নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন
jugantor
নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৮ নভেম্বর ২০২২, ২০:০২:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

প্রায় দুই বছরের প্রস্তুতি শেষে নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। ২৬ নভেম্বর লাগোর্ডিয়া প্লাজা হোটেলে এই উদযাপন সম্পন্ন হয়।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশন অব ইউএসএ-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত শত শত এলামনাই অংশ নেন। এছাড়া বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। অতিথি হিসেবে ছিলেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশন অব ইউএসএ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনোয়ারুল আলম পারভেজ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা কাওসার, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এম এ মোহিত, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল ড. মো. মনিরুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শুধু বাংলাদেশকেই আলোকিত করেনি, প্রবাশের মাটিতেও দেশকে উজ্জ্বল করেছেন।

সমাবেশে মূল বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অর্লিন্স ইউনিভার্সিটির এমেরিটাস অধ্যাপক ও সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর মোস্তফা সারওয়ার। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রে সুপ্রিম কোর্টের প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান অ্যাটর্নি ও ডেমোক্রেটিক পার্টির লিডার মঈন চৌধুরী।

আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন বিষয়ক অভিজ্ঞ অ্যাটর্নি অশোক কর্মকার, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটির বায়ো মেডিকেল সায়েন্টিস্ট ড. নাসের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোল্লা কাওসার, আয়োজনের প্রধান সমন্বয়কারী মোল্লা মনিরুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার বর্তমান সভাপতি সাঈদা আকতার লিলি।

পুরো আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড. চৌধুরী এস হাসান। এছাড়া পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আরও ছিলেন মো. খলিলুর রহমান ও আনোয়ার হোসেন।

প্রাণের সাথে প্রাণ মিশিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা মেটানোর সংকল্প ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে দুই দিনের অনুষ্ঠানমালা শেষ হয়। হোস্ট কমিটির সদস্য সচিব গাজী সামসউদ্দিন, কো-কনভেনর মো. তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, এম এস আলম, বিশ্বজিৎ চৌধুরী অনুষ্ঠান সফল করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।

কালচারাল প্রোগ্রামের বিভিন্ন পর্বে পারফর্ম করেছেন রথীন্দ্রনাথ রায়, ফেরদৌস আরা, চন্দন চৌধুরী, শশী এবং তামি জাকারিয়া। দলগত পারফর্ম করেছেন বিপা, চন্দ্র ব্যানার্জি ডান্স গ্রুপ এবং আড্ডা ডান্স একাডেমি। প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয় ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সব ভূমিকা।

অংশগ্রহণকারী এলামনাইরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের আবেগ, অনুভূতি ও ভালোবাসার জায়গা। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ বছর উদযাপনের অংশ হওয়া, বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে উপস্থাপন করার এই আনন্দ সত্যিই অন্যরকম। যারা এই আয়োজন করেছে, তাদের জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৮:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

প্রায় দুই বছরের প্রস্তুতি শেষে নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। ২৬ নভেম্বর লাগোর্ডিয়া প্লাজা হোটেলে এই উদযাপন সম্পন্ন হয়।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশন অব ইউএসএ-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত শত শত এলামনাই অংশ নেন। এছাড়া বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। অতিথি হিসেবে ছিলেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশন অব ইউএসএ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনোয়ারুল আলম পারভেজ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা কাওসার, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এম এ মোহিত, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল ড. মো. মনিরুল ইসলাম।
 
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শুধু বাংলাদেশকেই আলোকিত করেনি, প্রবাশের মাটিতেও দেশকে উজ্জ্বল করেছেন।

সমাবেশে মূল বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অর্লিন্স ইউনিভার্সিটির এমেরিটাস অধ্যাপক ও সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর মোস্তফা সারওয়ার। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রে সুপ্রিম কোর্টের প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান অ্যাটর্নি ও ডেমোক্রেটিক পার্টির লিডার মঈন চৌধুরী।

আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন বিষয়ক অভিজ্ঞ অ্যাটর্নি অশোক কর্মকার, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটির বায়ো মেডিকেল সায়েন্টিস্ট ড. নাসের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোল্লা কাওসার, আয়োজনের প্রধান সমন্বয়কারী মোল্লা মনিরুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার বর্তমান সভাপতি সাঈদা আকতার লিলি।

পুরো আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড. চৌধুরী এস হাসান। এছাড়া পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আরও ছিলেন মো. খলিলুর রহমান ও আনোয়ার হোসেন। 

প্রাণের সাথে প্রাণ মিশিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা মেটানোর সংকল্প ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে দুই দিনের অনুষ্ঠানমালা শেষ হয়। হোস্ট কমিটির সদস্য সচিব গাজী সামসউদ্দিন, কো-কনভেনর মো. তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, এম এস আলম, বিশ্বজিৎ চৌধুরী অনুষ্ঠান সফল করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।

কালচারাল প্রোগ্রামের বিভিন্ন পর্বে পারফর্ম করেছেন রথীন্দ্রনাথ রায়, ফেরদৌস আরা, চন্দন চৌধুরী, শশী এবং তামি জাকারিয়া। দলগত পারফর্ম করেছেন বিপা, চন্দ্র ব্যানার্জি ডান্স গ্রুপ এবং আড্ডা ডান্স একাডেমি। প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয় ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সব ভূমিকা। 

অংশগ্রহণকারী এলামনাইরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের আবেগ, অনুভূতি ও ভালোবাসার জায়গা। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ বছর উদযাপনের অংশ হওয়া, বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে উপস্থাপন করার এই আনন্দ সত্যিই অন্যরকম। যারা এই আয়োজন করেছে, তাদের জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন