ইউপি কার্যালয়ে অবরুদ্ধ চেয়ারম্যান-বিএনপি নেতাকর্মীরা, আহত অর্ধশতাধিক
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
ইউপি কার্যালয়ে অবরুদ্ধ চেয়ারম্যান-বিএনপি নেতাকর্মীরা, আহত অর্ধশতাধিক
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কক্সবাজারের টেকনাফে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন বিভক্তি ও নতুন সীমানা নির্ধারণ বিষয়ে আয়োজিত উন্মুক্ত আলোচনা সভায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিদল, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ জালাল এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা পরিষদের সভাকক্ষে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিলেন।
এ ঘটনায় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়ক ৪ ঘণ্টা অবরোধ থাকায় রোগী, দূরপাল্লার যাত্রী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, টেকনাফের চারটি ইউনিয়ন বিভক্ত করে আরও চারটি ইউনিয়ন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে নতুন সীমানা নির্ধারণে জনমত নিতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিদল হ্নীলা ইউনিয়নের সভা শেষে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেয়। কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভা শুরুর দুই মিনিটের মাথায় ইট, লাঠি, দা, কিরিচ নিয়ে একদল ব্যক্তি পরিষদ ভবনে হামলা চালায়। এতে দরজা-জানালা, চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়।
হামলার পেছনে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীদের ইন্ধন রয়েছে বলেও স্থানীয় সূত্রের দাবি। সভার বাইরে আন্দোলনকারীরা ইউনিয়ন বিভক্তির বিরোধিতা করে স্লোগান দেন।
টেকনাফ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জুনায়েদ আলী চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের আহত করেছে।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এএইচএম ওসমান গনী হামলাকারীদের শনাক্ত করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ বা যুবলীগের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ জালাল বলেন, উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা চলাকালে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এটি পরিকল্পিত বলে দাবি করে তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, হামলা ও ভাঙচুরে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
