সরকারের ১৮০ দিনের সাফল্য সম্ভাবনা চ্যালেঞ্জ নিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের মুক্ত আলোচনা
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের সরকার পরিচালনার সাফল্য, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মুক্ত আলোচনা করেছে ছাত্রদল। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মল চত্বরে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের ১ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসানের উদ্যোগে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় ঢাবি ইউনিট, ঢাকা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও তিতুমীর কলেজসহ ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
আলোচনায় বক্তারা সরকারের গত ছয় মাসের বিভিন্ন কার্যক্রম, অর্জন ও সম্ভাবনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতামত তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আগামী দিনের অগ্রাধিকার নির্ধারণ, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণদের জন্য নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
মমিনুল ইসলাম জিসান বলেন, সরকারের জনবান্ধব উদ্যোগগুলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ সরকারের শক্তি জনগণ। জনগণের কাছে গত ছয় মাসের কার্যক্রম তুলে ধরার মধ্য দিয়ে সরকার জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা আবারও প্রমাণ করেছে।
তিনি বলেন, ১৮০ দিন একটি সরকারের জন্য খুব দীর্ঘ সময় নয়। আর ১৭ বছরের একটি রেজিমের পতনের পর দায়িত্ব নেওয়া একটি সরকারকে কেবল ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ড দিয়ে বিচার করার বাস্তবতাও নেই। তবে এ সময়ের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বাস্তবতার জায়গা থেকে আমাদের স্বীকার করতে হবে, সরকারের সামনে এখনও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, অর্থনৈতিক চাপ, মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান এবং মানুষের ক্রমবর্ধমান প্রত্যাশা— সবকিছুকে সঙ্গে নিয়েই সরকারকে এগিয়ে যেতে হচ্ছে। এ কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক পরিকল্পনা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং তরুণ প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, সরকারের সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা প্রয়োজন। পাশাপাশি সরকারের কার্যক্রম জনগণের কাছে তুলে ধরার মাধ্যমে সরকারের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
এ সময় সরকারের আগামী দিনের অগ্রাধিকার নির্ধারণ, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণদের জন্য সম্ভাবনার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
