'পাকিস্তানে দান নয় বিনিয়োগ করছি'
jugantor
'পাকিস্তানে দান নয় বিনিয়োগ করছি'

   

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৫৬:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ইমরান খান ও সৌদি যুবরাজ

পাকিস্তানে দান নয় বরং বিনিয়োগ করেছি বলে মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল জুবেঈর। সৌদি যুবরাজের সঙ্গে পাকিস্তানে সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।খবর: এক্সপ্রেজ ট্রিবিউন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশীর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আদেল আল জুবেঈর বলেন, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়নে সৌদি আরব বদ্ধপরিকর।’

এ সময় সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানকে সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘ইরানের এমন কর্মকাণ্ডের ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে সৌদি আরবকে।’ সম্প্রতি ইরানে সন্ত্রাসী হামলায় দেশটির রেভ্যুলেশনারি গার্ডের ২৭ জন সদস্য নিহত হয়। ইরান এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করার দিনই এমন কথা বললো সৌদি আরব।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পাকিস্তানকে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হিসেবে দেখতে চাই।’ এদিকে সফরে আসার একদিন পর সৌদি আরবে কারাবন্দী থাকা দুই হাজারের বেশি পাকিস্তানি নাগরিককে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

সৌদি আরব ও পাকিস্তান রোববার দুই হাজার কোটি ডলারের সমমূল্যের বেশ কয়েকটি বিনিয়োগ চুক্তি সই করেছে। এর মধ্য দিয়ে বন্ধু দেশকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সহযোগিতার ঘোষণা দিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে চলমান বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই তিনি এ সফরে আসেন। সেখানে যুবরাজের এ বিনিয়োগ স্বস্তি বয়ে আনবে বলে ধারনা বিশ্লেষকদের। খবর এএফপির।

এর মধ্য দিয়ে সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে যুবরাজ তার দক্ষিণ এশিয়া ও চীন সফর শুরু করেছেন।

আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ভারসাম্যহীনতায় ভুগছে পাকিস্তান। আশা করা হচ্ছে, এসব চুক্তি টলোমলো অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে পাকিস্তানকে কিছুটা হলেও নিষ্কৃতি দেবে।

এদিন দুই দেশের মধ্যে অন্তত সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার পর তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে পাশ্চাত্যে এমবিএস নামে পরিচিত সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এর পাঁচ মাস পর ধোঁয়াশা থেকে একটু ফুরসত পেতে তিনটি দেশ সফরে বেরিয়েছেন তিনি।

দীর্ঘ সময়ের মিত্র দেশ সৌদি আরবকে ধন্যবাদ দিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সম্পর্ক এমন একটি পর্যায়ে চলে গেছে, যেটা আগে কখনো ছিল না।

গত গ্রীষ্ণে ক্ষমতায় আসার পর দুই দফায় সৌদি সফরে গিয়েছেন সাবেক ক্রিকেট কিংবদন্তি থেকে রাজনীতি বনে যাওয়া ইমরান খান।

'পাকিস্তানে দান নয় বিনিয়োগ করছি'

  
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৮:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইমরান খান ও সৌদি যুবরাজ
ইমরান খান ও সৌদি যুবরাজ। ফাইল ছবি

পাকিস্তানে দান নয় বরং বিনিয়োগ করেছি বলে মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল জুবেঈর।   সৌদি যুবরাজের সঙ্গে পাকিস্তানে সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। খবর: এক্সপ্রেজ ট্রিবিউন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশীর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আদেল আল জুবেঈর বলেন, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়নে সৌদি আরব বদ্ধপরিকর।’

এ সময় সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানকে সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘ইরানের এমন কর্মকাণ্ডের ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে সৌদি আরবকে।’ সম্প্রতি ইরানে সন্ত্রাসী হামলায় দেশটির রেভ্যুলেশনারি গার্ডের ২৭ জন সদস্য নিহত হয়। ইরান এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করার দিনই এমন কথা বললো সৌদি আরব।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পাকিস্তানকে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হিসেবে দেখতে চাই।’ এদিকে সফরে আসার একদিন পর সৌদি আরবে কারাবন্দী থাকা দুই হাজারের বেশি পাকিস্তানি নাগরিককে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

সৌদি আরব ও পাকিস্তান রোববার দুই হাজার কোটি ডলারের সমমূল্যের বেশ কয়েকটি বিনিয়োগ চুক্তি সই করেছে। এর মধ্য দিয়ে বন্ধু দেশকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সহযোগিতার ঘোষণা দিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে চলমান বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই তিনি এ সফরে আসেন। সেখানে যুবরাজের এ বিনিয়োগ স্বস্তি বয়ে আনবে বলে ধারনা বিশ্লেষকদের।  খবর এএফপির।

এর মধ্য দিয়ে সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে যুবরাজ তার দক্ষিণ এশিয়া ও চীন সফর শুরু করেছেন।

আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ভারসাম্যহীনতায় ভুগছে পাকিস্তান। আশা করা হচ্ছে, এসব চুক্তি টলোমলো অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে পাকিস্তানকে কিছুটা হলেও নিষ্কৃতি দেবে।

এদিন দুই দেশের মধ্যে অন্তত সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার পর তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে পাশ্চাত্যে এমবিএস নামে পরিচিত সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এর পাঁচ মাস পর ধোঁয়াশা থেকে একটু ফুরসত পেতে তিনটি দেশ সফরে বেরিয়েছেন তিনি।

দীর্ঘ সময়ের মিত্র দেশ সৌদি আরবকে ধন্যবাদ দিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সম্পর্ক এমন একটি পর্যায়ে চলে গেছে, যেটা আগে কখনো ছিল না।

গত গ্রীষ্ণে ক্ষমতায় আসার পর দুই দফায় সৌদি সফরে গিয়েছেন সাবেক ক্রিকেট কিংবদন্তি থেকে রাজনীতি বনে যাওয়া ইমরান খান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর