Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

স্ত্রী সুমিকে হত্যা: স্বামী সাবেক কনস্টেবল সুমনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম

স্ত্রী সুমিকে হত্যা: স্বামী সাবেক কনস্টেবল সুমনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। ফাইল ছবি

Advertisement

টাঙ্গাইলে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী পুলিশের সাবেক কনস্টেবল আব্দুল আলীম সুমনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শামীম আল মামুনের দণ্ড সংশোধন করে যাবজ্জীবন দিয়েছেন।

দুইজনকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ওপর ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, আইনজীবী মো. জাহাঙ্গীর আলম ও কে এম এ আল ফাহাদ বিন সগীর।

দুই আসামি হলেন, কালিহাতী উপজেলার হিন্নাইপাড়া গ্রামের আবু হানিফের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল আলীম ওরফে সুমন এবং তার বন্ধু একই গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে শামীম আল মামুন। 

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, আব্দুল আলীম শিল্প পুলিশে কর্মরত অবস্থায় ২০১১ সালের ৬ মে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ফলিয়ারঘোনা গ্রামের সুলতান আহমেদের মেয়ে সুমি আক্তারকে বিয়ে করেন। 

বিয়ের সময় পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সুমির বাবা তিন লাখ টাকা দেন। দুই লাখ টাকা বাকি রাখা হয়। ওই টাকার জন্য আব্দুল আলীম প্রায়ই স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। একপর্যায়ে তিনি সুমি আক্তারকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেন। ২০১২ সালের ২০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে আলীম তার স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে যান। পরে ঢাকার তুরাগ থানার বেড়িবাঁধ এলাকায় নিয়ে অপর দণ্ডিত শামীম আল মামুনের সহায়তায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সুমিকে হত্যা করা হয়। 

পরে আব্দুল আলীম গ্রেফতার হওয়ার পর স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। এ ব্যাপারে নিহত সুমির মা বাদী হয়ে টাঙ্গাইল থানায় দণ্ডিত দুজনের নামে মামলা করেন। ঘটনার পর আব্দুল আলীম পুলিশ কনস্টেবল পদ থেকে বরখাস্ত হন। 

এ মামলার বিচার শেষে ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন বিচারক খালেদা ইয়াসমিন।

এরপর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিল করেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম