Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

বিশ্বকাপে সিমনের যত সেভ তা এক ম্যাচেই ছাড়িয়ে যান দিবু

Advertisement

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম

বিশ্বকাপে সিমনের যত সেভ তা এক ম্যাচেই ছাড়িয়ে যান দিবু

বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী স্প্যানিশ গোরক্ষক উনাই সিমন ও আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

দুর্দান্ত দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে স্পেন। ফুটবলের ভাগ্য নির্ধারণে অনেক সময় সামান্য ব্যবধানই বড় ভূমিকা রাখে—ম্যাচের ১২০তম মিনিটে পাউ কুবার্সির ক্লিয়ারেন্সটি আত্মঘাতী গোল না হয়ে কর্নার হওয়া তার একটি উদাহরণ। 

তবে ম্যাচের আনুষঙ্গিক পরিসংখ্যান দুই ফাইনালিস্টের মধ্যকার ব্যবধানকে স্পষ্ট করে তুলে ধরেছে। 

ফাইনালে স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমন যেখানে এক প্রকার দর্শকের ভূমিকায় ছিলেন, সেখানে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমি মার্তিনেজকে দিতে হয়েছে কঠিন পরীক্ষা। 

অ্যাস্টন ভিলার গোলবারের এই অতন্দ্রপ্রহরী মেগা ফাইনালে একাই ১১টি সেভ রেকর্ড করেন। নিকো উইলিয়ামসের একটি জোরালো হেড ঠেকানো এবং খেলার শেষ মুহূর্তে ডাইভ দিয়ে নিশ্চিত গোল বানচাল করা ছাড়াও পুরো ম্যাচজুড়ে তাকে স্প্যানিশ আক্রমণের টানা ঝড়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। 

অবিশ্বাস্য বিষয় হলো- পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমন যতগুলো সেভ করেছিলেন, মার্তিনেজ এক ফাইনালেই সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছেন। 

পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের ভঙ্গুরতা ছিল বড় আলোচনার বিষয়। 

মিশর ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয় এবং কেপ ভার্দে ও সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ের লড়াইয়ের মাধ্যমে ফাইনালে ওঠার যাত্রায় তাদের এ দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল। 

এর বিপরীতে, পুরো টুর্নামেন্টে স্পেন কখনোই এক মুহূর্তের জন্য পিছিয়ে পড়েনি এবং তারা পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করেছে—কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে চার্লস ডি কেটেলিয়ারের সমতাসূচক গোলটি। 

মার্তিনেজের ওপর চাপের মাত্রা বোঝাতে একটি তথ্যই যথেষ্ট: ফাইনালে তার করা ১১টি সেভ টুর্নামেন্টের আগের সব ম্যাচ মিলিয়ে করা মোট সেভের (০৯টি) চেয়েও বেশি। 

বিপরীতে, পুরো টুর্নামেন্টে উনাই সিমন মাত্র ১২টি শট অন টার্গেটের মুখোমুখি হয়েছেন, যার মধ্যে কেবল বেলজিয়ামের শটটিই তাকে পরাস্ত করতে পেরেছিল। স্পেনের সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগের সৌজন্যে এ গোলরক্ষককে ম্যাচপ্রতি গড়ে মাত্র ১.৫টি সেভ করতে হয়েছে। 

স্প্যানিশ এই গোলরক্ষকের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা নিয়েছিল ফ্রান্স ও পর্তুগাল—উভয় দলই তার গোলপোস্ট অভিমুখে সর্বোচ্চ ৩টি করে শট অন টার্গেট নিতে পেরেছিল। 

বিশ্বকাপে আগের ম্যাচগুলোতে লিওনেল মেসির নৈপুণ্য হয়তো মাঝেমধ্যে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের দুর্বলতা ঢেকে দিয়েছিল, তবে উনাই সিমনের হাতে ওঠা গোল্ডেন গ্লাভস পুরস্কারটি মূলত এই স্প্যানিশ দলটির সম্মিলিত রক্ষণাত্মক শ্রেষ্ঠত্বেরই এক অনন্য স্বীকৃতি। 

Advertisement

Advertisement

ঘটনাপ্রবাহ: ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬


আরও পড়ুন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম