জামায়াতের দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ
কুড়িগ্রাম ও যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) এবং যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে আপিল শুনানি শেষে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে মাহবুবুল আলম সালেহী ও যশোর-২ আসনে ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন ইসি।
এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুনানিতে অন্য নির্বাচন কমিশনাররাও অংশ নেন।
এ বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলাম। আজ আপিলে মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পেয়েছি। নির্বাচন কমিশনসহ আমার নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
এর আগে গত ৪ জানুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় মাহবুবুল আলম সালেহীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন কুড়িগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ।
গত ১ জানুয়ারি যশোর জেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসান যাচাই-বাছাইয়ে ডা. ফরিদের প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করেন। ২৫ বছর আগের বন্ধ ক্রেডিট কার্ডের ৩০ হাজার টাকার বিল সংক্রান্ত জটিলতার কারণে প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। যদিও তিনি বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে ঋণ পরিশোধ করেছিলেন। নির্ধারিত সময়ের পরে কাগজপত্র জমা দেওয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তা আমলে নেননি। পরে তিনি ঢাকায় নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেন।
অন্যদিকে গত ১১ জানুয়ারি আপিল শুনানিতে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত জটিলতার নিরসন হয়; কিন্তু তার বিরুদ্ধে নতুন করে দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অভিযোগ তোলা হয়। এ বিষয়ে আলাদা শুনানি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। শুনানির দিন ১৬ জানুয়ারি করা হয়। এ দিন শুনানি হলেও ১৭ তারিখ রায়ের দিন নির্ধারণ করেন ইসি। পরে নির্বাচন কমিশনে হট্টগোলের কারণে তারিখ পিছিয়ে ১৮ জানুয়ারি রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন নির্বাচন কমিশন।
প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে ডা. ফরিদ গণমাধ্যমকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মহান আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া যে আমরা প্রার্থিতা ফিরে পেলাম। যে চারটি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে ১০ দলের ঐক্য হয়েছে- আমরা দুর্নীতি করব না, দুর্নীতিতে সহযোগিতা করব না, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করব এবং সবার জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব। এ মূলনীতিগুলো বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য।
