমণীর জয়
jugantor
জয় বাংলার রমণীর জয়

  রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৩৫:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

দিয়েছে শিক্ষা রাতের আঁধারে গ্রামে গ্রামে গিয়ে,
লিখিতে পারে নামটি যেন নিজের হাত দিয়ে।
দিশেহারা নারীদের তখন
দিয়েছে আলোর দিশা,
দেখেছি আমার মাকে আমি,
ছিলেন তিনি আলোর দিশারি
জ্বলিতে দেখেছি নক্ষত্রের রাতে,
ধরেছে অস্ত্র নিজের হাতে।
গর্জে উঠেছে বিশ্ব নারী,
বলছে তারা কী না পারি?
পুরুষ জাতির খুলছে মুখোশ,
ভয়ে তারা তখন করছে আপস।
হয়েছে নারী হৃদয় হরণী,
পুরুষ যাহা করিতে পারেনি।
লাভ হবে না বাঁধা দিয়ে,
এসেছে নারী সাহস নিয়ে।
দিতে হবে তাকে অনুপ্রেরণা,
ভেবো না তুমি করছো করুণা।
নারী উঠেছে জেগে যখন,
পারবে না কেউ ঠেকাতে এখন।
লাল সবুজের পতাকা উড়িবে,
রমণীরা যখন বিশ্বে খেলিবে।
পারবে না আর কেউ ঠকাতে,
সোনার বাংলার বাঘিনীদের।
চোখ মিলিয়ে দেখিবে ভুবন,
বুক ভরিবে জাতির তখন।
পারিবে না কেউ দাবিয়ে রাখিতে,
বলেছিল মা মোরে।
নেই ঘর নেই বাড়ি
আছে তারা দেশ জুড়ি,
খেলাধুলা করে তারা
সারা দিন ধরে।
কী খাবে, কী দাবে, তার কোনো খোঁজ নাই,
জিততে হবে ‘সাফ ফাইনাল’
যদি একবার সুযোগ পায়।
সুইডেন ছোট দেশ
ফুটবল খেলে বেশ,
নারীরা অলিম্পিকে ফাইনাল খেলেছে,
সেই থেকে ফুটবলে নারীর ঝোঁক বেড়েছে।
এমন আনন্দঘন দৃশ্য
দেখেনি এর আগে সারা বিশ্ব।
মায়ের কথা আজ সত্যিই ফলেছে,
রমণীদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে।
বাংলার বাঘিনীরা সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে
বিশ্বকাপ খেলবে তারা এ আশা রয়েছে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

জয় বাংলার রমণীর জয়

 রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিয়েছে শিক্ষা রাতের আঁধারে গ্রামে গ্রামে গিয়ে,
লিখিতে পারে নামটি যেন নিজের হাত দিয়ে।
দিশেহারা নারীদের তখন
দিয়েছে আলোর দিশা,
দেখেছি আমার মাকে আমি,
ছিলেন তিনি আলোর দিশারি
জ্বলিতে দেখেছি নক্ষত্রের রাতে,
ধরেছে অস্ত্র নিজের হাতে।
গর্জে উঠেছে বিশ্ব নারী,
বলছে তারা কী না পারি?
পুরুষ জাতির খুলছে মুখোশ,
ভয়ে তারা তখন করছে আপস।
হয়েছে নারী হৃদয় হরণী,
পুরুষ যাহা করিতে পারেনি।
লাভ হবে না বাঁধা দিয়ে,
এসেছে নারী সাহস নিয়ে।
দিতে হবে তাকে অনুপ্রেরণা,
ভেবো না তুমি করছো করুণা।
নারী উঠেছে জেগে যখন,
পারবে না কেউ ঠেকাতে এখন।
লাল সবুজের পতাকা উড়িবে,
রমণীরা যখন বিশ্বে খেলিবে।
পারবে না আর কেউ ঠকাতে,
সোনার বাংলার বাঘিনীদের।
চোখ মিলিয়ে দেখিবে ভুবন,
বুক ভরিবে জাতির তখন।
পারিবে না কেউ দাবিয়ে রাখিতে,
বলেছিল মা মোরে।
নেই ঘর নেই বাড়ি
আছে তারা দেশ জুড়ি,
খেলাধুলা করে তারা
সারা দিন ধরে।
কী খাবে, কী দাবে, তার কোনো খোঁজ নাই,
জিততে হবে ‘সাফ ফাইনাল’
যদি একবার সুযোগ পায়।
সুইডেন ছোট দেশ
ফুটবল খেলে বেশ,
নারীরা অলিম্পিকে ফাইনাল খেলেছে,
সেই থেকে ফুটবলে নারীর ঝোঁক বেড়েছে।
এমন আনন্দঘন দৃশ্য
দেখেনি এর আগে সারা বিশ্ব।
মায়ের কথা আজ সত্যিই ফলেছে,
রমণীদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে।
বাংলার বাঘিনীরা সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে
বিশ্বকাপ খেলবে তারা এ আশা রয়েছে।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর