‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সঙ্গে বৃহত্তর সুয়াবিল ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্তি বাদ দেওয়ার দাবি
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বিষয়, মাঠ প্রশাসনের সুপারিশ ও স্থানীয় জনমত উপেক্ষা করে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সঙ্গে সুয়াবিল ইউনিয়ন এবং নাজিরহাট পৌরসভার একাংশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বৃহত্তর সুয়াবিল ইউনিয়ন অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম।
রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান সংগঠনের নেতারা । এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া।
সংগঠনটির দাবি, প্রশাসনিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে তারা ঘোষিত নতুন উপজেলা থেকে সুয়াবিল ইউনিয়ন ও নাজিরহাট পৌরসভার ওই তিনটি ওয়ার্ড বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারির এক নির্দেশনায় সুয়াবিল ইউনিয়ন এবং নাজিরহাট পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড বাদ দিয়ে নতুন প্রস্তাব প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছিল। নাজিরহাট পৌরসভার এই তিনটি ওয়ার্ড এক সময় সুয়াবিল ইউনিয়নের অন্তর্গত ছিল।
একই বিষয়ে হাইকোর্টে একাধিক রিট বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও গত ১ জুলাই জাতীয় বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সমন্বয় সংক্রান্ত কমিটির (নিকার) সভায় তথ্য গোপন করে বিতর্কিত প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, ভূজপুর ও হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের দুই চেয়ারম্যান পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করে সুয়াবিল ইউনিয়নকে নতুন উপজেলার অন্তর্ভুক্ত করিয়েছেন। তার দাবি, এর পেছনে ভূমি ব্যবসাসহ ব্যক্তিস্বার্থ জড়িত থাকতে পারে। বক্তারা এ অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, সুয়াবিল ইউনিয়ন থেকে প্রস্তাবিত উপজেলা সদর প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে, অথচ বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলা সদর মাত্র ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে। ফলে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সাধারণ মানুষের প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে দুর্ভোগ, সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

