Logo
Logo
×
   

বিনোদন

তীব্র সমালোচনার মুখে রাহাত ফতেহ আলী খান, নেপথ্যে যে কারণ

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৮ পিএম

তীব্র সমালোচনার মুখে রাহাত ফতেহ আলী খান, নেপথ্যে যে কারণ

কিংবদন্তি কাওয়ালি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রয়াণ দিবসে তার মাজারে কাওয়ালি পরিবেশন করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের খ্যাতনামা গায়ক রাহাত ফতেহ আলী খান।

কিংবদন্তি পাকিস্তানি কাওয়ালি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রয়াণ দিবসে তার মাজারে কাওয়ালি পরিবেশন করে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন দেশটির আরেক খ্যাতনামা গায়ক রাহাত ফতেহ আলী খান। 

সম্প্রতি নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রায় তিন দশক আগের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে তার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে যান রাহাত ফতেহ আলী খান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে শাহজামান আলী খান। সেখানে বিপুলসংখ্যক অনুরাগীর উপস্থিতিতে পিতা-পুত্র মিলে একটি কালাম (সুফি গান) পরিবেশন করেন। 

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, গান পরিবেশনের সময় উপস্থিত দর্শকরা আকাশে কাগজের টাকা উড়িয়ে দিচ্ছেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। 

কবরের সামনে গান গাওয়া এবং টাকা ওড়ানোর ধরন নিয়ে নেটিজেনদের বড় একটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘কবরের কোনো সম্মান রাখা হয়নি।’ 

অন্য একজন কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন, ‘মনে হচ্ছে তিনি আবার মদ্যপ অবস্থায় আছেন।’ আবার অনেককেই ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ লিখে এই আচরণের তীব্র নিন্দা জানাতে দেখা গেছে। 

শ্রদ্ধা জানানোর এ পদ্ধতি আদৌ সমীচীন কিনা, তা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে এখন জোর বিতর্ক চলছে। 

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের আগস্টে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিশ্বখ্যাত কাওয়াল নুসরাত ফতেহ আলী খান। তার সংগীতজীবনের শুরু থেকেই চাচা নুসরাতের সঙ্গে পরিবেশনায় অংশ নিতেন রাহাত। চাচার মৃত্যুর পর তিনি এককভাবে নিজেকে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান কাওয়ালি শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং পরিবারের এই সুরের ধারা বহন করে চলছেন। 

তবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে গানটি গাওয়া হলেও স্থান ও পরিবেশনার ধরন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা থামছেই না। 

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .