Logo
Logo
×
   

Advertisement

কর্পোরেট নিউজ

রাজশাহী-নাটোরে আরএফএলের কারখানা পরিদর্শনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার

Advertisement

Icon

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম

রাজশাহী-নাটোরে আরএফএলের কারখানা পরিদর্শনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার

Advertisement

রাজশাহী ও নাটোরে অবস্থিত প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কারখানা পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। 

বুধবার তিনি রাজশাহীর শ্যামপুরে অবস্থিত রাজশাহী প্রোডাক্ট লিমিটেড এবং নাটোরের প্রাণ এগ্রো লিমিটেড কারখানা পরিদর্শনে করেন।  ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে কারখানায় স্বাগত জানান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (কর্পোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী।

এসময় তিনি ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পণ্য উৎপাদন, দেশীয় বাজারে বিপণন ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। পরে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সরকারের কাছ থেকে সম্প্রতি লিজ নিয়ে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালনায় চালু করা রাজশাহী প্রোডাক্ট লিমিটেড কারখানা পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি জুতা, তাবু ও ছাতা উৎপাদনের প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন।

এরপর তিনি নাটোরে অবস্থিত প্রাণ এগ্রো লিমিটেড কারখানা পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি নুডলস, সস, মশলাসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদনের প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি কারখানা প্রাঙ্গনে একটি বৃক্ষরোপন করেন। পরিদর্শনকালে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পণ্যের বৈচিত্র্য দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার।

এ সময়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের সম্ভবনা নিয়েও আলোচনা করেন। সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক রয়েছে। প্রাণ-আরএফএল এর মতো বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলো সফলভাবে যুক্তরাজ্যসহ আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের কার্যক্রম স¤প্রসারণ করছে যা অত্যন্ত উৎসাহবাঞ্জক। উৎপাদন ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বাংলাদেশের দারুণ সক্ষমতা রয়েছে এবং প্রচলিত খাতের বাইরে আরও বিস্তৃত পরিসরে রপ্তানি বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ক্তরাজ্যের ডেভলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম (ডিসিটিএস) বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য উদার বাণিজ্য সুবিধা এবং তুলনামূলক সহজ প্রবেশাধিকার প্রদান করে। এর মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পরও আরও বেশি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে। পারস্পরিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ চিহ্নিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে যুক্তরাজ্য আরও ঘনিষ্ঠ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রæতিবদ্ধ”।

প্রাণ-আরএফএল গ্রæপের পরিচালক (কর্পোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী বলেন, ব্রিটেনের বাজারে আমাদের খাদ্যপণ্যের ভালো বাজার তৈরি হয়েছে। সেখানে আমরা ফুটওয়্যার, কনটেইনার, বাইসাইকেলসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করছি। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশেও বিনিয়োগ রয়েছে। আমরা মনে করি, দুদেশের পারস্পারিক সম্পর্ক আরও জোরদার হলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।  ব্রিটিশ হাইকমিশনারের নেতৃত্ব প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন ট্রেড পলিসি ম্যানেজার শাহরুফ শাকির, ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজার সৈয়দ হাবিবুর রহমানসহ হাইকমিশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম