ইভিএম কারচুপির মাধ্যমে নির্বাচন হাইজ্যাক করেছে বিজেপি: মায়াবতী

  যুগান্তর ডেস্ক ২৪ মে ২০১৯, ১২:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ

ইভিএম কারচুপির মাধ্যমে নির্বাচন হাইজ্যাক করেছে বিজেপি
ভারতের উত্তরপ্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী নায়না কুমারী। ছবি: সংগৃহীত

উত্তরপ্রদেশে ইভিএম কারচুপির মাধ্যমে বিজেপি নির্বাচন হাইজ্যাক করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী নায়না কুমারী।

এবারের লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে তার জোট বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হওয়ার পর এমন অভিযোগ আনলেন তিনি।

৮০ আসনের এক-চতুর্থাংশও ভাগ্যে জোটেনি মায়াবতীর জোটের। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে একহাত নিলেন নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহর বিজেপিকে।

ফল প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার রাতেই মায়াবতী অভিযোগ করেন, বড় ধরনের চক্রান্ত করেছে বিজেপি। আর সেটি ইভিএম মেশিনের মাধ্যমেই। ইভিএম কারচুপিতেই এত ভোট গেছে বিজেপির দখলে। বিশেষ কোনো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোট হাইজ্যাক করেছেন তারা।

এসব বলেই ক্ষান্ত হননি তিনি, দোষ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনকেও। নির্বাচন কমিশনকে জড়িয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে মায়া বলেন, ‘কোনো একটা রহস্য তো আছেই। কারণ এত অনাস্থার পরেই নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন বিজেপি কেউ-ই ব্যালট বাক্সের ভোটে রাজি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই সারা দেশের মানুষ ইভিএমের বিরোধিতা করে এসেছে। ইভিএমে তেমন একটা বিশ্বাস ছিল না সাধারণ মানুষের। ফল প্রকাশের পর সব বিশ্বাসই হারিয়ে গেল। দেশের বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বিজেপি।

মায়াবতীর এসব অভিযোগে কান দেননি বিজেপির নেতৃত্বস্থানীয় কেউ। তবে উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সমর্থকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড় থেকে ছিটকে গেছেন মায়া। আর তাই অবান্তর অভিযোগের ঝুলি নিয়ে বসেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, শুরু থেকেই উত্তরপ্রদেশের দখল নিতে তৎপর ছিলেন সব জোটই। বিজেপির জোট এনডিএ, কংগ্রেস বা মায়া-মুলায়ম জোট কেউই পিছিয়ে ছিলেন না প্রচার-প্রচারণায়।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মত ছিল- যে দল উত্তরপ্রদেশের দখল নিতে পারবে, তার জন্য মসৃণ হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রিত্বের পদটি।

কারণ এর আগে লোকসভায় সবচেয়ে বেশি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন এই উত্তরপ্রদেশ থেকেই।

বিজেপিকে ঠেকাতে মহাজোট তৈরি করেছিলেন মায়াবতী, মুলায়েম ও অখিলেশ। নিজেদের ভেতরের চিরবৈরিতাকে আড়াল করে হাতে হাত মিলিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের দুই সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী আর মুলায়েম।

সমাজবাদী পার্টি আর বহুজন সমাজ পার্টিকে এক জায়গায় এনেছিলেন অখিলেশ যাদব। অজিত সিংহের রাষ্ট্রীয় লোক দলও ছিল জোটে।

গঠিত হয়েছিল এসপি-বিএসপি-আরএলডি জোট।

কিন্তু সব সমীকরণ পাল্টে উত্তরপ্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করল বিজেপি। কার্যত চরম ব্যর্থ হলো ‘বুয়া-বাবুয়া গাঁটবন্ধন’।

প্রসঙ্গত ২০১৭ সালেও বিধানসভা নির্বাচনের পর ইভিএম কারচুপির বিষয়ে অভিযোগ এনেছিলেন মায়া।

ঘটনাপ্রবাহ : ভারতের জাতীয় নির্বাচন-২০১৯

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×