এক নজরে ইরানের সরকার কাঠামো। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব চলে যায় তিন সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিলের হাতে। খবর আলজাজিরার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঘোষিত কাউন্সিলের সদস্যরা হলেন— আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি, প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারক গোলাম হোসেইন মোহসেনি-এজেই।
ইরানের সংবিধানের ১১১ নং ধারা অনুযায়ী, এই অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিল দেশের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবে যতক্ষণ না ৮৮ সদস্যের অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করে।
ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান ও শক্তিশালী অ-নির্বাচিত সংস্থার সমন্বয়। সর্বোচ্চ নেতার হাতে চূড়ান্ত ক্ষমতা থাকলেও, রাষ্ট্রপতি, মাজলিস (সংসদ) ও অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আইন প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করে।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সংক্ষেপে ইরানের সরকার কাঠামো
সর্বোচ্চ নেতা: সামরিক, বিচার ও নির্বাচনের অনুমোদন নিয়ন্ত্রণ করে
অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল / মিডিয়েটরস: ৩৯ জন
জুডিশিয়ারি প্রধান: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান, ৬ জন গার্ডিয়ান কাউন্সিল সদস্য নিযুক্ত করেন
গার্ডিয়ান কাউন্সিল: ১২ জন, নির্বাচনের প্রার্থী যাচাই করে
অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস: ৮৮ জন, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন ও তদারকি
মাজলিস (সংসদ): ২৯০ জন, আইন প্রণয়ন
প্রেসিডেন্ট: সরকারের প্রধান, বর্তমানে মাসউদ পেজেশকিয়ান (২০২৪–বর্তমান)

-69a6ae76986cd.jpg)