মালয়েশিয়ায় ১.৮ মিলিয়ন বিদেশি শ্রমিকের চাহিদা পূরণ
jugantor
মালয়েশিয়ায় ১.৮ মিলিয়ন বিদেশি শ্রমিকের চাহিদা পূরণ

  আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া থেকে  

০২ অক্টোবর ২০২২, ০২:৪৯:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রায় ১.৮ মিলিয়ন বিদেশি শ্রমিকের চাহিদা সম্পূর্ণরূপে পূরণ করেছে মালয়েশিয়া।
শনিবার মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ
করা হয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিয়োগ কর্তাদের আবেদনের আলোকে ৫ লাখ ৪১
হাজার ৩১৫ বিদেশি শ্রমিকের জন্য অনুমোদন দিয়েছে; যার মধ্যে ৪ লাখ ৩৬ হাজার
৬১৩ জনের ইতোমধ্যে লেভি পরিশোধ করেছে।
বিদ্যমান ১.৩ মিলিয়ন বিদেশি কর্মী এবং অনুমোদিত কোটা বিবেচনায় নিয়ে এ সংখ্যাটি
শিল্পের বিদেশি শ্রমের মোট চাহিদা প্রায় পূরণ করেছে। দেশটিতে বিদেশি শ্রমিকের
প্রয়োজন প্রায় ১.৮ মিলিয়ন, যা এ পর্যন্ত চাহিদা পূরণ হয়েছে। এছাড়া সেক্টরে ১.৩
মিলিয়ন বিদেশি কর্মী রয়েছে যেগুলো অনানুষ্ঠানিক খাতসহ বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও
নিয়োগের অনুমতি দেয় মন্ত্রণালয়।
একই সময়ে ৬১২,০০০ জনেরও বেশি অভিবাসী শ্রমিক উৎস দেশগুলোতে সুরক্ষা এবং
স্বাস্থ্য মূল্যায়ন নিবন্ধন করেছে এবং পাস করেছে। আরও ২২৮,৩২১ কর্মী
অভিবাসন বিভাগ থেকে ভিসা উইথ রেফারেন্সের জন্য অনুমোদন পেয়েছে এবং বর্তমানে
মালয়েশিয়ায় আসার অপেক্ষায় রয়েছেন।
মন্ত্রণালয় বলেছে, বৃক্ষরোপণ খাত একযোগে বিদেশি কর্মী আনবে না।
নিয়োগকারীদের চাহিদা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে নিয়োগ করা হবে। লেভি
পরিশোধ করার পরে বিদেশি কর্মী আনার জন্য তাদের ১৮ মাস পর্যন্ত সময় থাকবে।
এদিকে মালয়েশিয়ার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এ পর্যন্ত প্রায় ৫৮ হাজারেরও বেশি
কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা
গেছে, মালয়েশিয়া সরকার গত চার মাসে ১ লাখ কর্মীর চাহিদা দিলেও এর বিপরীতে
মাত্র ৩ হাজার ৮২২ জন পাঠাতে পেরেছে বাংলাদেশ। অথচ গত ৪ মাসে মালয়েশিয়ায়
প্রায় ৮০ হাজার কর্মী পাঠিয়েছে নেপাল, যারা বাংলাদেশের কর্মীদের তুলনায় অর্ধেক
খরচে গেছে।
দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে
মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। এমওইউ

অনুযায়ী, বৃক্ষরোপণ, কৃষি, উৎপাদন, পরিষেবা, খনি, নির্মাণ এবং গৃহস্থালি
পরিষেবাসহ সব খাতে ৫ বছরে ৫ লাখ কর্মী নেবে মালয়েশিয়া।
গত ৮ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে প্রথম দফায় ৫৩ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করে।
এরপর নিয়মিত ফ্লাইট না হয়ে হঠাৎ হঠাৎ কিছু কর্মী যাচ্ছে। দূতাবাস থেকে প্রায়
৫৮ হাজার কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন করলেও কর্মী যাচ্ছে হাতেগোনা।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

মালয়েশিয়ায় ১.৮ মিলিয়ন বিদেশি শ্রমিকের চাহিদা পূরণ

 আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া থেকে 
০২ অক্টোবর ২০২২, ০২:৪৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রায় ১.৮ মিলিয়ন বিদেশি শ্রমিকের চাহিদা সম্পূর্ণরূপে পূরণ করেছে মালয়েশিয়া।
শনিবার মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ
করা হয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিয়োগ কর্তাদের আবেদনের আলোকে ৫ লাখ ৪১
হাজার ৩১৫ বিদেশি শ্রমিকের জন্য অনুমোদন দিয়েছে; যার মধ্যে ৪ লাখ ৩৬ হাজার
৬১৩ জনের ইতোমধ্যে লেভি পরিশোধ করেছে।
বিদ্যমান ১.৩ মিলিয়ন বিদেশি কর্মী এবং অনুমোদিত কোটা বিবেচনায় নিয়ে এ সংখ্যাটি
শিল্পের বিদেশি শ্রমের মোট চাহিদা প্রায় পূরণ করেছে। দেশটিতে বিদেশি শ্রমিকের
প্রয়োজন প্রায় ১.৮ মিলিয়ন, যা এ পর্যন্ত চাহিদা পূরণ হয়েছে। এছাড়া সেক্টরে ১.৩
মিলিয়ন বিদেশি কর্মী রয়েছে যেগুলো অনানুষ্ঠানিক খাতসহ বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও
নিয়োগের অনুমতি দেয় মন্ত্রণালয়।
একই সময়ে ৬১২,০০০ জনেরও বেশি অভিবাসী শ্রমিক উৎস দেশগুলোতে সুরক্ষা এবং
স্বাস্থ্য মূল্যায়ন নিবন্ধন করেছে এবং পাস করেছে। আরও ২২৮,৩২১ কর্মী
অভিবাসন বিভাগ থেকে ভিসা উইথ রেফারেন্সের জন্য অনুমোদন পেয়েছে এবং বর্তমানে
মালয়েশিয়ায় আসার অপেক্ষায় রয়েছেন।
মন্ত্রণালয় বলেছে, বৃক্ষরোপণ খাত একযোগে বিদেশি কর্মী আনবে না।
নিয়োগকারীদের চাহিদা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে নিয়োগ করা হবে। লেভি
পরিশোধ করার পরে বিদেশি কর্মী আনার জন্য তাদের ১৮ মাস পর্যন্ত সময় থাকবে।
এদিকে মালয়েশিয়ার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এ পর্যন্ত প্রায় ৫৮ হাজারেরও বেশি
কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা
গেছে, মালয়েশিয়া সরকার গত চার মাসে ১ লাখ কর্মীর চাহিদা দিলেও এর বিপরীতে
মাত্র ৩ হাজার ৮২২ জন পাঠাতে পেরেছে বাংলাদেশ। অথচ গত ৪ মাসে মালয়েশিয়ায়
প্রায় ৮০ হাজার কর্মী পাঠিয়েছে নেপাল, যারা বাংলাদেশের কর্মীদের তুলনায় অর্ধেক
খরচে গেছে।
দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে
মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। এমওইউ

অনুযায়ী, বৃক্ষরোপণ, কৃষি, উৎপাদন, পরিষেবা, খনি, নির্মাণ এবং গৃহস্থালি
পরিষেবাসহ সব খাতে ৫ বছরে ৫ লাখ কর্মী নেবে মালয়েশিয়া।
গত ৮ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে প্রথম দফায় ৫৩ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করে।
এরপর নিয়মিত ফ্লাইট না হয়ে হঠাৎ হঠাৎ কিছু কর্মী যাচ্ছে। দূতাবাস থেকে প্রায়
৫৮ হাজার কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন করলেও কর্মী যাচ্ছে হাতেগোনা।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন