দৃষ্টিপাত
মির্জা আলমগীরের জন্য শুভকামনা
ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এটি প্রায় নিশ্চিত করেই বলা যায়, মির্জা আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মতো বিএনপিতে আরও যোগ্য প্রার্থী হয়তো অনেকেই আছেন; কিন্তু মির্জা আলমগীরের মনোনয়নপ্রাপ্তি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও সঠিক সিদ্ধান্ত বলে আমি মনে করি। এ ধরনের একটি সঠিক ও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আমি বিএনপি ও এর চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমি সব সময় অলমগীর বলেই সম্বোধন করি। তিনি আমার অত্যন্ত প্রিয় একজন মানুষ। তার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় ১৯৬৫ সালে, যখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসেন। আমি তখন এমএ শেষপর্বের শিক্ষার্থী হিসাবে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের (এসএম হল) আবাসিক ছাত্র। মির্জা আলমগীর ১৯৬৫-১৯৬৬ শিক্ষাবর্ষে অনার্স প্রথমবর্ষে ভর্তি হন। তিনিও এসএম হলের আবাসিক ছাত্র হিসাবে হলে অবস্থান করতে থাকেন। ক্রমে সেই পরিচয় ঘনিষ্ঠ থেকে ঘনিষ্ঠতর হতে থাকে। ছাত্রজীবনে আমি এবং মির্জা আলমগীর একই ছাত্র সংগঠনের সদস্য ছিলাম। ১৯৬৬ সালের গোড়ার দিকে আমি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের এসএম হল শাখার সভাপতি নির্বাচিত হই। সেই কমিটিতে মির্জা আলমগীরসহ আরও কয়েকজন তরুণ বন্ধু অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আহমেদ কামালসহ আরও কয়েকজন। তারা সবাই পরবর্তী জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। আমাদের তখনকার জীবন ছিল ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ। পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সারা দেশ ছিল উত্তাল। আমরা সেই আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলাম।
মির্জা আলমগীরের সঙ্গে আমার যে সম্পর্ক, তা ছিল মূলত আদর্শিক। আমরা একই আদর্শে বিশ্বাস করতাম। আমরা মানবমুক্তির পথ খোঁজার চেষ্টা করেছি। সেই সময়, অর্থাৎ ছাত্রজীবনে আমাদের বিশ্বাস ছিল-সমাজতন্ত্রের মাধ্যমে গণমানুষের মুক্তি অর্জন সম্ভব। ষাটের দশকের যে সময়ের কথা বলছি, সেই সময় ছাত্রদের অনেকেই এ ধরনের চিন্তা করতেন; এ আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন। আমরা যারা প্রগতিশীল আদর্শে বিশ্বাসী ছিলাম, তাদের মধ্যে প্রচণ্ড রকমের ভ্রাতৃত্ববোধ ছিল। আমরা নিজের স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থ এবং জাতির স্বার্থকে প্রাধান্য দিতাম। এ আদর্শে যারা উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন, পরবর্তী জীবনে তাদের অধিকাংশই কোনো অন্যায় বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হননি। পেশাজীবনে তারা সবাই সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন।
মির্জা আলমগীর আমাকে সদাসর্বদা অগ্রজপ্রতিম হিসাবেই দেখেছেন। অদ্যাবধি এর কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। আমিও তাকে অনুজপ্রতিম হিসাবে ভালোবেসেছি; সুখে-দুঃখে, আপদে-বিপদে তার পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রজীবন শেষ করে মির্জা আলমগীর কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। কিছুদিন শিক্ষকতা করেন। তারপর সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন। একপর্যায়ে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয় রয়েছেন। নিঃস্বার্থভাবে দলের জন্য, দেশের জন্য কাজ করে চলেছেন। ২০০১ সালে বিএনপি নির্বাচনে জয়লাভ করার পর মির্জা আলমগীর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন। এরপর একসময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং পরবর্তী সময়ে মহাসচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ হিসাবে মির্জা আলমগীরের খ্যাতি রয়েছে। তিনি অত্যন্ত ভদ্র ও বিনয়ী একজন মানুষ। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই আমাদের মধ্যে যে আদর্শিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, আজ অবধি তা অব্যাহত আছে। আমরা কখনোই আদর্শচ্যুত হইনি। কোনো লোভ-লালসা আমাদের লক্ষ্যচ্যুত করতে পারেনি। আদর্শিক কারণেই তিনি আমার এত প্রিয়। তার সঙ্গে কোনো অনুষ্ঠানে দেখা হলে এখনো সেই আগের মতো বিনয়ী আচরণ করেন, যা আমাকে মুগ্ধ করে। মির্জা আলমগীরের দেশপ্রেম ও সততার কারণেই বেগম খালেদা জিয়া তাকে এতটা কাছে টেনে নিয়েছিলেন। তিনি মহীয়সী নারী বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত আস্থাভাজন ছিলেন এবং সেই আস্থাকে তিনি সর্বদা সমুন্নত রেখেছেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিগত ১৭-১৮ বছর ধরে দায়িত্ব পালনকালে বহুবার কারারুদ্ধ হয়েছেন। স্বৈরাচারী সরকারের হাতে তিনি বারবার নির্যাতিত হয়েছেন; কিন্তু তারপরও দলের প্রতি কোনো ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের মতো কাজ করেননি। ২০০৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনেকবারই বিএনপিতে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করা হয়েছে; কিন্তু মির্জা আলমগীরের দৃঢ় ও কৌশলী নেতৃত্বের কারণে স্বৈরাচারী সরকারের সব অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। আমার বলতে দ্বিধা নেই, মির্জা আলমগীরসহ বিএনপির কারারুদ্ধ নেতাদের কারামুক্তির দাবিতে আমার কলম ছিল সোচ্চার। সে কারণে আমিও নির্যাতিত হই; কিন্তু তারপরও আমি আমার অবস্থান থেকে বিচ্যুত হইনি। আমি ভয়ভীতি উপেক্ষা করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম চালিয়ে যাই। শুধু কলমযুদ্ধ নয়, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারারুদ্ধ হওয়ার পর আমরা এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমে আসি। বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে আমরা বেশ কয়েকবার সরকারের কাছে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানাই। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে মির্জা আলমগীর ছিলেন অন্যতম। সেই সময় জনাব তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি লন্ডনে নির্বাসিত জীবনযাপন করছিলেন। সেখান থেকে তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আর দেশে থেকে মির্জা আলমগীর জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক দল পরিচালনা করেছেন। সেই সময় বিএনপির ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা ছিল নজিরবিহীন। দলের নেতাকর্মীরা বাড়িতে অবস্থান করতে পারতেন না। তাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা করা হয়। সেই সংকটকালে মির্জা আলমগীর অত্যন্ত কঠোরভাবে শৃঙ্খলা বজায় রেখে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এটি নজিরবিহীন ঘটনা।
আমি কখনোই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তৎকালীন সরকারের নির্মম নির্যাতনের ঘটনায় আমার হৃদয় কেঁদে ওঠে। আমি বিভিন্ন ফোরামে ঝুঁকি নিয়ে হলেও বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেছি। সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধ্যমতো প্রতিবাদ করেছি। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্থানে অনশন ধর্মঘট পালিত হয়েছে। ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙানোর দায়িত্ব পালন করেছি। অনশনকারীদের অনশন ভঙ্গ করানোর জন্য আমি কোনো কৃতিত্ব দাবি করি না। এটা ছিল তখনকার আন্দোলন-সংগ্রামের অংশ। অনশনকারীদের অনশন ভঙ্গ করিয়ে আমি কিছুটা হলেও আমার দায় পরিশোধ করেছি মাত্র।
বিভিন্ন সভা-সমিতিতে মির্জা আলমগীরের সঙ্গে দেখা হলে আমি তাকে বলতাম, ‘তোমাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা’ বৃথা যাবে না। একদিন না একদিন এর প্রতিদান পাবে। মাঝেমধ্যে আমি লক্ষ করতাম, আলমগীরের মন কিছুটা খারাপ। আমি তাকে উৎসাহ দিয়ে বলতাম, মানুষের সংগ্রাম ও ত্যাগ-তিতিক্ষা কখনো বৃথা যায় না। এ ত্যাগ-তিতিক্ষা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। এ ত্যাগ মানবমুক্তির জন্য। কাজেই, এটি কখনোই বৃথা যেতে পারে না। একপর্যায়ে তাদের ত্যাগ সত্যি সত্যি সফল হয়েছে। দেশের মানুষ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিল বলেই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হয়েছে। এ দেশের মানুষ দীর্ঘদিন নিপীড়ন, নির্যাতন, শোষণ-বঞ্চনা মেনে নেয় না-সেটাই আবারও প্রমাণিত হয়েছে।
আমার দৃষ্টিতে মির্জা আলমগীরের সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে তার সততা এবং দেশের প্রতি অসীম ভালোবাসা। বারবার নির্যাতিত হলেও তিনি কখনোই অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলের মহাসচিবের ওপর যেভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা ছিল নজিরবিহীন। এমনকি ময়লার গাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। এতকিছুর পরও তিনি সরকারের সঙ্গে আপস করেননি। নিজে কোনো অন্যায় কাজে লিপ্ত হননি। দলের নেতাকর্মীদের প্রতি তার মমত্ববোধ ছিল চোখে পড়ার মতো। নেতাকর্মীরা তাকে ভালোবাসে এবং তিনিও নেতাকর্মীদের ভালোবাসেন। তার আরও একটি বড় গুণ হচ্ছে, তিনি কারও বিরুদ্ধে অশ্লীল বাক্যবর্ষণ করেন না। রাজনীতির মাঠে তিনি একজন পরিশীলিত নেতা হিসাবে পরিচিত।
আমি মনে করি, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি হওয়া খুবই জরুরি। তিনি রাষ্ট্রপতি পদের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখবেন-এটাই প্রত্যাশা করি। তাকে মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তিনি আর কোনো দলের প্রতিনিধি নন, তিনি হবেন রাষ্ট্রের প্রধান, সারা দেশের অভিভাবক। সব শ্রেণির মানুষ তার কাছ থেকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে প্রত্যাশিত আচরণ পাবেন-এটাই কামনা করি। রাষ্ট্রের সব মানুষের অধিকার তিনি রক্ষা করবেন। এ দায়িত্ব নিঃসন্দেহে এক গুরুদায়িত্ব। দায়িত্ব গ্রহণকালে মনে হতে পারে, ‘একি আনন্দধারা বহিছে ভুবনে’-অগণিত বন্ধুবান্ধব, সভাসদ, কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবেষ্টিত এবং বহু গণ্যমান্যের পদচারণার মধ্য দিয়েই হবে দায়িত্ব গ্রহণ। কিন্তু মেয়াদ শেষেই প্রমাণিত হবে, কতটা তিনি সফল হয়েছেন এবং কতটা পারেননি। এ এক অগ্নিপরীক্ষা। আশা রাখতে চাই, অগ্নিপরীক্ষায় তিনি সফল হবেন।
বঙ্গভবনে প্রবেশ করার পর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে আমার দূরত্ব আরও বেড়ে যাবে; সেটাই স্বাভাবিক। তাহলেও সাম্য, ন্যায়, সত্য ও প্রগতির আদর্শের ভিত্তিতে যে সম্পর্কে আমরা এতদিন আবদ্ধ ছিলাম, তা চিরদিন অটুট থাকবে। কারণ, মহৎ আদর্শের কখনো মৃত্যু হয় না। তাছাড়া, আমার জীবনের এ পর্যায়ে আমি যখন জীবনের সব মোহ ত্যাগ করতে চলেছি, তখন ক্ষমতাবলয়ের বাইরে থাকাটাকেই নিরাপদ মনে করি। সেই প্রবাদবাক্যের প্রতি-‘Far from Jupiter, far from thunder’-আমার বিশ্বাস আরও দৃঢ় হচ্ছে। জুপিটার হলো বজ্রের দেবতা। কেউ যদি বজ্রের দেবতা থেকে দূরে থাকে, তাহলে বজ্রপাতে তার আক্রান্ত হওয়ার আর কোনো আশঙ্কা থাকে না। এ প্রবাদের মর্মার্থ হলো, ক্ষমতাবলয় থেকে দূরে থাকলে নিরাপদ থাকা যায়; কিন্তু আমরা এমন এক সমাজব্যবস্থার মধ্যে বাস করি, যেখানে ‘নিরাপদ’ কথাটি অলীক-অবাস্তব।
পরিশেষে মির্জা আলমগীরকে প্রণাঢালা অগ্রিম অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। কামনা করি, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে যেন তিনি সফল হন।
ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী : প্রফেসর ইমেরিটাস; সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; সাবেক রাষ্ট্রদূত
