পার্লামেন্টে জোড়া হার বরিস জনসনের
jugantor
পার্লামেন্টে জোড়া হার বরিস জনসনের

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:৪৭:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

পার্লামেন্টে জোড়া হার বরিস জনসনের

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বুধবার রাতে হাউস অব কমনসে দুই দফায় হেরেছেন। আগাম নির্বাচন নিয়ে পার্লামেন্টে তিনি যে প্রস্তাব এনেছিলেন, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় তাও খারিজ হয়ে গেছে।

এর আগে চুক্তি ছাড়াই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আটকে দিয়ে একটি বিল পাস করেছেন এমপিরা।

বিরোধী দলগুলোর আনা এই বিলে সায় দিয়েছেন ক্ষমতাসীন টরি পার্টির একদল বিদ্রোহী এমপি।

জনসন চাইছেন, বাণিজ্য ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না গেলেও ৩১ অক্টোবর নির্ধারিত তারিখে কোনো চুক্তি ছাড়াই ২৮ জাতির এই জোট থেকে বেরিয়ে যাক ব্রিটেন। এটিকে বলা হচ্ছে- নো ডিল ব্রেক্সিট।

এর বিরোধিতায় মঙ্গলবার পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব তোলে বিরোধী দল, যাতে ব্রেক্সিট আরও পিছিয়ে দিয়ে যুক্তরাজ্যের স্বার্থরক্ষা করে একটি বিচ্ছেদ চুক্তি চূড়ান্ত করার সময় পাওয়া যায়।

ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির ২১ এমপি তাতে সমর্থন দিলে হাউস অব কমনসের ভোটাভুটিতে প্রথম দফা হারতে হয় জনসনকে।

বিরোধী এমপিদের ওই বিল ব্রেক্সিট আলোচনার নিয়ন্ত্রণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাতে তুলে দেবে- এমন যুক্তি দেখিয়ে প্রয়োজনে আগাম নির্বাচন ডাকার হুমকি দিয়ে আসছিলেন প্রধানমন্ত্রী জনসন।

কিন্তু তিনি ১৫ অক্টোবর সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তাব তুললে সেটিও নাকচ হয়ে যায়।

২০১১ সালের একটি আইনে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের মেয়াদ পাঁচ বছর নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। ওই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নির্বাচন দিতে গেলে ৬৫০ সদস্যের পার্লামেন্টের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন বরিস জনসনের। সে জন্য তার বিরোধী দলে লেবার পার্টির সমর্থন দরকার ছিল।

কিন্তু লেবার নেতা জেরেমি করবিন সাফ জানিয়ে দেন, নো ডিল ব্রেক্সিট ঠেকানোর বিল পাস হলেই তার দল আগাম নির্বাচনে সমর্থন দেবে, তার আগে নয়।

প্রধানমন্ত্রী জনসন ব্রিটেনকে নো ডিল ব্রেক্সিটে বাধ্য করতে খামখেয়ালির খেলায় মেতেছেন বলেও অভিযোগ করেন করবিন।

পার্লামেন্টে জোড়া হার বরিস জনসনের

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পার্লামেন্টে জোড়া হার বরিস জনসনের
ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বুধবার রাতে হাউস অব কমনসে দুই দফায় হেরেছেন। আগাম নির্বাচন নিয়ে পার্লামেন্টে তিনি যে প্রস্তাব এনেছিলেন, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় তাও খারিজ হয়ে গেছে।

এর আগে চুক্তি ছাড়াই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আটকে দিয়ে একটি বিল পাস করেছেন এমপিরা। 

বিরোধী দলগুলোর আনা এই বিলে সায় দিয়েছেন ক্ষমতাসীন টরি পার্টির একদল বিদ্রোহী এমপি।

জনসন চাইছেন, বাণিজ্য ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না গেলেও ৩১ অক্টোবর নির্ধারিত তারিখে কোনো চুক্তি ছাড়াই ২৮ জাতির এই জোট থেকে বেরিয়ে যাক ব্রিটেন। এটিকে বলা হচ্ছে- নো ডিল ব্রেক্সিট।

এর বিরোধিতায় মঙ্গলবার পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব তোলে বিরোধী দল, যাতে ব্রেক্সিট আরও পিছিয়ে দিয়ে যুক্তরাজ্যের স্বার্থরক্ষা করে একটি বিচ্ছেদ চুক্তি চূড়ান্ত করার সময় পাওয়া যায়।

ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির ২১ এমপি তাতে সমর্থন দিলে হাউস অব কমনসের ভোটাভুটিতে প্রথম দফা হারতে হয় জনসনকে।

বিরোধী এমপিদের ওই বিল ব্রেক্সিট আলোচনার নিয়ন্ত্রণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাতে তুলে দেবে- এমন যুক্তি দেখিয়ে প্রয়োজনে আগাম নির্বাচন ডাকার হুমকি দিয়ে আসছিলেন প্রধানমন্ত্রী জনসন।

কিন্তু তিনি ১৫ অক্টোবর সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তাব তুললে সেটিও নাকচ হয়ে যায়।

২০১১ সালের একটি আইনে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের মেয়াদ পাঁচ বছর নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। ওই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নির্বাচন দিতে গেলে ৬৫০ সদস্যের পার্লামেন্টের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন বরিস জনসনের। সে জন্য তার বিরোধী দলে লেবার পার্টির সমর্থন দরকার ছিল।

কিন্তু লেবার নেতা জেরেমি করবিন সাফ জানিয়ে দেন, নো ডিল ব্রেক্সিট ঠেকানোর বিল পাস হলেই তার দল আগাম নির্বাচনে সমর্থন দেবে, তার আগে নয়।

প্রধানমন্ত্রী জনসন ব্রিটেনকে নো ডিল ব্রেক্সিটে বাধ্য করতে খামখেয়ালির খেলায় মেতেছেন বলেও অভিযোগ করেন করবিন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ব্রেক্সিট ইস্যু

০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০