Logo
Logo
×
   

ডাক্তার আছেন

বেশি ফাইবার মানেই সুস্বাস্থ্য নয়, হজমের সমস্যায় হতে পারে হিতে বিপরীত

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম

বেশি ফাইবার মানেই সুস্বাস্থ্য নয়, হজমের সমস্যায় হতে পারে হিতে বিপরীত

ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার। ছবি: সংগৃহীত

হজমশক্তি উন্নত করতে সাধারণত প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও পুষ্টিবিদরা এখন বলছেন ভিন্ন কথা । 

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, অতিরিক্ত ফাইবার গ্রহণ সবসময় হজমের সমস্যার সমাধান নাও হতে পারে। 

সাধারণত ডাল, শাকসবজি এবং আস্ত শস্যদানা হজমে সহায়তা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ভূমিকা রাখলেও এর যথেচ্ছ ব্যবহার হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

অনেকে মনে করেন কেবল সালাদ খেয়েই শরীরের প্রয়োজনীয় ফাইবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব, কিন্তু বাস্তবে দিনে ৩০ গ্রাম ফাইবারের চাহিদা পূরণ করতে হলে প্রায় ১৫ বাটিরও বেশি সালাদ খেতে হবে। তার বদলে একটি অ্যাভোকাডো, দুই চা-চামচ তিল এবং দুই টেবিল চামচ চিয়া সিড থেকে আরও সহজে এই পরিমাণ ফাইবার পাওয়া সম্ভব। এছাড়া অ্যাভোকাডো না থাকলে নাশপাতি, পেয়ারা বা ছোলাও ভালো বিকল্প হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রোটিনের মতো ফাইবারও সবার জন্য সমানভাবে উপকারী নয়। দীর্ঘকাল ধরে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রধান চিকিৎসা হিসেবে অতিরিক্ত ফাইবারকে প্রাধান্য দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা এতে কোনো সুফল পান না। 

বিশেষ করে যারা 'সিবো', দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা সংবেদনশীল হজম প্রক্রিয়ার সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য 'ইনসলিউবল ফাইবার' বা অদ্রবণীয় আঁশ ক্ষতিকারক হতে পারে। এটি পেটে ব্যথা, গ্যাস এবং পেট ফাঁপার সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয় এবং পরিপাক প্রক্রিয়াকে ধীর করে ফেলে। 

তাই অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রথমেই প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যোগ না করে বরং খাদ্যের ভারসাম্য এবং সঠিক সময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক মূল্যায়নের পরই ডায়েটে পরিবর্তন আনা জরুরি।

সূত্র: সামা টিভি।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .