Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

মেয়াদোত্তীর্ণ পর্যটকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে মালয়েশিয়া

Icon

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম

মেয়াদোত্তীর্ণ পর্যটকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থানকারী বিদেশি পর্যটকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতিমন্ত্রী দাদোক তিয়ং কিং সিং। 

তিনি বলেন, দেশে যত পর্যটক প্রবেশ করেন, প্রস্থানকারীর সংখ্যাও যাতে সমান থাকে, তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

সোমবার ২ মার্চ দেওয়ান নেগারা (উচ্চকক্ষ) অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সিনেটর হোসাইন ইসমাইল। তিনি প্রস্তাব দেন, যেসব পর্যটক নির্ধারিত সময় শেষে দেশ ত্যাগ করেন না, তাদের জন্য ভ্রমণ এজেন্টদেরও দায়বদ্ধ করা উচিত।

এর জবাবে মন্ত্রী বলেন, অনেক পর্যটক এজেন্টের মাধ্যমে এলেও অনেকে বিভিন্ন দেশ থেকে স্বতন্ত্র ভ্রমণকারী হিসেবে মালয়েশিয়ায় আসেন। ফলে সমস্যাটি বহুবার উত্থাপিত হয়েছে এবং এটি সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।

পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় (মোটাক) চীনের দূতাবাসসহ কয়েকটি বিদেশি দূতাবাসকে ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ পর্যটকদের তালিকা দিতে অনুরোধ করেছে।

মন্ত্রী বলেন, দূতাবাসগুলো তদন্ত পরিচালনা করবে, অভিবাসন বিভাগ মেয়াদোত্তীর্ণ পর্যটকদের তালিকা প্রস্তুত করবে এবং মোটাক সংশ্লিষ্ট এজেন্টদের চিহ্নিত করবে, যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী দাতোক সেরি ড. সামছুল আনোয়ার নাসারা জানান, সাবাহ ও সারাওয়াকের অভিবাসন সংক্রান্ত স্বায়ত্তশাসন বহাল থাকবে।

তিনি বলেন, এটি  মালয়েশিয়া এগ্রিমেন্ট ১৯৬৩ এবং ফেডারেল সংবিধানের আলোকে বজায় রাখা হচ্ছে। নতুন গঠিত মালয়েশিয়ান বর্ডার কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রোটেকশন এজেন্সি (একে-পিএস) বোর্নিও অঞ্চলের এ বিশেষ ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করবে না।

আইনের ৮৬০ নম্বর ধারার ৬(৩) উপধারা অনুযায়ী, দেশের প্রবেশপথে ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে সাবাহ ও সারাওয়াক রাজ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মানা একে-পিএস-এর জন্য বাধ্যতামূলক।

এদিকে উদ্যোক্তা ও সমবায় উন্নয়ন উপমন্ত্রী দাতোক মোহাম্মদ আল আমিন জানান, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তায় মন্ত্রণালয় ‘এ-বি-সি-ডি’ কৌশলের আওতায় ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুততর করেছে।

উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- ঋণ অনুমোদনের সময় ১০ দিন থেকে কমিয়ে ৫ কার্যদিবস, বিকল্প অর্থায়নে সময় ২১ দিন থেকে ৭ দিন, কার্যকরী মূলধন ঋণ ৩০ দিন থেকে ১৫ কার্যদিবস, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা অর্থায়ন ৩০ দিন থেকে ১৪ দিন, আর-রাহনু লেনদেনের সময় ৪০ মিনিট থেকে কমিয়ে ১০ মিনিটে নামানো হয়েছে।  

এছাড়া জ্বালানি রূপান্তর ও পানি রূপান্তর, পরিবহণ, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল মন্ত্রণালয়ের বিতর্ক সমাপনীও একই অধিবেশনে অনুষ্ঠিত হয়।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম