হঠাৎ কেন মুসলমানদের এমন নৃশংসতার শিকার হতে হলো?

  অনলাইন ডেস্ক ১৫ মার্চ ২০১৯, ১৯:৫১ | অনলাইন সংস্করণ

হঠাৎ কেন এমন নৃশংসতার স্বীকার হতে  হলো, নিউজিল্যান্ডের মুসলমানরা এখনও বিষয়টি বুঝে উঠতে পারছে না।
হঠাৎ কেন এমন নৃশংসতার স্বীকার হতে হলো, নিউজিল্যান্ডের মুসলমানরা এখনও বিষয়টি বুঝে উঠতে পারছে না।

হঠাৎ কেন এমন নৃশংসতার শিকার হতে হলো, নিউজিল্যান্ডের মুসলমানরা এখনও বিষয়টি বুঝে উঠতে পারছে না।

শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে ভয়াবহ হামলার পর দেশটির মুসলমানদের মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ ও আতঙ্ক। ভয়াবহ হামলার পর দেশটিতে একদিনের জন্য সব মসজিদ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পরবর্তী নোটিশ না দেয়া পর্যন্ত সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে বের হতে এবং রাস্তায় নামতে নিষেধ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত স্কুলও বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডে মুসলমানরা শান্তিপূর্ণ ও সহানুভূতিশীল হিসেবেই পরিচিত। শুক্রবার দেশটির সাউথ আইল্যান্ডে আল নূর মসজিদ ও লিনউড মসজিদে জুমার নামাজের সময় বন্দুকধারীর হামলায় ৪৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৭ জন। নৃশংস এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে সারা বিশ্ব। বিশ্বের অনেক দেশের মতো নিউজিল্যান্ডে বর্ণবাদের সমস্যা তেমন ছিল না। শান্তিপূর্ণভাবেই বিভিন্ন জাতি দেশটিতে বসবাস করত।

নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত এক আরব সাংবাদিকের বরাতে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদলু জানায়, হঠাৎ কেন এমন নৃশংসতার স্বীকার হতে হলো, নিউজিল্যান্ডের মুসলমানরা এখনও বিষয়টি বুঝে উঠতে পারছে না। এ হামলার যে ধরন তাতে স্পষ্ট যে, এটি একটি পরিকল্পিত আক্রমণ। হামলাকারী মানসিকভাবে অসুস্থ নয়; কারণ তিনি পেশাদার অস্ত্র ব্যবহার করছেন এবং তার সময় নির্ধারণটাও পরিকল্পিত।

নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত আসমা শুকরা নামের ওই আরব সাংবাদিক বলেন, ক্রাইস্টচার্চে নৃশংস এ হামলার পর নিউজিল্যান্ডের মুসলমানরা এখন চরম আতঙ্ক ও শোকাবহ অবস্থায় রয়েছে।

জুমার নামাজের সময় যা ঘটেছে তা এখনও নিউজিল্যান্ডের মুসলমানরা বিশ্বাস করতে পারছেন না জানিয়ে আসমা বলেন, নিউজিল্যান্ডের মতো শান্ত দেশে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটবে,তা মুসলমানদের ধারণাতেও ছিল না। এরপরও শান্তি ও সহানুভূতির সঙ্গেই মুসলমানরা তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও ধর্মীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে উদাহরণস্বরূপ আসমা জানান, প্রতিদিন তিনি সাধারণ পরিবহনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। এতে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হন না। যদিও তিনি হিজাব পরেন, কিন্তু কখনও বিরূপ কোনো পরিস্থিতির শিকার হতে হয়নি তাকে। অথচ ইউরোপ ও আমেরিকাতেও মুসলমানরা বর্ণবাদী হামলার শিকার হয়।

স্থানীয় মিডিয়া বিষয়টিতে সক্রিয় আছে জানিয়ে মুসলিম এ নারী সাংবাদিক বলেন, আক্রমণের বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে তারা কভারেজ করেছে, যা নতুন ছিল। এটি একটি অসাধারণ ঘটনা, প্রায় ৫ মিলিয়ন জনসংখ্যার একটি ছোট দেশে এমন ঘটনা সব মতাবলম্বীদের জন্যই দুঃখজনক।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্দা আরডান এ হামলাকে নিউজিল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে অন্ধকার দিন বলে উল্লেখ করেছেন।

ঘটনাপ্রবাহ : নিউজিল্যান্ডে মসজিদে এলোপাতাড়ি গুলি

আরও
আরও পড়ুন
--
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×