আসামিদের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে আইন যা বলে
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কোনো আসামি বা দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্যারোলে মুক্তি দিতে সব ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
বাংলাদেশে ২০১৬ সালের প্যারোল নীতিমালা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা নির্ধারিত প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ (যেমন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সুপারিশক্রমে সরকার) এই সাময়িক মুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় ও অনুমোদন দেয়। নিকট আত্মীয়ের মৃত্যু হলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো বন্দিকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার বিধানও রয়েছে এই নীতিমালায়।
ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কোনো আসামি বা দণ্ডিত ব্যক্তি সাধারণ প্যারোলের আওতায় পড়লে শুধু ট্রাইব্যুনালের অনুমতির বিষয়টি বাধ্যতামূলক শর্ত হিসেবে প্রযোজ্য হবে না। তবে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, প্যারোল নীতিমালা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
প্যারোল কোনো স্থায়ী মুক্তি বা আইনি সাজা মওকুফ নয়; এটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য কারাগার থেকে শর্তসাপেক্ষ সাময়িক ছুটি। সাধারণত ১২ ঘণ্টা থেকে ২৪ ঘণ্টা বা ক্ষেত্রবিশেষে সর্বোচ্চ কয়েক দিনের জন্য এই মুক্তি দেওয়া হয়, যা নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে কারাগারে ফিরে আসার বাধ্যবাধকতাসহ কার্যকর হয়।
