আলজেরিয়া দূতাবাস ও বাংলাদেশ–আলজেরিয়া বিজনেস ফোরামের ইফতার মাহফিল
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাংলাদেশে আলজেরিয়ার গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী আলজেরিয়ার দূতাবাস এবং বাংলাদেশ–আলজেরিয়া বিজনেস ফোরামের যৌথ উদ্যোগে এক আন্তরিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আলজেরিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার প্রতিফলন দেখা যায়।
ইফতার অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলুয়াহাব সাইদানী তার বক্তব্যে অতিথিদের আন্তরিক স্বাগত জানান এবং দূতাবাসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ–আলজেরিয়া বিজনেস ফোরামকে ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে আলজেরিয়া ও বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন, যা অভিন্ন মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং উন্নয়নের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।
তিনি উল্লেখ করেন যে, ২০২০ সালে ঢাকায় আলজেরিয়া দূতাবাস প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জ্বালানি, কৃষি এবং শিক্ষা খাতে বেশ কিছু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক প্রণয়ন করা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকার দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, পবিত্র রমজানের শিক্ষা শান্তি, সংহতি এবং পারস্পরিক বোঝাপড়াকে উৎসাহিত করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে আলজেরিয়া–বাংলাদেশ সম্পর্ক উভয় দেশের কল্যাণে আরও সুদৃঢ় হবে।
বাংলাদেশ–আলজেরিয়া বিজনেস ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল মোস্তফা তার বক্তব্যে ফোরাম প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জনের কথা তুলে ধরেন। তিনি আলজেরিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ফোরামের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ফোরামের মহাসচিব ও আলোহা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী হায়দার চৌধুরী এফসিএমএ।
অনুষ্ঠানটি উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সমাপ্ত হয়, যা আলজেরিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে দৃঢ় ও ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্ব এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের অভিন্ন অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।
