যুগান্তর রিপোর্ট    |    
প্রকাশ : ১২ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী
সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসনে পরিবর্তন আসছে
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার সঙ্গে বুধবার বৈঠক করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির খাস কামরায় পৌনে এক ঘণ্টা বৈঠক শেষে বিকাল পোনে ৪টায় বের হওয়ার সময় আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসনে পরিবর্তন আসছে।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করে এলাম। কিছু প্রোগ্রাম ছিল, ২ ডিসেম্বর জুডিশিয়াল কনফারেন্স হওয়ার কথা রয়েছে। সেগুলোর আলোকে উনার মতামত নিতে এসেছিলাম। উনি (ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি) প্রশাসনিক রদবদল করবেন। সেগুলো আমাকে অবহিত করেছেন। আর অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আপিল বিভাগের সব বিচারপতির সঙ্গে বসব। আশা করি, ৫ নভেম্বর এ ব্যাপারে শুনানির যে তারিখ রয়েছে তার আগেই সুরাহা হবে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আইনমন্ত্রীর এটি দ্বিতীয়দফা বৈঠক। এর আগে ৫ অক্টোবর বৈঠকে বসেছিলেন তারা।
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ে যে আলোচনা চলছিল, সেটি আলোচনায় আসবে কিনা প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘উই উইল শিওরলি ডিসকাস দ্যাট। দ্যাট ইজ দ্য ক্র্যাকস, সো এটা নিশ্চয়ই আলোচনা হবে এবং আমরা একটা সিদ্ধান্তে নিশ্চয়ই আসব।’
অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ দফায় দফায় সময় আবেদন করে আসছিল। সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ সর্বশেষ আগামী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারকে সময় দেয়। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বিষয়টি সুরাহা করতে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আইনমন্ত্রীও রাজি ছিলেন। কিন্তু এরই মধ্যে প্রধান বিচারপতি ছুটিতে চলে গেছেন।
সুপ্রিমকোর্টে কবে বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, হাইকোর্ট বিভাগের বেশ কয়েকজন বিচারপতি অবসরে গেছেন। সেখানে বিচারপতি নিয়োগের চিন্তাভাবনা তো আমরা করবই। আর আপিল বিভাগ সম্পর্কে বলব, এর আগে আপিল বিভাগ কিন্তু তিনজনকে দিয়েও চলেছে। তবে আপিল বিভাগেও নিয়োগের বিষয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করব। এছাড়াও আইনমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতির বিষয়ে সরকারি আদেশ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন, ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর যখন বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হয়, তখন থেকে প্রধান বিচারপতির ছুটি তিনি নিজেই নেন। এখন প্রধান বিচারপতি ছুটি নেয়ার পর এখানে তো শূন্যতা থাকতে পারে না। তাই একজনকে অস্থায়ী বিচারপতি হতে হয়। অস্থায়ী বিচারপতি নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী। প্রধান বিচারপতি সেজন্য রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। সেটা আগে হয়েছে, যখন তিনি ছুটি নিয়েছেন। তাদের সবারই কিন্তু বাইরে যেতে হলে সরকারের আদেশ লাগে। ফলে প্রথমে উনার ব্যক্তিগত সহকারী চিঠি লিখেছেন। তারপর আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন এটার একটা কাভারিং লেটার লেখে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। মঙ্গলবার যখন এটা আমার কাছে এসেছে, আমি সেটা সই করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী আজ (বুধবার) সই করেছেন। রাষ্ট্রপতি কিশোরগঞ্জে আছেন, তিনি বিকাল ৪টায় ফিরবেন।’ তারপর তিনি (রাষ্ট্রপতি) সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানান আইনমন্ত্রী।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত