এখনো সবই সূচনার পর্যায়ে তবুও শুভ সূচনা
আসাদুল হাবিব দুলু এমপি
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনি ইশতেহারে গ্রামীণ অর্থনীতির পুনর্জাগরণ, আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সবুজ বিপ্লব বাস্তবায়নে খাল খননের অঙ্গীকার করা হয়েছিল। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথেই আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের দায়িত্ব পালন করবে।
খাল খনন: গ্রামীণ অর্থনীতির নতুন প্রাণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ঐতিহাসিক ‘খাল খনন কর্মসূচি’ শুরু করেছিলেন। স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ ও স্বেচ্ছাশ্রম ছিল সেই কর্মসূচির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। আজকের বাস্তবতায় সেই জনসম্পৃক্ততার চেতনাকে ধারণ করেই খাল খনন কর্মসূচিকে নতুন মাত্রায় এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
ভরাট ও দখল হয়ে যাওয়া খালগুলো পুনঃখনন হলে একদিকে যেমন পানি নিষ্কাশনের পথ তৈরি হবে, অন্যদিকে সেচের সুযোগ বাড়বে। জলাবদ্ধতা কমবে, বন্যার পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হবে এবং খরাপ্রবণ এলাকায় পানির সংরক্ষণ বাড়বে। খালের পানিতে মাছ চাষ, খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ ও হাঁস পালনসহ বহুমুখী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে একটি খাল শুধু পানি প্রবাহের পথ নয়—গ্রামীণ অর্থনীতির একটি জীবন্ত সম্পদে পরিণত হবে।
আমরা বিশ্বাস করি, ‘খাল কাটা হলে সাড়া, দূর হবে বন্যা-খরা’—এই প্রত্যয় বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ জনপদে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নতুন গতি সৃষ্টি হবে। খালে মাছ, খালপাড়ে গাছ—এই সমন্বিত উদ্যোগ প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি মানুষের জীবন-জীবিকায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’র ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রেও এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ
ভূমিকম্প বলে-কয়ে আসে না। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই দুর্যোগ সংঘটিত হওয়ার পর উদ্ধার নয়, তার আগেই প্রস্তুতি নিশ্চিত করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ডেটাবেইস প্রস্তুত করা হয়েছে; দ্রুত বাকি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবককেও প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের আওতায় আনা হবে।
ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ভূমিকম্প-পরবর্তী ৪৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন, ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। আরও সরঞ্জাম সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
শুধু উদ্ধার প্রস্তুতি নয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধিকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভূমিকম্প বিষয়ে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা কারিকুলামে ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও সচেতনতা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক বিশেষ সেল গঠন এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকায় হিউম্যানিটারিয়ান স্ট্যাগিং এরিয়া স্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
বজ্রপাত: প্রাণ রক্ষায় আগাম প্রস্তুতি
বাংলাদেশে বজ্রপাত ক্রমেই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও হাওর এলাকায় কৃষক ও জেলেদের জীবন এতে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে বিবেচনা করে প্রাণহানি কমাতে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
দেশের অধিক বজ্রপাতপ্রবণ ১৫টি জেলায় বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা, কৃষক ছাউনি ও বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপনের প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চলনবিল ও হাওরাঞ্চলসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের আদলে বজ্রপাতের জন্য মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বজ্র নিরোধক দণ্ড ও সতর্কীকরণ অ্যালার্ম থাকবে।
প্রতিবছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী বজ্রপাতবিষয়ক সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে লিফলেট বিতরণসহ শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির পরিবারের তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। গবাদিপশু বজ্রপাতে মারা গেলেও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছি আমরা।
হাওরের কৃষকের পাশে সরকার
হাওর বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান খাদ্যভাণ্ডার। এখানকার উর্বর জমিতে উৎপাদিত ধান দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। কিন্তু অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফসল তলিয়ে গেলে কৃষকের বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা স্বপ্ন এক মুহূর্তে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
চলতি বছরের মে মাসের শুরুতে যখন কৃষক পাকা ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল তলিয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেই দুর্দিনে কৃষকের পাশে থাকার বার্তা নিয়ে আমরা হাওরাঞ্চলে ছুটে যাই। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের দুর্দশা লাঘবে তিন মাসের সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ সহায়তা কীভাবে আরও কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী করা যায়, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা করছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন এবং যথাসময়ে তাদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে তালিকা প্রস্তুতের জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শুধু তাৎক্ষণিক ত্রাণ নয়, হাওরের দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষায় পরিকল্পিতভাবে হাওর খনন, স্লুইসগেট নির্মাণ, পানিতে ধান কাটার উপযোগী হারভেস্টার সরবরাহ, ধানের চারা ও সার বিতরণ এবং কৃষিঋণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হাওরের ইকোসিস্টেম ও জীববৈচিত্র্য রক্ষাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। লক্ষ্য একটাই—প্রতিবছর যেন কৃষককে একই ধরনের বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে না হয়।
চট্টগ্রামের দুর্যোগে দ্রুত মানবিক সাড়া
চলতি বছরের জুলাইয়ে চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়, যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ একদিনের বৃষ্টিপাতের অন্যতম ঘটনা। এর ফলে চট্টগ্রাম নগরী, কক্সবাজার ও বান্দরবানসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
সেসময় আমি জাপান সফরে ছিলাম। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় সফরের কর্মসূচি বাতিল করে দেশে ফিরে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সেদিনই চট্টগ্রামে ছুটে যাই। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো হয়।
চট্টগ্রাম অঞ্চলে নগদ সহায়তা, চাল, বিশুদ্ধ পানি, গবাদিপশুর চিকিৎসা, কৃষকদের ধানের চারা ও সার বিতরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট মেরামতের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ৯ আগস্ট বাঁশখালী উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারের জন্য গৃহনির্মাণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন এবং ২০০ পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী উপহার দিয়েছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে অঞ্চলটিকে সুরক্ষিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও তিনি ঘোষণা করেছেন।
এবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—দুর্যোগ আসার আগেই প্রস্তুতি নিতে হয়। তাই জুলাইয়ের শুরুতেই জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাঠানো হয়েছিল। ফলে দুর্যোগ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরেছে। ত্রাণ বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাও ছিল আমাদের অগ্রাধিকার।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় জ্ঞান ও দক্ষতার নতুন অবকাঠামো
দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু ত্রাণ নয়, প্রয়োজন জ্ঞান, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষ জনবল। এই উপলব্ধি থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ২০ মে গাজীপুরে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে ৮ দশমিক ২০ একর ভূমিতে এ প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবন এবং আবাসিক প্রশিক্ষণের জন্য ছয়তলা হোস্টেল নির্মাণ করা হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীদের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সৃষ্ট দুর্যোগ নিয়ে গবেষণা এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে দক্ষ জনবল তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আমাদের লক্ষ্য, এটিকে দক্ষিণ এশিয়া তথা বিশ্বের অন্যতম আধুনিক দুর্যোগ গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
আগামী দিনের লক্ষ্য: ত্রাণনির্ভরতা নয়, ঝুঁকিহ্রাসের বাংলাদেশ
সরকারের দায়িত্ব শুধু দুর্যোগের পর মানুষের হাতে ত্রাণ তুলে দেওয়া নয়; বরং এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে দুর্যোগের আগেই মানুষ প্রস্তুত থাকবে, ঝুঁকি কমবে এবং ক্ষয়ক্ষতি ন্যূনতম পর্যায়ে থাকবে।
বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের পথচলা আমাদের সামনে নতুন প্রত্যয়ের দুয়ার খুলেছে। এই সময়ে আমরা শুধু তাৎক্ষণিক দুর্যোগ মোকাবিলা করিনি; ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আরও নিরাপদ, সক্ষম ও দুর্যোগসহনশীল করে গড়ে তোলার ভিত্তি নির্মাণের কাজও শুরু করেছি।
শেষের আগে
বাংলাদেশের মানুষ দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করতে জানে। তাদের সেই সাহস ও সক্ষমতার সঙ্গে রাষ্ট্রের পরিকল্পনা, প্রযুক্তি, সম্পদ ও মানবিক দায়িত্বকে যুক্ত করাই আমাদের কর্তব্য। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে খালের স্বচ্ছ পানিতে মাছ থাকবে, খালপাড়ে সবুজ বৃক্ষরাজি থাকবে, কৃষকের মাঠে সোনালি ধান থাকবে; দুর্যোগের সময় মানুষ নিরাপদ আশ্রয় পাবে এবং বিপদের মুহূর্তে রাষ্ট্রকে পাশে পাবে।
মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষা, দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস এবং একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও সবুজ বাংলাদেশ নির্মাণ—এই অঙ্গীকার নিয়েই আমাদের পথচলা। আগামী দিনগুলোতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই পথ আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাবে।
লেখক: আসাদুল হাবিব দুলু এমপি, মন্ত্রী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
