বেকার সমস্যার সমাধানে এখনই উদ্যোগ নিন
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শিক্ষাজীবন শেষে প্রত্যেকে যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত কর্মসংস্থানের প্রত্যাশা করে। কিন্তু কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়া এখন সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে। আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা মোটেও কর্মসংস্থানমুখী নয়। বর্তমান সরকার সবার জন্য নৈতিক আদর্শভিত্তিক কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়েছে। চলতি অর্থবছরে (২০২৬-২৭) শিক্ষা খাতে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। এটি মোট জিডিপির ২ শতাংশ এবং বাজেটের ১৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ। শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন সময় বলেছেন, সরকার আগামী ৫ বছরের মধ্যে শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দের পরিমাণ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করবে। উল্লেখ্য, ইউনেস্কোর মতে, একটি দেশের জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দ থাকা প্রয়োজন। এ অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণার কাজে ব্যয়িত হওয়া উচিত।
দেশে এতদিন শিক্ষা খাতে যে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছিল, তা জিডিপির ২ শতাংশের কম। বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশই ব্যয় হতো পরিচালন খাতে (বেতন, ভাতা ও চলতি ব্যয়)। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণা খাতে ব্যয় হতো ৫ থেকে ১০ শতাংশ। অবশিষ্ট অর্থ ব্যয় হতো ভবন ও ভৌত অবকাঠামো নির্মাণকাজে। অর্থাৎ গবেষণা ও শিক্ষার মানোন্নয়নের বিষয়টি কার্যত অবহেলিত অবস্থায় ছিল। বিগত দিনগুলোতে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট নিয়ে পাশ করার ওপরই বেশি জোর দেওয়া হচ্ছিল। ফলে যারা উচ্চশিক্ষা নিয়ে বেরোচ্ছিল, তাদের একটি বড় অংশই ছিল উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার অনুপযুক্ত। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা কার্যত বেকার সৃষ্টি করছিল মাত্র। এখন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে বর্তমান সরকার কর্মমুখী নৈতিক শিক্ষা বিস্তারে কেমন পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তা দেখার জন্য।
সরকার শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে, এটি ভালো উদ্যোগ। তবে বরাদ্দকৃত অর্থ কীভাবে কোথায় ব্যয়িত হবে, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যা একজন শিক্ষার্থীকে কর্মমুখী এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে গড়ে তুলতে পারে। স্বাধীনতার পর সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর নামে ইংরেজি শিক্ষার প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করা হয়। ফলে আমরা এমন একটি উচ্চশিক্ষিত প্রজন্ম পেয়েছি, যারা কর্মক্ষেত্রে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সক্ষম নয়। আগামীতে সর্বস্তরে শিক্ষা কার্যক্রমে বাংলার সঙ্গে ইংরেজি ভাষার প্রতিও জোর দিতে হবে। একইসঙ্গে আরও একটি বিকল্প ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে একজন শিক্ষার্থী কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে গিয়ে প্রতিযোগিতা করতে পারে। উচ্চ মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে না পারার কারণে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়েও কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। বাড়ছে কর্মপ্রত্যাশী বেকারের সংখ্যা। কিছুদিন আগে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় শ্রেণির একটি পদের জন্য মাস্টার্স ডিগ্রিধারী প্রার্থী আবেদন করেছেন। এ থেকে অনুধাবন করা যায় বর্তমানে চাকরির বাজার কেমন চলছে। দেশে চাকরি এখন আক্ষরিক অর্থেই ‘সোনার হরিণে’ পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেছেন, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অবস্থার সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে আগামীতে জনসংখ্যা রাষ্ট্রের জন্য বড় বোঝায় পরিণত হবে। বর্তমানে প্রতি চারজন যুবকের মধ্যে একজন বেকার। পাশাপাশি ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সি তরুণ-তরুণীদের ৪০ শতাংশই শিক্ষা, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণের বাইরে রয়ে গেছে। নারীর ক্ষেত্রে এ হার ৬০ শতাংশ, যা রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের পথে এক বিরাট প্রতিবন্ধক। কোনো দেশের নির্ভরশীল জনসংখ্যার হারের (১৫ বছরের কম এবং ৬৫ বছরের বেশি) তুলনায় কর্মক্ষম মানুষের (১৫ বছরের বেশি, কিন্তু ৬৫ বছরের কম) হার বেশি হলে সেই অবস্থাকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বলা হয়। অর্থনীতিবিদদের মতে, একটি জাতির জীবনে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগ দীর্ঘদিন পরপর আসে।
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অবস্থা এমনি এমনি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করতে পারে না; এজন্য জনগণকে উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মদক্ষ করে গড়ে তুলতে হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অবস্থার সৃষ্টি হয়। সেই অবস্থাকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে দেশটি বিশ্ব অর্থনীতিতে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছিল। তারা ৪৪ বছর এ অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়। কয়েক দশক আগে চীনে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অবস্থার সৃষ্টি হয়। দেশটি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অবস্থার সুফল কাজে লাগিয়ে জাপানকে পেছনে ফেলে বিশ্ব অর্থনীতিতে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। বাংলাদেশে ২০০০ সাল থেকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অবস্থার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং বিরতিহীভাবে তা ২০৪০ সাল পর্যন্ত চলতে পারে বলে জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন।
বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অবস্থার মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করলেও নীতিনির্ধারক পর্যায়ে এ নিয়ে তেমন কোনো মাথাব্যথা নেই বললেই চলে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুফল কাজে লাগানোর জন্য আমরা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করছি না। অতীতে সরকার অপরিকল্পিত জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে ‘এক নম্বর জাতীয় সমস্যা’ হিসাবে উল্লেখ করেছিল। কিন্তু এটা ছিল সম্পূর্ণ ভুল সিদ্ধান্ত। কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি, তা পরিকল্পিতই হোক বা অপরিকল্পিত, কখনোই এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হতে পারে না। জনসংখ্যা এমনই এক উপকরণ, যা পরিকল্পিতভাবে প্রশিক্ষিত করে তোলা গেলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদে পরিণত হতে পারে। আবার সেই জনসংখ্যা যদি অপ্রশিক্ষিত ও অদক্ষ থেকে যায়, তাহলে তা একটি দেশের জন্য ‘ভয়াবহ দায়’ হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। ‘দায়’কে সম্পদে পরিণত করার দায়িত্ব সরকারের। সরকার সেক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিলে কোনো অজুহাতেই পার পাওয়া যাবে না। অতীতের কোনো সরকারই প্রকৃত অর্থে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। বর্তমান সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। এটা অর্জন করতে হলে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
আমাদের সাধারণ প্রবণতা হচ্ছে, উচ্চশিক্ষার একটি সার্টিফিকেট গ্রহণ করে চাকরির জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ধরনা দেওয়া। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আমাদের প্রচেষ্টার কোনো অন্ত নেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ইচ্ছা করলেই সবাই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে নিতে পারবে না। দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে মোট অনুমোদিত পদের সংখ্যা ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২। এর মধ্যে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ জন। মোট শূন্য পদের সংখ্যা ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২। কিন্তু বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব মোতাবেক, দেশে মোট বেকারের সংখ্যা ২৬ দশমিক ১০ লাখ থেকে ২৭ লাখ ৪০ হাজার। কিন্তু বেকারের এ সংখ্যা মেটেও বাস্তবসম্মত নয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সংজ্ঞা মোতাবেক, যিনি বিগত ৭ দিনে এক ঘণ্টাও কোনো মজুরিভিত্তিক কাজ করেননি, কিন্তু গত ৩০ দিন ধরে কাজ খুঁজছেন এবং আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কাজ শুরু করতে প্রস্তুত-তাকেই প্রাতিষ্ঠানিক বিচারে বেকার বলা হয়। বেকারের এ সংজ্ঞা উন্নত দেশগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য তা প্রযোজ্য হতে পারে না। কারণ উন্নত দেশগুলোতে যুবকদের আয়বর্ধক কাজে যুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত বেকার ভাতা দেওয়া হয়। কাজেই উন্নত দেশের সঙ্গে বেকারের সংজ্ঞা নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থা মেলানো যাবে না। অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে বেকারত্বের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) একজন গবেষক সম্প্রতি দেশের বেকার সমস্যা নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তিনি তার গবেষণা প্রতিবেদনে বলেছেন, চাকরি খোঁজার অনলাইন প্লাটফর্মে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে একটি পদের বিপরীতে ২৮৭ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। ৫ বছর আগে এ সংখ্যা ছিল ১৭৩। কোভিডের সময় শ্রমবাজার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেখান থেকে শ্রমবাজার স্বাভাবিক হতে সময় লাগে সাড়ে ৯ মাস। শ্রমবাজারে কোভিডের আগের তুলনায় এখন প্রতিযোগিতা প্রায় ৬৬ শতাংশ বেশি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৮৫ থেকে ৮৯ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বেকার সমস্যার সমাধানের জন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারের অঙ্গীকার মোতাবেক ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপির আকার এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে হলে ব্যাপকভিত্তিক শিল্পায়নের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিবছর গড়ে ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আহরণ করতে হবে। আহরিত বিনিয়োগ বাস্তবায়িত করার জন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তির কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ বর্তমানে যেভাবে শিল্পায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করছে, তার মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান বেকার সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে না। দেশের মোট জিডিপিতে অনানুষ্ঠানিক খাতের অবদান ৪৫ থেকে ৪৯ শতাংশ বলে বিশ্বব্যাংক, আইএলও তাদের বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানিয়েছে। দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৮৫ শতাংশ নিযুক্ত রয়েছে অনানুষ্ঠানিক খাতে। অনানুষ্ঠানিক খাতে থাকা শিল্প-কারখানাগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বৃহৎ শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ হিসাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে গড়ে তোলা যেতে পারে। জাপানের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা যেতে পারে। জাপানের শিল্প খাতে ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ শিল্পের অবদান ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ। জাপানের এসএমই খাতে দেশটির মোট কর্মসংস্থানের ৭০ শতাংশ নিয়োজিত রয়েছে। বাংলাদেশে যদি সিএমএসএমই খাতের উন্নয়ন ঘটিয়ে তাকে বৃহৎ শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ হিসাবে গড়ে তোলা যায়, তাহলে তা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন বা দারিদ্র্যবিমোচন যাই বলি, উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশকে কর্মহীন রেখে কোনো উন্নয়নই টেকসই ও সুষম হতে পারে না। তাই আমাদের এমন কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে, যা প্রত্যেক কর্মীর জন্য যোগ্যতা অনুযায়ী বহুমুখী বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ : অর্থনীতিবিদ, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা
অনুলিখন : এমএ খালেক
