বরিসের পার্লামেন্ট স্থগিতের সিদ্ধান্তে ব্রেক্সিট নিয়ে যা হবে

  যুগান্তর ডেস্ক ২৯ আগস্ট ২০১৯, ১৩:১০ | অনলাইন সংস্করণ

ব্রেক্সিট
ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ইউনিয়নের(ইইউ) সঙ্গে চুক্তিবিহীন বিচ্ছেদ (ব্রেক্সিট) কার্যকরের পথ সুগম করতে পার্লামেন্টের অধিবেশন স্থগিত করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

প্রথা ভেঙে বরিস জনসনের সরকার সংসদ কার্যক্রম স্থগিত রাখার মাধ্যমে ব্রেক্সিট বিষয়ে আলোচনা ও বিতর্কের জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্যরা তেমন সময় পাবেন না বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আগামী ৩১ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের ইইউ ছাড়ার নির্ধারিত সময়। এর মধ্যে ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত পার্লামেন্টের অধিবেশন স্থগিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। দেশটির নিয়মানুযায়ী, সরকারের অনুরোধ পালনে বাধ্য রানি।

বরিস জনসনের এ সিদ্ধান্তের চরম বিরোধিতা করছে ব্রিটেনের প্রায় সব বিরোধী দল। তারা মনে করছে, কোনো চুক্তি ছাড়াই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনকে বের করে আনার যে পরিকল্পনা জনসন করছেন, বিরোধীদের হস্তক্ষেপে তা যেন সংসদ আটকে না যায়, তার জন্যই সংসদের অধিবেশন স্থগিত করার বিরল এ সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন।

প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ব্রিটেনের গণতন্ত্রকে চরম হুমকির মুখে ফেলেছেন।

দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সের স্পিকার জন বারকো সরকারের সিদ্ধান্তকে সাংবিধানিক অরাজকতা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আগামী ৩১ অক্টোবর ইইউর সঙ্গে ব্রেক্সিটের দিনক্ষণ নির্ধারিত রয়েছে। কট্টর ব্রেক্সিটপন্থী বরিস জনসন এই তারিখ পেছাতে নারাজ।

ইইউর সঙ্গে চুক্তি হোক বা না হোক ওই তারিখেই তিনি বিচ্ছেদ ঘটাতে চান। যে কারণে সংসদের কার্যবিধির নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নিয়ে চুক্তিবিহীন বিচ্ছেদ ঠেকানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন বিরোধীরা।

এখন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পার্লামেন্টের আগামী অধিবেশন স্থগিত থাকলে বিরোধীরা চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট ঠেকানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন না।

বিরোধীদের সমালোচনার মুখে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন অবশ্য বলেছেন, ব্রেক্সিটের সঙ্গে সংসদ স্থগিত করার কোনো সম্পর্ক নেই। সরকারের সংসদীয় কার্যক্রমের স্বার্থে, জাতীয় স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

জনসন জানান, দেশকে এগিয়ে নিতে সরকারের যে পরিকল্পনা তা বাস্তবায়ন শুরুর জন্য তিনি ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান না।

তিনি বলেন, তার সরকার একটি নতুন সরকার। দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য তাদের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে, যেগুলোর জন্য প্রয়োজন নতুন আইন।

ফলে রানির ভাষণের আয়োজন করা হয়েছে ১৪ অক্টোবর। সে কারণেই কয়েক সপ্তাহ সংসদ স্থগিত থাকবে এবং ব্রেক্সিটের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

ঘটনাপ্রবাহ : ব্রেক্সিট ইস্যু

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×