যে কারণে অনবরত নৌশক্তি বাড়িয়ে যাচ্ছে চীন

  যুগান্তর ডেস্ক ২০ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৫৯ | অনলাইন সংস্করণ

যে কারণে অনবরত নৌশক্তি বাড়িয়ে যাচ্ছে চীন
ছবি: রয়টার্স

চীনের নৌবাহিনীর উপকমান্ডার কিউ ইয়ানপেং বলেছেন, অতীতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে আতঙ্ক আছে বলেই চীন নিজের নৌশক্তি বাড়িয়ে চলছে। কাজেই সাগরে আমাদের ভালো প্রতিরক্ষা দরকার।

পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কুইনডাওতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আগামী মঙ্গলবারের নৌমহড়া সম্ভবত শি জিনপিং নিজেই তত্ত্বাবধান করবেন। এতে ৩২টি নৌযান ও ৩৯টি যুদ্ধবিমান অংশ নেবে। যদিও এ বিষয়ে চীন এখনো নিশ্চিত করেনি।-খবর রয়টার্সের

নিজের সামরিক শক্তি বাড়ানো নিয়ে চীন বারবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি ।

এই নৌকমান্ডার বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী কার জন্য হুমকি না। যাই ঘটুক না কেন, চীন কখনো নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে যাবে না।

‘এটা বললে অন্যায় হবে না যে, চীনা নৌবাহিনী বিশ্বের কোথাও যুদ্ধ কিংবা অস্থিরতা ডেকে আনেনি,’ বললেন এই কিউ। ‘একটি নিরাপদ উপকূলের দেশ গড়তে হলে একটি শক্তিশালী নৌবাহিনী অতি আবশ্যক।’

তিনি বলেন, ১৯৪০ সাল থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত ৪৭০ বারের বেশি বিদেশি শক্তির আগ্রাসনের শিকার হয়েছে চীন। যে কারণে আমাদের অবর্ণনীয় যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছে। যাতে চীনা জাতি গভীর ক্ষতের শিকার হয়েছে।

চীনা সামরিক উদ্দেশ্য নিয়ে সব ধরনের উদ্বেগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে দেশটি। বরং নিজের সামরিক ব্যয় নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে বেইজিং।

দেশটি বলছে, তাদের লুকাছাপা করার মতো কিছু নেই। আগামী সপ্তাহের নৌমহড়া ও নৌবাহিনীর প্রধান শেন জিনলংয়ের ভাষণসহ এ সম্পর্কিত তৎপরতার খবর সংগ্রহ করতে বিদেশি সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

পিএলএ’র নৌগবেষণা একাডেমির গবেষক জ্যাং জুশি বলেন, মহড়ায় বিদেশি নৌবাহিনীকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যা চীনের আত্মবিশ্বাস ও সামরিক তৎপরতায় স্বচ্ছতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই দেখা যায়।

রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের নৌজাহাজ মহড়ায় অংশ নেবে বলে জানা গেছে। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের উপস্থিতি নিয়ে এসব দেশের অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে ২০০৯ সালে নৌবাহিনীর ৬০তমত বার্ষিকীতেও বড় ধরনের মহড়ার আয়োজন করেছিল দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি।

তিনি বলেন, এ মহড়ায় নতুন পারমাণবিক ডুবোজাহাজ ও নতুন যুদ্ধজাহাজ প্রদর্শন করা হবে।

চীন সর্বশেষ নৌযুদ্ধে জড়িয়েছিল ১৯৭৪ ও ১৯৮৮ সালে ভিয়েতনামের সঙ্গে। যদিও তা ছিল একেবারে বিচ্ছিন্ন লড়াই।

এছাড়া ২০০৮ সালে সোমালিয়া উপকূলে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক টহলে অংশ নিয়ে আসছে চীনা নৌবাহিনী।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×