Logo
Logo
×
   

বিনোদন

অপহরণ মামলা থেকে পাকিস্তানি অভিনেতা নির্দোষ প্রমাণিত

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

অপহরণ মামলা থেকে পাকিস্তানি অভিনেতা নির্দোষ প্রমাণিত

পাকিস্তানি অভিনেতা মুনিব বাট। ছবি: সংগৃহীত

করাচির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে বিচারাধীন চাঞ্চল্যকর অপহরণ ও ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির মামলা থেকে পাকিস্তানি অভিনেতা মুনিব বাটকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ঘোষণা করেছেন তদন্তকারীরা।

মামলার সর্বশেষ শুনানিতে মুনিব বাটসহ অন্য আসামিরা সশরীরে আদালতে হাজির হলে পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত আদালতের কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করা হয়।

এর আগের শুনানিতে পুলিশের বিশেষ শাখা ‘অ্যান্টি-ভায়োলেন্ট ক্রাইম সেল’ এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছিল।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুনিব বাটের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং তাকে নির্দোষ উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালত জানিয়েছেন, মামলাটির আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের এই প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবেচনা করা হবে।

উল্লেখ্য, এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা গালিব এখনো পলাতক রয়েছেন। 

আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আসামিদের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ এনেছে যে, তারা অভিযোগকারীকে অপহরণ করে তার কাছ থেকে আনুমানিক ২৪ লাখ ৯৪ হাজার (২.৪৯৪ মিলিয়ন) মূল্যমানের ক্রিপ্টোকারেন্সি হাতিয়ে নেন। তবে এই বিশাল অঙ্কের হিসাবটি ঠিক কোন দেশের মুদ্রায় (কারেন্সি) করা হয়েছে, তা প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি। 

মামলার শুরুতে মুনিব বাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল সন্দেহভাজনদের জন্য পাকিস্তানের মারিতে থাকার গোপন ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তবে বিস্তারিত তদন্তের পর তদন্ত কর্মকর্তারা এই অপরাধে তার সম্পৃক্ততার কোনো জোরালো বা পর্যাপ্ত প্রমাণ পাননি। ফলে চূড়ান্ত চালানে তাকে নির্দোষ হিসেবে খালাস দেওয়া হয়।

বর্তমানে মুনিব বাট, মহসিন রাজপার এবং আব্দুল রেহমান চান্দিও এই মামলায় আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

প্রসিকিউশনের দেওয়া তথ্যমতে, গত ২৩ এপ্রিল করাচির ব্যস্ততম শাহরাহ-ই-ফয়সাল এলাকা থেকে এক নাগরিককে অপহরণ করে আসামিরা। তাকে জিম্মি করে রাখার সময়েই জোরপূর্বক তার ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুটে নেওয়া হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ডাকাতি ও লুটপাট শেষে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীকে করাচির কোরাঙ্গি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। সন্ত্রাসবিরোধী আদালত পুনরায় শুনানি শুরু করলে এই মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সূত্র: সামা টিভি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .