মেঘনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
কুমিল্লা (উত্তর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মোহাম্মদ মহসিন মিয়াকে (৪৯) কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
আজ রোববার (২৩ আগস্ট) বিকালে উপজেলার তুলাতলি বাজারের অটো স্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে ঘটনাটি ঘটেছে।
এ সময় আহত মহসিনের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় হুসাইন মোহাম্মদ মহসিন বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামি করে মেঘনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন— টিটিরচর গ্রামের কাদির (৩৫), ফারুক, মো. কবির (৩৫), ও দেলোয়ার (৩৮)।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, আজ রোববার (২৩ আগস্ট) বিকালে মামলার ৩ নং সাক্ষী মো. শফিক মিয়ার অনুরোধে হুসাইন মোহাম্মদ মহসিন তাদের একটি সালিশ বিচারে অংশগ্রহণ করার জন্য যাওয়ার পথে তুলাতলী বাজারের অটো স্ট্যান্ডে গিয়ে পৌঁছলে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা অভিযুক্তরাসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন হাতে ধারালো ছুরি, হকিস্টিক, লোহার রড ইত্যাদি নিয়ে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে পথরোধ করে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লাখ) টাকা চাঁদা দাবি করে। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে এলোপাথাড়ি কিল, ঘুষি, লাথি ও লাঠিপেটাসহ ছুরিকাঘাতে করে গুরুতর আহত করে। অভিযুক্তরা তার শার্টের পকেটে থাকা নয় হাজার সাতশত টাকা নিয়ে যায়।
আহত হুসাইন মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ১৫ আগস্ট দুপুরে কাদির ও ফারুক আমার বাড়িতে গিয়ে বলে সানরাইজ শিপিং কর্পোরেশন লিঃ এর জায়গায় বালু ভারাটের কাজ করতে হইলে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লাখ) টাকা চাঁদা দিতে হবে। তখন আমি বলি সানরাইজ শিপিং কর্পোরেশন লিঃ এর কোনো কার্যকলাপের সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত নই। এই কথা বলার পর তারা উত্তেজিত হয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়।
বিষয়টি আমি স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনদেরকে জানালে বিবাদীরা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর করার জন্য সময় সুযোগ খুঁজতে থাকে। আজকে আমাকে একা পেয়ে কাদির, ফারুক, কবির ও দেলোয়ারসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে এবং পেটে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে। আমি এঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
বিষয়টি জানতে অভিযুক্ত মো. দেলোয়ার হোসেনকে ফোন করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি ও আমার ভাই কিছুই জানিনা। আর হুসাইন মোহাম্মদ মহসিন সম্পর্কে আমার মামা হয়। শুনেছি কে বা কারা ওনাকে মারধর করেছে।
মেঘনা থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, মারামারির একটি অভিযোগ পেয়েছি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
