ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কাতারের একটি ভবন থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। ছবি অনলাইন
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরান আক্রমণ করার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করছে তেহরান।
পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ইরানের হামলা ঠেকানোর সর্বাত্তক চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে এই প্রথম শোনা যাচ্ছে যে, ইরানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে কাতার।
গত ২৪ ঘণ্টায় কাতার ইরানের অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছে বলে আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইসলাইলি গণমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্টের কাছে নিশ্চিত করেছে পশ্চিমা জ্যেষ্ঠ কূটনৈতিক সূত্রগুলো। দোহা তেহরানের বিরুদ্ধে বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ এনে এই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিল।
আরেক সংবাদমাধ্যম ‘এন১২’-পরিবেশিত কাতারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারির বক্তব্য অনুযায়ী, দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি হামলাচেষ্টা নস্যাৎ করার পর কাতার এই পদক্ষেপ নেয়।
আল-আনসারি জানান, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের আগে ইরানের পক্ষ থেকে কাতারকে কোনো আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি।
এন১২-এর প্রতিবেদনে পশ্চিমা সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, গত এক দিনের মধ্যে ইরানে কাতারি হামলাটি সংঘটিত হয়েছে। তবে লক্ষ্যবস্তু, হামলার ধরন বা অভিযানের ব্যাপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। কাতারও আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানি ভূখণ্ডে হামলার কথা এখনও জনসমক্ষে ঘোষণা করেনি। ইরানও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যর্থ হওয়া হামলাটিকে আল-আনসারি ইরানের একটি বৃহত্তর আক্রমণাত্মক নকশার অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা কেবল সামরিক স্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
তিনি বলেন, ইরানের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে আমরা কোনো আগাম সতর্কবার্তা পাইনি। তাদের লক্ষ্যবস্তু শুধু সামরিক স্থাপনা নয়, বরং পুরো রাষ্ট্র। এ ধরনের হামলা জবাবহীন ছেড়ে দেওয়া হবে না।
এন১২-এর প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কাতারি আকাশসীমায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর দোহায় ধ্বংসাবশেষ পড়ছে।

-69a6e25fd9e41.jpg)