আসামের পর মহারাষ্ট্রেও এনআরসি বন্দিশিবির পরিকল্পনা
jugantor
আসামের পর মহারাষ্ট্রেও এনআরসি বন্দিশিবির পরিকল্পনা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:৪৮:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

আসামে তৈরি হচ্ছে ডিটেনশন সেন্টার। ছবি: সংগৃহীত

আসামে নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসির রেশ এখনও কাটেনি। সুতায় ঝুলে আছে ১৯ লাখ মানুষের ভবিষ্যৎ, যাদের নাম ওঠেনি এনআরসির চূড়ান্ত তালিকায়। এর মধ্যেই ভারতের আরেক রাজ্য মহারাষ্ট্রে এনআরসি তৈরির তোড়জোড়ের খবর সামনে এল।

আসামের মতোই অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ডিটেনশন সেন্টার তৈরির কাজে জমি চেয়ে মুম্বাই প্ল্যানিং অথরিটিকে চিঠি পাঠিয়েছে মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দফতর। তবে কর্তৃপক্ষ কোনো রকম চিঠি দেয়ার কথা অস্বীকার করেছে। কিন্তু বিরোধীদের বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই তোড়জোড় শুরু করেছে রাজ্য বিজেপি সরকার।

সোমবার প্রকাশিত এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মুম্বাই থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের নেরুলে ২ থেকে ৩ একর জমি চেয়ে সিটি অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (সিডকো) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ওই রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিডকোর এক শীর্ষ কর্তা সংবাদমাধ্যমের কাছে এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন। চলতি বছরের শুরুতে দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইমিগ্রেশন পয়েন্টে ডিটেনশন সেন্টার তৈরির জন্য কেন্দ্রের পক্ষে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল।

‘বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ ঠেকাতে এমন পরিকল্পনা নেয়ার ইঙ্গিত আগে থেকেই দিয়েছিল বিজেপি নেতারা।

মুম্বাই অনুপ্রবেশকারীতে ভরে গেছে বলে দাবি করেছে শিবসেনা। যে কারণে আসামের মতো মহারাষ্ট্রে এনআরসি চালুর দাবি জানিয়েছে তারা।

গত সপ্তাহে শিবসেনা প্রধান অরবিন্দ সাওয়ান্ত বলেন, ‘ভূমিপুত্রদের সমস্যা সমাধানের জন্য আসামে এনআরসির প্রয়োজন ছিল। যে কারণে আমরা এনআরসির পদক্ষেপকে সমর্থন করেছিলাম। একইভাবে মুম্বাইয়ে বসবাসকারী অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে একই পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।’

এ বছরের গোড়ার দিকে, রাজস্থানে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে অমিত শাহ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ‘উইপোকা’ বলে মন্তব্য করেন। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন, দুটিতেই নাগরিকত্বের প্রমাণ ছিল বিজেপির ইশতেহারের অন্যতম ইস্যু।

জুলাইয়ে রাজ্যসভায় অমিত শাহ বলেন, ‘দেশের মাটির প্রতিটি ইঞ্চিতে’ থাকা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে চায় সরকার। এই রোববার উত্তর-পূর্ব কাউন্সিল বৈঠকেও তিনি বলেন, ‘একজন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকেও থাকতে দেয়া হবে না।’

আসামের পর মহারাষ্ট্রেও এনআরসি বন্দিশিবির পরিকল্পনা

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আসামে তৈরি হচ্ছে ডিটেনশন সেন্টার। ছবি: সংগৃহীত
আসামে তৈরি হচ্ছে ডিটেনশন সেন্টার। ছবি: সংগৃহীত

আসামে নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসির রেশ এখনও কাটেনি। সুতায় ঝুলে আছে ১৯ লাখ মানুষের ভবিষ্যৎ, যাদের নাম ওঠেনি এনআরসির চূড়ান্ত তালিকায়। এর মধ্যেই ভারতের আরেক রাজ্য মহারাষ্ট্রে এনআরসি তৈরির তোড়জোড়ের খবর সামনে এল।

আসামের মতোই অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ডিটেনশন সেন্টার তৈরির কাজে জমি চেয়ে মুম্বাই প্ল্যানিং অথরিটিকে চিঠি পাঠিয়েছে মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দফতর। তবে কর্তৃপক্ষ কোনো রকম চিঠি দেয়ার কথা অস্বীকার করেছে। কিন্তু বিরোধীদের বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই তোড়জোড় শুরু করেছে রাজ্য বিজেপি সরকার।

সোমবার প্রকাশিত এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মুম্বাই থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের নেরুলে ২ থেকে ৩ একর জমি চেয়ে সিটি অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (সিডকো) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ওই রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিডকোর এক শীর্ষ কর্তা সংবাদমাধ্যমের কাছে এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন। চলতি বছরের শুরুতে দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইমিগ্রেশন পয়েন্টে ডিটেনশন সেন্টার তৈরির জন্য কেন্দ্রের পক্ষে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল।

‘বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ ঠেকাতে এমন পরিকল্পনা নেয়ার ইঙ্গিত আগে থেকেই দিয়েছিল বিজেপি নেতারা।  

মুম্বাই অনুপ্রবেশকারীতে ভরে গেছে বলে দাবি করেছে শিবসেনা। যে কারণে আসামের মতো মহারাষ্ট্রে এনআরসি চালুর দাবি জানিয়েছে তারা।

গত সপ্তাহে শিবসেনা প্রধান অরবিন্দ সাওয়ান্ত বলেন, ‘ভূমিপুত্রদের সমস্যা সমাধানের জন্য আসামে এনআরসির প্রয়োজন ছিল। যে কারণে আমরা এনআরসির পদক্ষেপকে সমর্থন করেছিলাম। একইভাবে মুম্বাইয়ে বসবাসকারী অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে একই পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।’

এ বছরের গোড়ার দিকে, রাজস্থানে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে অমিত শাহ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ‘উইপোকা’ বলে মন্তব্য করেন। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন, দুটিতেই নাগরিকত্বের প্রমাণ ছিল বিজেপির ইশতেহারের অন্যতম ইস্যু।

জুলাইয়ে রাজ্যসভায় অমিত শাহ বলেন, ‘দেশের মাটির প্রতিটি ইঞ্চিতে’ থাকা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে চায় সরকার। এই রোববার উত্তর-পূর্ব কাউন্সিল বৈঠকেও তিনি বলেন, ‘একজন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকেও থাকতে দেয়া হবে না।’