Logo
Logo
×
   

খেলা

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধ স্বীকার ওয়ার্নারের

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধ স্বীকার ওয়ার্নারের

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ স্বীকার করায় ডেভিড ওয়ার্নারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে।

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ স্বীকার করায় সিডনি থান্ডারের অধিনায়ক হিসেবে ডেভিড ওয়ার্নারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) ওয়েভারলি স্থানীয় আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার প্রয়োজন হয়নি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনারের। তবে তার আইনজীবী ববি হিল আদালতকে জানান, ইস্টার সানডের দিন মাঝারি মাত্রার মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ স্বীকার করেছেন ওয়ার্নার।

হিল বলেন, উভয় পক্ষই ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা করছে।

গত ৫ এপ্রিল সিডনিতে সড়কের পাশে পরিচালিত এক পরীক্ষায় ওয়ার্নারের অ্যালকোহল টেস্ট পজিটিভ আসে। পরে মারুব্রা পুলিশ স্টেশনে নেওয়া দ্বিতীয় পরীক্ষায় তার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা পাওয়া যায় ০.১০৪, যা আইনসিদ্ধ সীমার দ্বিগুণেরও বেশি।

মে মাসে বিষয়টি প্রথম আদালতে ওঠার সময়ই ওয়ার্নারের আইনজীবী দোষ স্বীকারের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। হিল বলেন, তিনি জানেন যে তিনি ভুল করেছেন। উবার ব্যবহার না করে নিজেই গাড়ি চালানোর সিদ্ধান্ত ছিল বেপরোয়া ও নির্বুদ্ধিতাপূর্ণ।

আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার আগে এক বন্ধুর অ্যাপার্টমেন্টে তিন গ্লাস ওয়াইন পান করেছিলেন ওয়ার্নার। তিনি বলেন, ইস্টার সানডেতে এক গ্লাস ওয়াইন পান করা অপরাধ নয়। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও নিজে গাড়ি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই ছিল তার ভুল।

হিল আরও জানান, পুলিশ তাকে থামানোর মাত্র ১১ মিনিট আগে শেষবারের মতো মদ পান করেছিলেন ওয়ার্নার।

আইনজীবীর দাবি, ঘটনার জন্য অনুতপ্ত ওয়ার্নার আদালতের কাছে অনুকম্পা প্রার্থনা করবেন। তবে তিনি চান, অন্য সাধারণ নাগরিকদের মতোই তার বিচার হোক। এই মামলায় তার সাজা ঘোষণা করা হবে আগামী ১৮ আগস্ট।  

ওয়ার্নারের গ্রেফতারের পর ক্রিকেট নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রধান নির্বাহী লি জার্মন বলেছিলেন, অভিযোগগুলো উদ্বেগজনক এবং আমরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। আমরা নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের পক্ষে, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর নয়।

দোষ স্বীকারের পর সিডনি থান্ডারের অধিনায়ক হিসেবে ওয়ার্নারের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, সিডনি থান্ডার, সিডনি সিক্সার্স এবং নিউ সাউথ ওয়েলস ব্লুজ রাজ্য সরকারের মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোবিরোধী প্রচারণার অংশ। এমন পরিস্থিতিতে দলের অধিনায়কের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নেতৃত্বে তার অবস্থান টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

এর আগে ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে আজীবন নেতৃত্বের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিলেন ওয়ার্নার। পরে ২০২৪ সালে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয় এবং এরপরই তাকে সিডনি থান্ডারের অধিনায়ক করা হয়।

সাম্প্রতিক এই বিতর্কের সময় পাকিস্তান সুপার লিগে করাচি কিংসের অধিনায়কত্ব করছিলেন ওয়ার্নার। ইস্টারের ছুটিতে দেশে ফেরার পরই তিনি এ ঘটনায় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম