ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শ্রীনগরে ১০০ পিস ইয়াবাসহ আটক যুবককে ৪পিস দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকাল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার বীরতারা চান্দারটেক থেকে ইয়াবা কারবারি পলাশ মন্ডলকে পুলিশ থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে মাদক মামলার প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুর তিনটার দিকে নিমতলী গ্রামের কৃষ্ণ মন্ডলের ছেলে পলাশ মন্ডল চান্দারটেক বাসস্ট্যান্ডে আসে। এসময় স্থানীয় বখাটে যুবক রাসেল, ইমন, হৃদয়, সালাম মিলে তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু করে। একপর্যায়ে তারা ব্যর্থ হয়ে পলাশের কাছে ইয়াবা আছে বলে চারজনই একসঙ্গে ডাকা ডাকি শুরু করে। এসময় বাসস্ট্যান্ডের দোকানীরাসহ স্থানীয়রা এগিয়ে এলে পলাশের কাছ থেকে একটি পোটলা বের করা হয়। সেখানে প্রায় একশত ইয়াবা ট্যাবলেট দেখা যায়।
একটু পর স্থানীয়দেরকে সরিয়ে দিয়ে বীরতারা গ্রামের মো. নাজিরের ছেলে রাসেল, শামসুল ইসলামের ছেলে ইমন, সোহরাবের ছেলে হৃদয় ও রতনের ছেলে সালাম মিলে পলাশকে নির্জন স্থানে নিয়ে দেন দরবার শুরু করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ইয়াবা কারবারি পলাশের কাছে তারা ৪০ হাজার টাকা দাবি করে কিন্তু ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও কোন সুরাহা হচ্ছিল না। পুলিশকে জানালে সিন্ডিকেটটি পরে সমস্যা করতে পারে এই ভয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানাতে ভয় পাচ্ছিল। পরে ঘটনা জেনে স্থানীয় বিএনপির এক নেতা বিষয়টি শ্রীনগর থানা পুলিশকে অবহিত করেন। তার আগেই পলাশের মোবাইল ফোনটি সালেপুর গ্রামের দিনু হাওলাদারের ছেলে চিহ্নিত মাদক কারবারি স্বপন কেড়ে নেয়।
শ্রীনগর থানার এসআই রিপন ও শফিকুল ইসলাম বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে এলে পলাশকে ৪ পিস ইয়াবাসহ তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অপর একটি সূত্র জানায়, মূলত ইয়াবা কারবারে বনিবনা না হওয়ায় তাকে তারই সিন্ডেকেটের সদস্যরা ধরিয়ে দিয়েছে। বখাটে রাসেলের নেতৃত্বে গড়ে উঠা চান্দারটেক এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সিন্ডিকেট চক্রটি বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করে আসছে।
এ ব্যাপারে রাসেল জানায়, তারা ইয়াবা রাখেননি। পলাশই ইয়াবা পানিতে ফেলে দিয়েছে, আর তার সঙ্গে গাজা থাকায় স্থানীয়রা মনে করেছে ইয়াবার পরিমাণ অনেক।
শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মিল্টন দত্ত জানান, ৪ পিস ইয়াবাসহ পলাশের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। বাকী ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে।
