Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

‘তিস্তা আমার মায়ের মতো ছিল, এখন বিধ্বংসী রূপ ধারণ করেছে’

Icon

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬, ১০:২৯ পিএম

‘তিস্তা আমার মায়ের মতো ছিল, এখন বিধ্বংসী রূপ ধারণ করেছে’

বক্তব্য দিচ্ছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ছবি: যুগান্তর

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, তিস্তা আমার মায়ের মতো ছিল, এখন তা বিধ্বংসী রূপ ধারণ করেছে। দুই কোটি মানুষের জীবন মানের পরিবর্তনের জন্য অল্প সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হবে।  

শনিবার (১৪ মার্চ) কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সুভারকুটি গ্রামে বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াই উদ্বোধন করতে এসে তিনি এসব কথা বলেন। 

দুলু বলেন, ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি আলোকপাত করেছেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়েছে। নির্বাচনের ভোটের কালির দাগ এখনো মুছে যায়নি কিন্তু আমরা কাজ শুরু করেছি। একটু সময় দেন, ইনশাআল্লাহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে এ জনপদের মানুষের মুখে হাসি ফোঁটবো। 

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের এক লাখ মানুষের ইফতারির জন্য নির্মাণ করা কড়াইটির উদ্বোধনীতে তিনি বলেন, বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াইটি স্বচক্ষে দেখতে এসেছি। এরা দুর্যোগ কবলিত সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এটা ভালো কাজ। এজন্য মহৎ কাজটির উদ্বোধন করতে এসেছি। 

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড অফ ডিরেক্টর জামাল উদ্দিন জানান, এটি মূলত একসঙ্গে অনেক মানুষের খাওয়ার উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়েছে।  কুড়িগ্রাম জেলায় দুর্যোগ ও বন্যাকবলিত হাজার হাজার মানুষ যাতে একসঙ্গে খেতে পারে সেজন্য কড়াইটি নির্মাণ করা হয়। আজ আমরা ২০ হাজার মানুষের জন্য ইফতারির আয়োজন করেছি, যা একশোটি মসজিদের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিতদেরকে বিতরণ করা হবে।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের কমিউনিকেশন অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, কড়াইটির ব্যাস ৩১ফিট ৩ ইঞ্চি, উচ্চতা সাড়ে ৪ফিট, ওজন ৪ হাজার কেজি। কড়াইয়ের নীচে ২২টি বার্নার রয়েছে। বর্তমানে এটিই বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াই। আমরা গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডে আবেদন করেছি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসমাইল হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ প্রমুখ।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম