সমুদ্রে তুর্কি রণতরীকে হয়রানি, কী সিদ্ধান্ত নেবে তুরস্ক?

  যুগান্তর ডেস্ক    ২০ মে ২০১৯, ১৬:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

এজিয়ান সাগরে তুরস্কের সামরিক মহড়া
এজিয়ান সাগরে তুরস্কের সামরিক মহড়া। ফাইল ছবি

এজিয়ান সাগরে তুরস্কের বিশাল সামরিক মহড়ার সময় দেশটির রণতরীকে গ্রিসের একটি জাহাজ বিপদে ফেলার চেষ্টার ঘটনায় বিরোধ নিষ্পত্তিতে তুর্কিশ-গ্রিস আলোচনায় বসবে। এথেন্সে ২০-২৫ মে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসবেন।

সোমবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে এ খবর জানায় তুর্কি সংবাদমাধ্যম ইয়েনি শাফাক।

বিবৃতিতে বলা হয়, গ্রিস ও তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রাণালয়ের প্রতিনিধিরা টেকনিক্যাল বৈঠকে বসবে। এতে পরস্পরের সাহায্য সহযোগিতা সমৃদ্ধি এবং বিশেষ করে এজিয়ান সাগরের আচরণবিধি নিয়ে আলোচনা করা হবে।

সমুদ্রে তুরস্কের বিশাল সামরিক মহড়ার ঢুকে একটি রণতরীকে হয়রানি করেছে গ্রিক জাহাজ। মহড়ার সময় গ্রিসের ওই জাহাজ তুর্কি রণতরীকে হয়রানি করার একটি ভিডিও প্রকাশ হয়েছে। তুরস্কের সামরিক বাহিনী একটি সূত্র এ ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে।

তুরস্কের টিসিজি বার্গারজাদা রণতরী এজিয়ান সাগরে আর্ন্তজাতিক জলসীমা ক্রিস্টালিডিসে হয়রানির শিকার হয়।

এজিয়ান ও কৃষ্ণ সাগরে ২৫ মে শুরু হয় তুরস্কের সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া। এতে ১৩১ টি যুদ্ধ জাহাজ. ৫৭টি যুদ্ধবিমান এবং ৩৩টি হেলিকপ্টার অংশগ্রহণ করে। এ মহড়াটি তুরস্কের নৌবাহিনী পর্যবেক্ষণ করে।

এ সময় একটি গ্রিক জাহাজ তুর্কিশ রণতরীর বাম দিক থেকে খুব কাছে এসে পৌঁছে, কৌশলে এটিকে সম্ভাব্য বিপদের হাত থেকে রক্ষা করা হয়।

তুর্কিশ নাবিকদল গ্রিক জাহাজটিকে সতর্ক করেছিল যখন এটি বামদিক থেকে আসে।

সমুদ্রে হয়রানি প্রচেষ্টা ও সংঘর্ষ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক আইন রয়েছে। যেটি ১৯৭২ সালের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংগঠন আইন নামে পরিচিত।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×