ট্যাংকার আটকের পরও বীরদর্পে তেল রফতানি করবে ইরান!
jugantor
ট্যাংকার আটকের পরও বীরদর্পে তেল রফতানি করবে ইরান!

  অনলাইন ডেস্ক  

২১ জুলাই ২০১৯, ১৮:১৩:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ট্যাংকার আটকের পরও বীরদর্পে তেল রফতানি করবে ইরান!

ব্রিটিশ তেলট্যাংকার আটকের পরও বীরদর্পে তেল রফতানিকরবে ইরান। ট্যাংকার আটকের ঘটনায় তেহরানের তেল রফতানিতে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন ইরানের তেলমন্ত্রী বিজন জঙ্গানেহ।খবর ইয়েনি শাফাক।

রোববার তিনি বলেন, সম্প্রতি পারস্য উপসাগরে তেলের জাহাজ আটকের ঘটনায় দেশের তেল রফতানিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।

ইরানি তেলমন্ত্রী সানা নিউজ এজেন্সিকে বলেন, তেল ট্যাংকার ও তেল রফতানি আমাদের সীমাবদ্ধতাগুলোর একটি বিষয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীরা আমাদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। আমাদের স্পর্শকাতর হতে হবে।

এদিকে শুক্রবার পারস্য উপসাগরে ইরানের হাতে আটক বিট্রিশ জাহাজ স্টেনা ইমপেরোর বিষয়ে তেহরানের ব্যাখ্যাকে প্রত্যাহার করে ব্রিটেন বলছে এটি শত্রুতাবশত করা হয়েছে।

এর আগে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি শুক্রবার রাতে এক বিবৃতিতে জানায়, আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করায় হরমুজ প্রণালী থেকে ২৩ ক্রুসহ একটি ব্রিটিশ তেল ট্যাংকার আটক করা হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, তেল ট্যাংকারটি তিনটি আইন লঙ্ঘন করেছে। এটি আন্তর্জাতিক পানিসীমা থেকে ইরানের পানিসীমায় ঢুকে পড়েছিল, নিজেকে শনাক্তকরণ যন্ত্রপাতি বন্ধ করে রেখেছিল এবং আইআরজিসির পক্ষ থেকে বারবার সতর্ক করা হলেও তাতে ভ্রুক্ষেপ করেনি।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, তেল ট্যাংকারটি আটক করে ইরানের উপকূলে নিয়ে আসা হয়েছে এবং আইনগত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য এটিকে হরমুজগান প্রদেশের বন্দর ও নৌচলাচল বিষয়ক সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তেল ট্যাংকারটিতে ২৩ জন ক্রু থাকলেও ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হান্ট দাবি করেছেন, তাদের মধ্যে একজনও ব্রিটিশ নাগরিক নেই।

ট্যাংকার আটকের পরও বীরদর্পে তেল রফতানি করবে ইরান!

 অনলাইন ডেস্ক 
২১ জুলাই ২০১৯, ০৬:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ট্যাংকার আটকের পরও বীরদর্পে তেল রফতানি করবে ইরান!
ইরানের তেল লাইন। ছবি: ইয়েনি শাফাক।

ব্রিটিশ তেল ট্যাংকার আটকের পরও বীরদর্পে তেল রফতানি করবে ইরান। ট্যাংকার আটকের ঘটনায় তেহরানের তেল রফতানিতে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন ইরানের তেলমন্ত্রী বিজন জঙ্গানেহ। খবর ইয়েনি শাফাক।

রোববার তিনি বলেন, সম্প্রতি পারস্য উপসাগরে তেলের জাহাজ আটকের ঘটনায় দেশের তেল রফতানিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।

ইরানি তেলমন্ত্রী সানা নিউজ এজেন্সিকে বলেন, তেল ট্যাংকার ও তেল রফতানি আমাদের সীমাবদ্ধতাগুলোর একটি বিষয়।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীরা আমাদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। আমাদের স্পর্শকাতর হতে হবে। 

এদিকে শুক্রবার পারস্য উপসাগরে ইরানের হাতে আটক বিট্রিশ জাহাজ স্টেনা ইমপেরোর বিষয়ে তেহরানের ব্যাখ্যাকে প্রত্যাহার করে ব্রিটেন বলছে এটি শত্রুতাবশত করা হয়েছে।  

এর আগে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি শুক্রবার রাতে এক বিবৃতিতে জানায়, আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করায় হরমুজ প্রণালী থেকে ২৩ ক্রুসহ একটি ব্রিটিশ তেল ট্যাংকার আটক করা হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, তেল ট্যাংকারটি তিনটি আইন লঙ্ঘন করেছে। এটি আন্তর্জাতিক পানিসীমা থেকে ইরানের পানিসীমায় ঢুকে পড়েছিল, নিজেকে শনাক্তকরণ যন্ত্রপাতি বন্ধ করে রেখেছিল এবং আইআরজিসির পক্ষ থেকে বারবার সতর্ক করা হলেও তাতে ভ্রুক্ষেপ করেনি।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, তেল ট্যাংকারটি আটক করে ইরানের উপকূলে নিয়ে আসা হয়েছে এবং আইনগত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য এটিকে হরমুজগান প্রদেশের বন্দর ও নৌচলাচল বিষয়ক সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তেল ট্যাংকারটিতে ২৩ জন ক্রু থাকলেও ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হান্ট দাবি করেছেন, তাদের মধ্যে একজনও ব্রিটিশ নাগরিক নেই।

 

ঘটনাপ্রবাহ : মার্কিন-ইরান সংকট