মালয়েশিয়ায় শোকেস বাংলাদেশ গো-গ্লোবাল সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

  মালয়েশিয়া প্রতিনিধি ১৭ Jun ২০১৯, ২১:৩৩:৪১ | অনলাইন সংস্করণ

শোকেস বাংলাদেশ গো-গ্লোবালকে সফল করার লক্ষ্যে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের কন্ফারেন্স হলে সমন্বয় সভা

কুয়ালালামপুরে আসছে জুলাইয়ে জমবে ৪র্থ শোকেস বাংলাদেশ গো-গ্লোবাল নামে বিশেষ ট্রেড ফেয়ার। বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহায়তায় বিএমসিসিআইয়ের উদ্যোগে ট্রেড ফেয়ারের মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্যের নতুন রফতানি বাজার খুঁজে পেতে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১১ জুলাই অনুষ্ঠেয় শোকেস বাংলাদেশে বাংলাদেশি পণ্যের প্রদর্শনী ছাড়াও পুরো বাংলাদেশেরই শোকেস করা হবে। তুলে আনা হবে নতুন ফোকাস।

শোকেস বাংলাদেশ গো-গ্লোবালকে সফল করার লক্ষ্যে সোমবার মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের কন্ফারেন্স হলে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিতহয়। এতে সভার সভাপতিত্ব করেন হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম।

সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রথম সচিব (বাণিজ্য) মো. রাজিবুল আহসান, বাংলাদেশ মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিএমসিসিআই) সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, বিএমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মো. আলমগীর জলিল, সহসভাপতি রাকিব মোহাম্মদ ফাকরুল, এসিসিসিআইএমের অ্যাক্রিকিউটিভ অ্যাডভাইজার তানশ্রী দাতু সংসিউ হং, অ্যাক্রপার্টিজ রিসোর্স অ্যাসোসিয়েশন এরার ট্রেজারার তান কেক হং, মালয়েশিয়া সাউথ সাউথ অ্যাসোসিয়েশনের (এমএএসএসএ) অ্যাক্রিকিউটিভ সেক্রেটারি মিসেস এনজি সো ফানসহ মালয়েশিয়া রিটেইলার্স অ্যাসোসিয়েশন, ফেডারেশন অব মালয়েশিয়ান ম্যানোফ্যাকচারার্স, ইসলামিক চেম্বার অব কমার্স, প্রাণ ফুডের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

সময়োপযোগী এ উদ্যোগ বিশ্ববাজারে ব্র্যান্ড হিসেবে বাংলাদেশকে আরও প্রতিষ্ঠিত করবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা। বাংলাদেশি বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সেক্টরের পেশাজীবীরা এতে অংশ নেবেন।

শোকেস বাংলাদেশে বিভিন্ন পণ্যের রফতানির সুযোগ তৈরি করারই টার্গেট থাকবে বাংলাদেশের। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশকে বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে ফোকাস করা হবে।

মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম আসন্ন শোকেস বাংলাদেশ গো-গ্লোবাল নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে বলেন, দুই দেশের মধ্যকার মুক্তবাণিজ্য (এফটিএ) স্বাক্ষরের পথ প্রশস্ত হবে।

হাইকমিশনার বলেন, বর্তমানে ৯৩টি বাংলাদেশি পণ্য মালয়েশিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। মালয়েশিয়া ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ বাধা দূর করলে সেখানে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি অনেক বৃদ্ধি পাবে। পৃথিবীর অনেক দেশই বাংলাদেশকে এ ধরনের সুবিধা প্রদান করছে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের পাট-পাটজাত পণ্য, মসলা, চামড়া- চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, আলু, শাক-সবজি, সিরামিক টেবিল ওয়্যার, হিমায়িত মাছ, তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার, টেকসটাইল ও হালাল খাদ্য পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বাণিজ্য সুবিধার কারণে চীনের বাজারেও বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

মহ. শহীদুল ইসলাম বলেন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত বন্ধু রাষ্ট্র ও ব্যবসায়িক পার্টনার। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে আসছে। দেশটি বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির বড় বাজার। বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের চমৎকার পরিবেশ বিরাজ করছে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য দুই বিলিয়ন ডলার। মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারেন। বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে।

 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত