Logo
Logo
×

খবর

মনপুরায় সন্তানের সামনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

Icon

মনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলার মনপুরায় দুই সন্তানের সামনে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে ধর্ষণকারীরা স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় ওই গৃহবধূর বাবা বাধা দিলে কুপিয়ে জখম করে। এ ঘটনায় সোমবার সকালে ওই গৃহবধূ থানায় প্রধান আসামি মিরাজসহ অজ্ঞাতনামা তিন-চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ প্রধান আসামি মিরাজকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে ভোলা জেলহাজতে পাঠায়। মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার মিরাজ হাজিরহাট ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কামালের ছেলে। এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। পরে রোববার রাত ১০টায় ফের মিরাজের নেতৃত্বে তিন-চারজন ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের জন্য গেলে গৃহবধূর বাবা বাধা দেন। পরে তারা বাবাকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর স্বামী চরে মহিষ পালনের কাজ করেন এবং সেখানেই রাত্রিযাপন করেন। বাড়িতে দুই সন্তানসহ একাই থাকতেন ওই গৃহবধূ। শুক্রবার রাত ১টার দিকে মিরাজসহ তিন-চারজন প্রথমে সিঁধ কেটে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে তারা ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর দুই সন্তানের সামনেই গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়। যাওয়ার সময় তারা স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর অপরাধীদের ধরতে ওত পেতে ছিলেন ভুক্তভোগীর বাবা। রোববার রাতে অভিযুক্তরা আবারও ওই বাড়ির কাছে এলে তিনি মিরাজকে চিনে ফেলেন এবং ধরার চেষ্টা করেন। এ সময় মিরাজ তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী পাঠান।

মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, মামলার পরই আমরা প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছি। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের ধরতেও আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম