Logo
Logo
×
   

জাতীয়

শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে স্কেলের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম

শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে স্কেলের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে স্কেলের বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, শিক্ষকদের বেতন অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা করে নির্ধারণ করা উচিত নয়। জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে তাদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।

‎মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা বিষয়ক ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

‎শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে সরকার অনেক ভাবছে। তবে বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রস্তাব আসায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী ‎বলেন, শিক্ষকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র পে স্কেল করা যেতে পারে, যা অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনীয় হবে না।

ড. মিলন বলেন, ‘শিক্ষকদের পে স্কেল আলাদা হওয়া উচিত। অন্যদের সঙ্গে তুলনা করে এটা করা উচিত নয়। কম হোক, বেশি হোক—শিক্ষকদের সঙ্গে কারো তুলনা চলে না।’

‎শিক্ষকদের মর্যাদা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে একজন বিরোধী দলের সংসদ সদস্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন নিয়ে একটি তুলনা করেছিলেন। এমন তুলনা শিক্ষকদের মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

‎শিক্ষকেরা জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান কারিগর উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের শুধু বেতন-ভাতা নয়, তাদের পেশাগত মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। শিক্ষকেরা জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরি করেন। তাই তাদের অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা না করে তাদের স্বতন্ত্র মর্যাদার জায়গা থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

শিক্ষক-সংকটের বিষয়টিও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক প্রয়োজন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদ শূন্য রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে এ-সংক্রান্ত মামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নিয়োগপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান এভাবে চলতে পারে না। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। শিক্ষক নিয়োগ কত দ্রুত করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করছি।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি শিক্ষা ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে হবে।

‎অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (ন্যাপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .